ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
যারা মেধার কথা বলে রাজপথ জ্বালিয়েছিল, তারাই আজ কোটা খেয়ে সরকারি অফিসে— কোটা আন্দোলনের মুখোশে ক্ষমতার সিঁড়ি, সাধারণ ছাত্রদের ভাগ্যে শুধু ধোঁকা!
বাংলাদেশ: ইউনুস এবং ইতিহাসের উপর আক্রমণ” (Bangladesh: Yunus and Assault on History) নামক একটি বই সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে
ভুল ইতিহাসের অভিযোগ তুলে বাতিল করল ১৫ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার ভিডিও সাক্ষাৎকার
তারেক রহমানের নাগরিকত্ব বিতর্ক: নির্বাচনের প্রশ্নচিহ্ন
ড. ইউনুস দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় থাকতে কূটনৈতিক দৌড়ঝাপ
বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন নির্বাচন, অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা ও ক্ষমতা নিয়ে তৈরি হওয়া নতুন সমীকরণ। এই সংকটকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে আলোচনা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে, তা হলো ক্ষমতার ভিত মজবুত করতে এবং নির্বাচন বিলম্বিত করতে বিভিন্ন মহলে তৎপরতা। এর ভেতরেই দ্রুত উত্থান ঘটছে এক শ্রেণির সুবিধাবাদী রাজনীতির, যারা ক্ষমতার দিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের অবস্থান পাল্টে নিচ্ছে। প্রশাসন, কূটনৈতিক বলয় এমনকি নিরাপত্তা কাঠামোর ভেতরও এই প্রবণতা স্পষ্ট হচ্ছে।
রাজনীতিতে প্রচলিত আলোচনায় আছে ড. ইউনুস নির্বাচন ছাড়াই দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতায় থাকার আগ্রহ কূটনৈতিক মহলে ব্যক্ত করেছেন। এ ধরনের কথোপকথনকে ঘিরে জামাত, এনসিপি এবং কয়েকটি ক্ষুদ্র রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সমর্থনের কথাও বিভিন্ন
মহলের দাবি। আওয়ামী লীগকে দুর্বল করার পর এখন বিএনপিকেও কোণঠাসা করে একক ক্ষমতা তৈরির কৌশল নেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগও রাজনীতিতে তোলা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ফ্যাক্টর নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিছু রাজনৈতিক ব্যাখ্যায় বলা হচ্ছে পাকিস্তান কূটনৈতিকভাবে বর্তমান ক্ষমতা-সমীকরণে আগ্রহ দেখাচ্ছে এবং ড. ইউনুসকে কেন্দ্র করে কিছু প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে। সেনাবাহিনীর ভেতর পাকিস্তানপন্থী হিসেবে পরিচিত কয়েকজন অফিসার বিশেষত কিউএমজি ফয়জুর রহমান ও পিএসও কামরুল হাসানের নেতৃত্বে একটি অংশ ক্ষমতার ভাগাভাগিতে আগ্রহী এমন দাবিও ছড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। তবে এসবই এখনো অনানুষ্ঠানিক দাবি এবং যাচাইযোগ্য তথ্যের বাইরে। এদিকে আলোচনায় আছে কূটনৈতিক লবিংয়ের বিষয়টি। নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিল, আলী রিয়াজসহ একদল নীতি-পরামর্শক পশ্চিমা
কূটনীতিকদের কাছে বর্তমান ক্ষমতার বিন্যাসকে বৈধ ও প্রয়োজনীয় হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন এমন অভিযোগ রয়েছে। আবার বিরোধীদের ব্যাখ্যায় বলা হচ্ছে নির্বাচন ঘনিয়ে এলে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হতো, তা এড়াতেই বিএনপি ভাঙার চেষ্টা চলছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো দেশের ভেতরে সহিংসতার পুনরুত্থান। বিএনপি নেতাদের হত্যাকাণ্ড, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আগুন, নাশকতা এসবকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষই একে অন্যকে অভিযুক্ত করছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন মতও শোনা যাচ্ছে সরকারপক্ষ, জামাত-শিবির, এনসিপি ও এবি পার্টির জঙ্গি নেটওয়ার্ক মিলেই অরাজকতা তৈরি করছে, যাতে নির্বাচন ভণ্ডুল করা যায় এবং ক্ষমতা স্থায়ী করা যায়। যদিও এসব দাবির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এখনো প্রকাশিত হয়নি, তবুও এগুলো রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে তুলছে। এই সবকিছুর
ভেতর সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান হচ্ছে সুবিধাবাদীদের উত্থান। তারা কখনো কূটনৈতিক মহলের পাশে, কখনো প্রশাসন বা নিরাপত্তা কাঠামোর ভেতরে, আবার কখনো রাজনৈতিক দলগুলোর উপগ্রুপে সক্রিয় হয়ে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ তৈরিতে ব্যস্ত। ক্ষমতা যখন অনিশ্চিত, এই শ্রেণিই তখন সবচেয়ে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে কারণ তাদের লক্ষ্য মতাদর্শ নয়, ভবিষ্যৎ লাভ। বাংলাদেশ এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে নির্বাচন, কূটনীতি, প্রশাসন ও ক্ষমতার টানাপোড়েন মিলেই তৈরি করেছে বহুমাত্রিক জটিলতা। আর এই জটিলতার মাঝেই সুবিধাবাদীদের উত্থান ও সহিংসতার পুনরাবৃত্তি—রাজনীতিকে আরও অস্থিতিশীল করার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
মহলের দাবি। আওয়ামী লীগকে দুর্বল করার পর এখন বিএনপিকেও কোণঠাসা করে একক ক্ষমতা তৈরির কৌশল নেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগও রাজনীতিতে তোলা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান ফ্যাক্টর নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিছু রাজনৈতিক ব্যাখ্যায় বলা হচ্ছে পাকিস্তান কূটনৈতিকভাবে বর্তমান ক্ষমতা-সমীকরণে আগ্রহ দেখাচ্ছে এবং ড. ইউনুসকে কেন্দ্র করে কিছু প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে। সেনাবাহিনীর ভেতর পাকিস্তানপন্থী হিসেবে পরিচিত কয়েকজন অফিসার বিশেষত কিউএমজি ফয়জুর রহমান ও পিএসও কামরুল হাসানের নেতৃত্বে একটি অংশ ক্ষমতার ভাগাভাগিতে আগ্রহী এমন দাবিও ছড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। তবে এসবই এখনো অনানুষ্ঠানিক দাবি এবং যাচাইযোগ্য তথ্যের বাইরে। এদিকে আলোচনায় আছে কূটনৈতিক লবিংয়ের বিষয়টি। নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিল, আলী রিয়াজসহ একদল নীতি-পরামর্শক পশ্চিমা
কূটনীতিকদের কাছে বর্তমান ক্ষমতার বিন্যাসকে বৈধ ও প্রয়োজনীয় হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন এমন অভিযোগ রয়েছে। আবার বিরোধীদের ব্যাখ্যায় বলা হচ্ছে নির্বাচন ঘনিয়ে এলে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হতো, তা এড়াতেই বিএনপি ভাঙার চেষ্টা চলছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো দেশের ভেতরে সহিংসতার পুনরুত্থান। বিএনপি নেতাদের হত্যাকাণ্ড, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আগুন, নাশকতা এসবকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষই একে অন্যকে অভিযুক্ত করছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন মতও শোনা যাচ্ছে সরকারপক্ষ, জামাত-শিবির, এনসিপি ও এবি পার্টির জঙ্গি নেটওয়ার্ক মিলেই অরাজকতা তৈরি করছে, যাতে নির্বাচন ভণ্ডুল করা যায় এবং ক্ষমতা স্থায়ী করা যায়। যদিও এসব দাবির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এখনো প্রকাশিত হয়নি, তবুও এগুলো রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে তুলছে। এই সবকিছুর
ভেতর সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান হচ্ছে সুবিধাবাদীদের উত্থান। তারা কখনো কূটনৈতিক মহলের পাশে, কখনো প্রশাসন বা নিরাপত্তা কাঠামোর ভেতরে, আবার কখনো রাজনৈতিক দলগুলোর উপগ্রুপে সক্রিয় হয়ে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ তৈরিতে ব্যস্ত। ক্ষমতা যখন অনিশ্চিত, এই শ্রেণিই তখন সবচেয়ে প্রভাবশালী হয়ে ওঠে কারণ তাদের লক্ষ্য মতাদর্শ নয়, ভবিষ্যৎ লাভ। বাংলাদেশ এখন এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে নির্বাচন, কূটনীতি, প্রশাসন ও ক্ষমতার টানাপোড়েন মিলেই তৈরি করেছে বহুমাত্রিক জটিলতা। আর এই জটিলতার মাঝেই সুবিধাবাদীদের উত্থান ও সহিংসতার পুনরাবৃত্তি—রাজনীতিকে আরও অস্থিতিশীল করার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।



