ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে
‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ
তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা
বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ
মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।
১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’: কমনওয়েলথ মহাসচিবকে ড. মোমেনের জরুরি বার্তা
বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিবেদনের ব্যবহার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে কমনওয়েলথ মহাসচিবকে চিঠি দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
আজ (১৯ নভেম্বর) পাঠানো এই চিঠিতে তিনি বাংলাদেশে সাম্প্রতিক একটি রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং সেই রায়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদনের বিতর্কিত ব্যবহারের কঠোর সমালোচনা করেছেন। আগামী ২০ থেকে ২৪ নভেম্বর কমনওয়েলথ মহাসচিবের বাংলাদেশ সফরের ঠিক আগমুহূর্তে এই চিঠিটি দেওয়া হলো।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনের 'অপব্যবহার' নিয়ে অভিযোগ
চিঠিতে ড. মোমেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের (Volker Türk) দেওয়া একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ওই
প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের মতো রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ড. মোমেন অভিযোগ করেন, "এই প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল (UNHRC) দ্বারা অনুমোদিত নয় এবং এটি পর্যালোচনার জন্যও সেখানে জমা দেওয়া হয়নি। জাতিসংঘের কার্যপ্রণালী বিধি (Rules of Procedure) লঙ্ঘন করে এই প্রতিবেদনটি ব্যবহার করা হয়েছে।" তিনি দাবি করেন, এই ধরনের একপাক্ষিক পদক্ষেপ জাতিসংঘের প্রাতিষ্ঠানিক বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করছে এবং মানবাধিকার ব্যবস্থাকে রাজনীতিকরণের ঝুঁকিতে ফেলছে। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তা ন্যায়বিচারের পরিবর্তে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার’ প্রতিফলন। তিনি বলেন, "বিচারিক প্রক্রিয়ার দ্রুতগতি, উপস্থাপিত প্রমাণের ধরন এবং একটি অননুমোদিত জাতিসংঘ প্রতিবেদনের ওপর নির্ভরতা—সবই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।" কমনওয়েলথ মহাসচিবের কাছে ৪ দফা দাবি কমনওয়েলথ মহাসচিবের আসন্ন বাংলাদেশ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ড. মোমেন দেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চারটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি মহাসচিবকে বর্তমান সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের অনুরোধ জানিয়ে বলেন: ১. অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন: অবিলম্বে আওয়ামী লীগসহ (বাংলাদেশের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল) সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়ার আয়োজন করতে হবে। ২. নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: রাজনৈতিক দল, সমাবেশ ও র্যালির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে মত প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। ৩. বন্দিদের মুক্তি: জরুরি অবস্থা বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় আটক রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সাংবাদিক এবং সুশীল
সমাজের প্রতিনিধিদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। ৪. আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক: আস্থা ফেরাতে এবং সহিংসতা রোধে বিশ্বাসযোগ্য আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ বা সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। চিঠির শেষে ড. মোমেন সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশ এখন গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। এই মুহূর্তে কমনওয়েলথ এবং জাতিসংঘের একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও নীতিগত অবস্থানই কেবল বাংলাদেশকে ভয়াবহ অস্থিতিশীলতা থেকে রক্ষা করতে পারে।
প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের মতো রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ড. মোমেন অভিযোগ করেন, "এই প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল (UNHRC) দ্বারা অনুমোদিত নয় এবং এটি পর্যালোচনার জন্যও সেখানে জমা দেওয়া হয়নি। জাতিসংঘের কার্যপ্রণালী বিধি (Rules of Procedure) লঙ্ঘন করে এই প্রতিবেদনটি ব্যবহার করা হয়েছে।" তিনি দাবি করেন, এই ধরনের একপাক্ষিক পদক্ষেপ জাতিসংঘের প্রাতিষ্ঠানিক বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করছে এবং মানবাধিকার ব্যবস্থাকে রাজনীতিকরণের ঝুঁকিতে ফেলছে। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তা ন্যায়বিচারের পরিবর্তে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার’ প্রতিফলন। তিনি বলেন, "বিচারিক প্রক্রিয়ার দ্রুতগতি, উপস্থাপিত প্রমাণের ধরন এবং একটি অননুমোদিত জাতিসংঘ প্রতিবেদনের ওপর নির্ভরতা—সবই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।" কমনওয়েলথ মহাসচিবের কাছে ৪ দফা দাবি কমনওয়েলথ মহাসচিবের আসন্ন বাংলাদেশ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ড. মোমেন দেশে গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চারটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি মহাসচিবকে বর্তমান সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের অনুরোধ জানিয়ে বলেন: ১. অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন: অবিলম্বে আওয়ামী লীগসহ (বাংলাদেশের প্রাচীনতম ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল) সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়ার আয়োজন করতে হবে। ২. নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: রাজনৈতিক দল, সমাবেশ ও র্যালির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে মত প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। ৩. বন্দিদের মুক্তি: জরুরি অবস্থা বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় আটক রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সাংবাদিক এবং সুশীল
সমাজের প্রতিনিধিদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। ৪. আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক: আস্থা ফেরাতে এবং সহিংসতা রোধে বিশ্বাসযোগ্য আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ বা সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। চিঠির শেষে ড. মোমেন সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশ এখন গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে আছে। এই মুহূর্তে কমনওয়েলথ এবং জাতিসংঘের একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও নীতিগত অবস্থানই কেবল বাংলাদেশকে ভয়াবহ অস্থিতিশীলতা থেকে রক্ষা করতে পারে।



