ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে
‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ
তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা
বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ
মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।
১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
মিথ্যার বেসাতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ: ‘সবচেয়ে বড় বাড়ি’র গল্পের আড়ালে হান্নান মাসউদের আসল রূপ ফাঁস
মাত্র কয়েক মাস আগেও যার পরিচয় ছিল ‘গ্রামের সবচেয়ে ভাঙা ঘরের বাসিন্দা’ হিসেবে, হঠাৎ করেই তিনি বনে গেছেন গ্রামের ‘সবচেয়ে বড় বাড়ি’র মালিক। এনসিপি নেতা হান্নান মাসউদের এমন ভোল পাল্টানো আচরণ ও মিথ্যাচার নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অভিযোগ উঠেছে, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে চাঁদাবাজির টাকায় রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন তিনি। নিজের জরাজীর্ণ অতীত লুকাতে এখন আশ্রয় নিচ্ছেন নির্লজ্জ মিথ্যার।
সম্প্রতি হান্নান মাসউদ দম্ভভরে দাবি করেছেন, গ্রামের সবচেয়ে বড় বাড়িটি নাকি তাদের। এক বিঘা জমির ওপর নির্মিত সেই বাড়িতে তিনটি পুকুর থাকার গালগপ্পও ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। অথচ মাত্র ৬ মাস আগে ‘করাপশন ইন মিডিয়া’র একটি অনুসন্ধানী দল যখন সরেজমিনে
তার হাতিয়ার বাড়িতে যায়, তখন উঠে আসে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হান্নান মাসউদের পরিবার যে বাড়িতে বসবাস করে, তা গ্রামের অন্যতম জরাজীর্ণ ও ভাঙাচোরা একটি ঘর। সেখানে রাজকীয় কোনো স্থাপনা তো দূরের কথা, তিনি যে ৩টি পুকুরের গল্প ফেঁদেছেন—তার কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি গত বছরের ৫ আগস্টের পর হান্নান মাসউদ নিজেকে ‘গ্রামের সবচেয়ে ভাঙা ঘরের মালিক’ দাবি করে সাধারণ মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন। অথচ স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে গত কয়েক মাসে বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে মেতে ওঠেন এই নেতা। এলাকাবাসী জানান, হাতিয়ায় চরম আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল পরিবার হিসেবে পরিচিত ছিল হান্নান মাসউদের পরিবার। কিন্তু ৫ আগস্টের পর
হঠাৎ করেই সেই ভাঙা ঘরের পাশে পাকা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, নিরীহ মানুষের ওপর জবরদস্তি ও চাঁদাবাজির অবৈধ টাকাতেই এই নির্মাণযজ্ঞ চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হান্নান মাসউদের পুরোনো ভাঙা ঘরের ভিডিও এবং বর্তমানের রাজকীয় দাবির অসঙ্গতি নিয়ে চলছে তুমুল ট্রল ও সমালোচনা। সচেতন মহল বলছেন, দারিদ্র্য কোনো অপরাধ নয়, কিন্তু নিজের অসৎ উপায়ে অর্জিত বিত্তবৈভব জায়েজ করতে ৭ মাস আগের জরাজীর্ণ অবস্থাকে অস্বীকার করে ‘সবচেয়ে বড় বাড়ি’র মিথ্যা গল্প ফাঁদা প্রতারণার শামিল। ভিডিও প্রমাণ এবং স্থানীয় সাক্ষ্য বলছে, হান্নান মাসউদের এই রাজকীয় উত্থানের গল্প শুধুই শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা। প্রশ্ন উঠেছে, একজন রাজনৈতিক নেতা যখন নিজের সম্পদ ও
অবস্থান নিয়ে প্রকাশ্যে মিথ্যাচার করেন, তখন তার সততা ও নৈতিকতা আসলে কোন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে?
তার হাতিয়ার বাড়িতে যায়, তখন উঠে আসে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হান্নান মাসউদের পরিবার যে বাড়িতে বসবাস করে, তা গ্রামের অন্যতম জরাজীর্ণ ও ভাঙাচোরা একটি ঘর। সেখানে রাজকীয় কোনো স্থাপনা তো দূরের কথা, তিনি যে ৩টি পুকুরের গল্প ফেঁদেছেন—তার কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি গত বছরের ৫ আগস্টের পর হান্নান মাসউদ নিজেকে ‘গ্রামের সবচেয়ে ভাঙা ঘরের মালিক’ দাবি করে সাধারণ মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন। অথচ স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে গত কয়েক মাসে বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে মেতে ওঠেন এই নেতা। এলাকাবাসী জানান, হাতিয়ায় চরম আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল পরিবার হিসেবে পরিচিত ছিল হান্নান মাসউদের পরিবার। কিন্তু ৫ আগস্টের পর
হঠাৎ করেই সেই ভাঙা ঘরের পাশে পাকা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, নিরীহ মানুষের ওপর জবরদস্তি ও চাঁদাবাজির অবৈধ টাকাতেই এই নির্মাণযজ্ঞ চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হান্নান মাসউদের পুরোনো ভাঙা ঘরের ভিডিও এবং বর্তমানের রাজকীয় দাবির অসঙ্গতি নিয়ে চলছে তুমুল ট্রল ও সমালোচনা। সচেতন মহল বলছেন, দারিদ্র্য কোনো অপরাধ নয়, কিন্তু নিজের অসৎ উপায়ে অর্জিত বিত্তবৈভব জায়েজ করতে ৭ মাস আগের জরাজীর্ণ অবস্থাকে অস্বীকার করে ‘সবচেয়ে বড় বাড়ি’র মিথ্যা গল্প ফাঁদা প্রতারণার শামিল। ভিডিও প্রমাণ এবং স্থানীয় সাক্ষ্য বলছে, হান্নান মাসউদের এই রাজকীয় উত্থানের গল্প শুধুই শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা। প্রশ্ন উঠেছে, একজন রাজনৈতিক নেতা যখন নিজের সম্পদ ও
অবস্থান নিয়ে প্রকাশ্যে মিথ্যাচার করেন, তখন তার সততা ও নৈতিকতা আসলে কোন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে?



