ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে
‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ
তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা
বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ
মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।
১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতেই ‘ক্যাঙ্গারু কোর্টে’ তড়িঘড়ি করে রায় দেওয়া হয়েছে: সজীব ওয়াজেদ জয়
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় অভিযোগ করেছেন, আগামী নির্বাচনে তাকে ও তার পরিবারকে অযোগ্য ঘোষণা করার উদ্দেশ্যেই তড়িঘড়ি করে একটি রায় দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ‘অবৈধ ইউনুস সরকার’ আখ্যায়িত করে তিনি দাবি করেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই এই রায় দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সজীব ওয়াজেদ জয় জানান, তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা ঢাকার উপকন্ঠের একটি অনুন্নত এলাকায় প্রত্যেকে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে ১/৬ একর করে জমি কিনেছিলেন। বাংলাদেশে এটিই ছিল তাদের নিজস্ব টাকায় কেনা প্রথম কোনো সম্পত্তি। এর বাইরে তাদের যা কিছু আছে, তা
পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত। জয় অভিযোগ করেন, "অবৈধ ইউনুস শাসনামলে বাংলাদেশের ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আরেকটি দ্রুত বিচার ও রায় প্রদান করেছে। আমরা কোনো নোটিশ পাইনি, আমাদের আইনজীবী নিয়োগ করতে দেওয়া হয়নি এবং কোনো আইনি প্রক্রিয়া বা 'ডিউ প্রসেস' মানা হয়নি।" তিনি আরও বলেন, এই রায়ের মূল লক্ষ্য হলো তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে ভয় পায় বলেই এমনটা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত। জয় অভিযোগ করেন, "অবৈধ ইউনুস শাসনামলে বাংলাদেশের ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ আরেকটি দ্রুত বিচার ও রায় প্রদান করেছে। আমরা কোনো নোটিশ পাইনি, আমাদের আইনজীবী নিয়োগ করতে দেওয়া হয়নি এবং কোনো আইনি প্রক্রিয়া বা 'ডিউ প্রসেস' মানা হয়নি।" তিনি আরও বলেন, এই রায়ের মূল লক্ষ্য হলো তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে ভয় পায় বলেই এমনটা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।



