সেনাবাহিনীকে ‘পোষা কুকুর’ আখ্যা: কার প্রশ্রয়ে পার পেলেন উগ্রপন্থী সাইফুল? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
     ৩:২০ অপরাহ্ণ

আরও খবর

লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে

‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ

তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা

বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ

মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।

১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?

ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী

সেনাবাহিনীকে ‘পোষা কুকুর’ আখ্যা: কার প্রশ্রয়ে পার পেলেন উগ্রপন্থী সাইফুল?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ নভেম্বর, ২০২৫ | ৩:২০ 63 ভিউ
রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রতীক সেনাবাহিনীকে নিয়ে চরম আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে তোপের মুখে পড়েছেন রুহামা ইনস্টিটিউটের পরিচালক সাইফুল ইসলাম। “সেনাবাহিনী আমাদের পোষা কুকুর, সেনাবাহিনী আমাদের ট্যাক্সের টাকায় চলে”—এমন উদ্ধত ও রাষ্ট্রদোহী মন্তব্যের জেরে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কেবল মৌখিক অবমাননাই নয়, তার বিরুদ্ধে ৫ আগস্ট গণভবনে হামলা, লুটপাট এবং জুলাই-আগস্টের সহিংস আন্দোলনে সশস্ত্র উগ্রপন্থী গ্রুপের নেতৃত্ব দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও উঠে এসেছে। একজন সাধারণ নাগরিক বা কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের মুখ থেকে দেশের সেনাবাহিনীকে নিয়ে “পোষা কুকুর” এর মতো শব্দ চয়ন কেবল অশিষ্টাচার নয়, বরং এটি রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতি চরম বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় সরকারি প্রতিষ্ঠান চলে—এটি একটি প্রশাসনিক

সত্য, কিন্তু সেই অজুহাতে একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীকে এভাবে অপমান করা কোনো সুস্থ মানসিকতার পরিচয় হতে পারে না। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের মন্তব্য উগ্রবাদী মানসিকতা থেকেই উৎসারিত হয়, যার উদ্দেশ্য রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়া এবং অরাজকতা সৃষ্টি করা। গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণভবনে যে নজিরবিহীন হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল, তার অন্যতম কুশীলব ছিলেন এই সাইফুল ইসলাম। এখানেই শেষ নয়, জুলাই-আগস্ট মাসে যখন দেশজুড়ে আন্দোলন চলছিল, তখন তিনি একটি সশস্ত্র উগ্রপন্থী গ্রুপের নেতৃত্ব দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। একটি শিক্ষা বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (রুহামা ইনস্টিটিউট) আড়ালে তিনি আসলে কোন এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন, তা নিয়ে এখন

গভীর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে সশস্ত্র তৎপরতা চালানো এবং রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় হামলা করা—এগুলো স্পষ্টতই জঙ্গি বা উগ্রবাদী কার্যক্রমের শামিল। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো সাইফুল ইসলামের দায়মুক্তি পাওয়ার প্রক্রিয়াটি। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গত ২০ নভেম্বর তার বাসায় সেনাবাহিনীর একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। স্বাভাবিকভাবেই, তার বিরুদ্ধে থাকা গুরুতর অভিযোগগুলোর প্রেক্ষিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু বিশেষ একটি সূত্রের দাবি, জামায়াতপন্থী হিসেবে পরিচিত সেনাবাহিনীর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সুপারিশে কেবল মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাটি আইনের শাসন ও নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ১. একজন ব্যক্তি যিনি সেনাবাহিনীকে ‘কুকুর’ বলে গালি দেন এবং সশস্ত্র

গ্রুপের নেতৃত্ব দেন, তিনি কার খুঁটির জোরে পার পেয়ে যান? ২. বাহিনীর ভেতরে থাকা অসাধু বা রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রভাবিত কর্মকর্তারা কি তবে জাতীয় নিরাপত্তার চেয়ে ব্যক্তিগত বা দলীয় এজেন্ডাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন? ৩. মুচলেকা কি রাষ্ট্রদোহীতা বা সশস্ত্র সহিংসতার উপযুক্ত শাস্তি হতে পারে? সাইফুল ইসলামের মতো ব্যক্তিরা যখন ধর্মীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক লেবাসে উগ্রবাদ ছড়ায় এবং রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে অপমান করেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে, তখন তা রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত। তাকে ছেড়ে দেওয়ার পেছনে যে ‘উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার’ সুপারিশের কথা শোনা যাচ্ছে, তা যদি সত্য হয়, তবে এটি সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার জন্যও হুমকিস্বরূপ। অবিলম্বে সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং তাকে প্রশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির

আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায়, এ ধরনের ‘ধৃষ্টতা’ ভবিষ্যতে বড় কোনো নাশকতার জন্ম দিতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?