ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে
‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ
তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা
বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ
মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা।
১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে?
ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী
টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী আবু হেনার বিরুদ্ধে হিজবুত তাহরীর সংশ্লিষ্টতার গুরুতর অভিযোগ
টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা সালামের (বিসিএস টেলিকম পরিচিতি নং- ২২৫৪) বিরুদ্ধে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন, ভুয়া ভিওআইপি ব্যবসা এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিজবুত তাহরীর সাথে সম্পৃক্ততার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও গত জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের সাথে মিশে পুলিশ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগও পাওয়া গেছে এই সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
সূত্র জানায়, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে ২২তম বিসিএস-এর মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ক্যাডারে যোগদান করেন আবু হেনা মোস্তফা সালাম। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর সাথে তার বাবার সখ্যতার সুবাদে তিনি সুবিধাজনক পোস্টিং পান। ঢাকায় কর্মরত থাকাকালে তিনি অবৈধ উপায়ে বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হন। রাজধানীর
মিরপুরের পাইকপাড়ায় (২৩০, আহম্মদনগর) বাড়ি নির্মাণ এবং বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম ব্লকে প্লট কেনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টাকার বিনিময়ে তিনি বৈদেশিক টেলিযোগাযোগ অঞ্চলে পোস্টিং নেন। সেখানে থাকাবস্থায় অবৈধ ভিওআইপি (VoIP) ব্যবসার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বনানী থানায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা (মামলা নং- ৪০) দায়ের করা হয় এবং তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সাময়িক বরখাস্ত থাকা অবস্থায় আবু হেনা মোস্তফা সালাম ধীরে ধীরে উগ্রবাদের দিকে ঝুঁকে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য এস. ওয়াজেদ আলির সাথে সখ্যতার মাধ্যমে তিনি হিজবুত তাহরীরের কার্যক্রমে যুক্ত
হন এবং অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সংগ্রহে মনোযোগ দেন বলে জানা গেছে। জুলাই মাসে কোটা বিরোধী আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি সশস্ত্র অবস্থায় মাঠে নামেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি আন্দোলনকারীদের সাথে মিশে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে পুলিশ সদস্য এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের আহত করেন, যার ফলে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। বিসিএস টেলিকম সমিতির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে তাকে গর্বভরে প্রচার করতেও দেখা গেছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। সরকারি চাকরিতে বহাল থেকে এমন জঙ্গি তৎপরতা চালানোয় তার অবিলম্বে অপসারণ ও বিচার দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব অভিযোগের বিষয়ে আবু হেনা মোস্তফা সালামের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নম্বরে (+880 15 5357 3392) একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ
করেননি। এছাড়া তার ইমেইল ঠিকানায় (abuhena1976@yahoo.com) যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তার ফেসবুক আইডিটি লক থাকায় সেখানেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মিরপুরের পাইকপাড়ায় (২৩০, আহম্মদনগর) বাড়ি নির্মাণ এবং বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম ব্লকে প্লট কেনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টাকার বিনিময়ে তিনি বৈদেশিক টেলিযোগাযোগ অঞ্চলে পোস্টিং নেন। সেখানে থাকাবস্থায় অবৈধ ভিওআইপি (VoIP) ব্যবসার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বনানী থানায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা (মামলা নং- ৪০) দায়ের করা হয় এবং তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সাময়িক বরখাস্ত থাকা অবস্থায় আবু হেনা মোস্তফা সালাম ধীরে ধীরে উগ্রবাদের দিকে ঝুঁকে পড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য এস. ওয়াজেদ আলির সাথে সখ্যতার মাধ্যমে তিনি হিজবুত তাহরীরের কার্যক্রমে যুক্ত
হন এবং অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সংগ্রহে মনোযোগ দেন বলে জানা গেছে। জুলাই মাসে কোটা বিরোধী আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি সশস্ত্র অবস্থায় মাঠে নামেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি আন্দোলনকারীদের সাথে মিশে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে পুলিশ সদস্য এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের আহত করেন, যার ফলে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। বিসিএস টেলিকম সমিতির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে তাকে গর্বভরে প্রচার করতেও দেখা গেছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। সরকারি চাকরিতে বহাল থেকে এমন জঙ্গি তৎপরতা চালানোয় তার অবিলম্বে অপসারণ ও বিচার দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এসব অভিযোগের বিষয়ে আবু হেনা মোস্তফা সালামের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নম্বরে (+880 15 5357 3392) একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ
করেননি। এছাড়া তার ইমেইল ঠিকানায় (abuhena1976@yahoo.com) যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তার ফেসবুক আইডিটি লক থাকায় সেখানেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।



