‘শীতের রাতে বৃদ্ধ বাবা-মা ও নারীদের বিরক্ত না করলেও পারতেন’: জাকির – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

‘শীতের রাতে বৃদ্ধ বাবা-মা ও নারীদের বিরক্ত না করলেও পারতেন’: জাকির

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
ভোর রাতে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে পুলিশের অভিযান। ভুল তথ্যের ভিত্তিতে পুরুষ পুলিশ দিয়ে নারীদের রুমে তল্লাশির অভিযোগ। শীতের রাতে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ ও নারীদের হয়রানি নিয়ে ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ। নিজস্ব প্রতিবেদক: গভীর রাতে বাড়িতে পুলিশের অভিযান এবং পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করার অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন। বুধবার ভোর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ অভিযোগ করেন। জাকির হোসাইন জানান, ঘড়িতে তখন রাত ৩টা ৩০ মিনিট। পুলিশের কাছে ভুল তথ্য ছিল যে তিনি বাড়িতেই অবস্থান করছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে বাড়িতে হানা দেয় এবং প্রতিটি রুমে তল্লাশি

চালায়। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, "তাই তারা আমাকে খুঁজতে আমার বাড়ীতে গিয়ে রুমে রুমে খুঁজলেন। এই শীতের রাতে আমার বৃদ্ধ বাবা-মা ও মহিলাদের বিরক্ত না করলেও পারতেন!" তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত কয়েকদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রায় নিয়মিতই তার বাড়িতে যাচ্ছে। তবে সেসব অভিযান সাধারণত দিনের বেলা বা সন্ধ্যায় হতো। কিন্তু শেষ রাতে এভাবে বাড়িতে আসাকে তিনি 'হাস্যকর' বলে মন্তব্য করেন। অভিযানের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে সাবেক এই ছাত্রনেতা অভিযোগ করেন, গভীর রাতে পুরুষ পুলিশ সদস্যরা নারীদের রুমে প্রবেশ করে তল্লাশি চালিয়েছেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লিখেন, "আপনারা বাড়িতে এভাবে পুরুষ পুলিশ দিয়ে গভীর রাতে রুমে রুমে তল্লাশি না করে সঠিক তথ্য নেন।

এই শেষ রাতে মহিলাদের রুমে তল্লাশির জন্য অন্তত মহিলা পুলিশ নিয়ে যেতে পারতেন!" মানবিকতার প্রশ্ন তুলে পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "আপনাদের নিশ্চয়ই নিজের বাড়িতে বাবা-মা, মহিলা আছেন। তাদের এমনভাবে গভীর রাতে বিরক্ত করলে আপনাদের কেমন অনুভূতি হতো!" স্ট্যাটাসের শেষে তিনি একটি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "আগুনের দিন শেষ হবে একদিন।" তার এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অনুসারীদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ১৩ বছর আজ মিত্রদের জন্য হরমুজে ফি মওকুফ করল ইরান, কারা আছেন তালিকায় ঢাবিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ২ তদন্ত কমিটি গঠন ক্যাম্পাসে উত্তেজনার ঝড় বড় সংঘাতের আশঙ্কা সালাউদ্দিন আম্মারকে সতর্ক করে যা বললেন ছাত্রদল সভাপতি ইরানে পারমাণবিক হামলা করবেন কি না, জানালেন ট্রাম্প আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করল তেহরান তেলের সংকট আরও তীব্র হতে পারে, বাড়ছে দাম যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাল আরেকটি মার্কিন রণতরি হামলা হলে ‘কঠোর জবাব’ দেবে ইরান, প্রস্তুত ইসরায়েল হাজার হাজার হেক্টর বোরো জমি শুকিয়ে যাচ্ছে, চাল উৎপাদনে ৭০ লাখ টন ঘাটতির সম্ভাবনা ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায় শেখ হাাসিনা সরকারের এনসিডি সেবা বন্ধ, বিনামূল্যের ওষুধ বঞ্চিত দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী শাহবাগ থানার ভিতরেই মোসাদ্দেক-কে পেটালো ছাত্রদল এক টাকার সম্পদ থাকলেও দিতে হবে কর অর্থনৈতিক চাপে ধুঁকছে বাংলাদেশ: ‘১৪ বোয়িং’ ক্রয়—মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির জগদ্দল পাথর বার্লিনে ইরানের নির্বাসিত যুবরাজ রেজা পাহলাভির উপর টমেটো সস ছুড়ে মারলো বিক্ষুব্ধ জনতা নাহিদ ও মোস্তাফিজকে এবার আর পিএসএলে যেতে দেবে না বিসিবি হামে আক্রান্ত শিশু কোলে, মাথা চাপড়াচ্ছেন জুলাইযোদ্ধা মুশফিক প্রকল্প বাতিল, অথচ হদিস নেই ১৫৪ কোটি টাকার!