ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে
‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ
তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা
বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ
মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।
১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
যদি গোয়েন্দা লাগে, আমি লোক সাপ্লাই দিব: ওসিকে জামায়াতের প্রার্থী
‘যদি লজিস্টিক সাপোর্ট চান আপনার পুলিশের সাথে, অ্যাসিন্ট্যান্ট হিসেবে যদি মনে করেন যে শ’য়েক পুলিশ লাগবে আমি শিবিরের-জামায়াতের লোক দিব। যদি আপনার মনে করেন যে গোয়েন্দা লোক লাগবে; আপনি ইউনিয়ন ভিত্তিতে টিম গঠন করেন আমি স্পেশালি লোক সাপ্লাই দেব।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এমনটা বলতে শোনা যায় চট্টগ্রাম-১ আসনে (মিরসরাই) জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুর রহমান। এই কথাগুলো তিনি বলছিলেন মিরসরাই থানার ওসিকে উদ্দেশ্যে করে। পরে স্থানীয় ওসি ও এমপি প্রার্থীর ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভিডিওটি গত ২০ নভেম্বর বিকেলে মিরসরাই থানা থেকে ধারণ করা হয়েছে। সম্প্রতি সময়ে মিরসরাই
এলাকায় বেড়েছে ডাকাতির ঘটনা। আর সেই ডাকাতি বন্ধের বিষয়ে কথা বলতে গিয়েই ওসিকে উদ্দেশ্যে করে এমন মন্তব্য করে বসেন সাইফুর রহমান। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। যদিও সাইফুর রহমানের দাবি, তার বক্তব্য জোড়াতালি দিয়ে উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে একটি পক্ষ। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ওই ভিডিওতে শোনা যায়, কার্যকরী উদ্যোগ নিলে ওসির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে সাইফুর রহমান বলেন, ‘…আপনারা কী কাজ করেন, আপনাদের টিমটা কোথায় এই সামগ্রিক বিষয়ে আসলে আপনার একটু বক্তব্য আসা দরকার। আমরা সত্যিকার অর্থে সহযোগিতা করতে চাই। এখন আমরা তো আর ডাকাত ধরার জন্য একেক
বাড়িতে হানা দিতে পারি না। উল্টো আমাদের ডাকাত হিসেবে ওরা চিহ্নিত করে ফেলবে।’ ভিডিওতে ওসি আতিকুর রহমানকেও কথা বলতে শোনা যায়। এ সময় তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের আপনাদের সহযোগিতা দরকার। অন্তত ১৫টা দিন আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন, দেখেন কী রেজাল্ট আসে। আপনি যেটা প্রথমে প্রস্তাব দিয়েছেন, আমি এটাতে খুবই আনন্দিত এবং খুব খুশি হয়েছি। আপনাদের সমাজসেবী যারা আছেন, পাড়ায়-পাড়ায় মহল্লায়-মহল্লায় টিম করে দেন, আমরা একটা হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ করি, আমার পুলিশের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। আমি সরাসরি যুক্ত থাকব। মাঠে তাদের তদারকি করব, তাদের সেফটি আমি দেব।’ সম্প্রতি সময়ে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সম্পর্কে জানতে চাইলে সাইফুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশের সঙ্গে আমার
বলা কথাগুলোকে আগে পরে কেটে-ছেঁটে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী প্রচার করছে। আমি মনে করি যারা কথা বিকৃত করে প্রচার করছে, তারা ডাকাতদের সহযোগী। যে কয়েকটি আইডি থেকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এগুলো ছড়াচ্ছে, আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব। এ বিষয়ে জানতে চেয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মিরসরাই থানার ওসি আতিকুর রহমানের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তবে পুলিশের সঙ্গে এ রকম আচরণ করতে পারেন না। কেউ ওভাবে বলতে পারেন না।
এলাকায় বেড়েছে ডাকাতির ঘটনা। আর সেই ডাকাতি বন্ধের বিষয়ে কথা বলতে গিয়েই ওসিকে উদ্দেশ্যে করে এমন মন্তব্য করে বসেন সাইফুর রহমান। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। যদিও সাইফুর রহমানের দাবি, তার বক্তব্য জোড়াতালি দিয়ে উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে একটি পক্ষ। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ওই ভিডিওতে শোনা যায়, কার্যকরী উদ্যোগ নিলে ওসির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে সাইফুর রহমান বলেন, ‘…আপনারা কী কাজ করেন, আপনাদের টিমটা কোথায় এই সামগ্রিক বিষয়ে আসলে আপনার একটু বক্তব্য আসা দরকার। আমরা সত্যিকার অর্থে সহযোগিতা করতে চাই। এখন আমরা তো আর ডাকাত ধরার জন্য একেক
বাড়িতে হানা দিতে পারি না। উল্টো আমাদের ডাকাত হিসেবে ওরা চিহ্নিত করে ফেলবে।’ ভিডিওতে ওসি আতিকুর রহমানকেও কথা বলতে শোনা যায়। এ সময় তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের আপনাদের সহযোগিতা দরকার। অন্তত ১৫টা দিন আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন, দেখেন কী রেজাল্ট আসে। আপনি যেটা প্রথমে প্রস্তাব দিয়েছেন, আমি এটাতে খুবই আনন্দিত এবং খুব খুশি হয়েছি। আপনাদের সমাজসেবী যারা আছেন, পাড়ায়-পাড়ায় মহল্লায়-মহল্লায় টিম করে দেন, আমরা একটা হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ করি, আমার পুলিশের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। আমি সরাসরি যুক্ত থাকব। মাঠে তাদের তদারকি করব, তাদের সেফটি আমি দেব।’ সম্প্রতি সময়ে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সম্পর্কে জানতে চাইলে সাইফুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশের সঙ্গে আমার
বলা কথাগুলোকে আগে পরে কেটে-ছেঁটে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী প্রচার করছে। আমি মনে করি যারা কথা বিকৃত করে প্রচার করছে, তারা ডাকাতদের সহযোগী। যে কয়েকটি আইডি থেকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এগুলো ছড়াচ্ছে, আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব। এ বিষয়ে জানতে চেয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মিরসরাই থানার ওসি আতিকুর রহমানের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তবে পুলিশের সঙ্গে এ রকম আচরণ করতে পারেন না। কেউ ওভাবে বলতে পারেন না।



