ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আসিফ নজরুলের আমলে নীতিমালা উপেক্ষা: সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে শতকোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ
দশ দিনে ডুবল অর্থনীতি, নাকি মঞ্চ তৈরি হচ্ছে লুটের?
ইউনূসের সংস্কার : পোশাক বদলাও, সিন্ডিকেট বাঁচাও
যাওয়ার আগে যা করে গেছেন ইউনূস, তার হিসাব কে দেবে?
পুলিশ হত্যা তদন্ত শুরু হলে পালানোর পরিকল্পনায় হান্নান মাসুদ
লোডশেডিং-ই কি এখন বিএনপি সরকারের সরকারি নীতি?
জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস
“ইউনূসের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে”: দেশব্যাপী কর্মসূচির ডাক দিলেন শেখ হাসিনা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বর্তমান সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত দেশব্যাপী একটানা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ডাক দিয়েছেন। একটি অডিও বার্তায় তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করেন, "ইউনূসের পতন না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন অব্যাহত রাখার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।"
এই বার্তায় শেখ হাসিনা বর্তমান সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেন যে, দেশজুড়ে এক চরম দমন-পীড়ন চলছে। তিনি বলেন, "ফ্যাসিস্ট ইউনূসকে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে জঙ্গি, সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারীর হাত থেকে অস্ত্র উদ্ধার করে মানুষের জীবনের শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হবে।"
আওয়ামী লীগ সভাপতি তাঁর দলের নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন, গুম ও হত্যার অভিযোগ তুলে বলেন, "তৃণমূল থেকে আওয়ামী লীগের সকল
নেতাকর্মীদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেওয়া হয়েছে।" তিনি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে উল্লেখ করে বলেন, "গোটা বাংলাদেশটাই হয়ে গেছে একটা কারাগার, একটা জল্লাদখানা।" শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা ও পুলিশ বাহিনীর ওপর হস্তক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মনোবল ভেঙে দিতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। বার্তার শেষে তিনি সকল রাজবন্দীর মুক্তি, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার এবং জনগণের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে ‘আগামীকালের কর্মসূচি’ সফল করার মাধ্যমে এই আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
নেতাকর্মীদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দেওয়া হয়েছে।" তিনি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে উল্লেখ করে বলেন, "গোটা বাংলাদেশটাই হয়ে গেছে একটা কারাগার, একটা জল্লাদখানা।" শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা ও পুলিশ বাহিনীর ওপর হস্তক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মনোবল ভেঙে দিতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। বার্তার শেষে তিনি সকল রাজবন্দীর মুক্তি, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার এবং জনগণের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে ‘আগামীকালের কর্মসূচি’ সফল করার মাধ্যমে এই আন্দোলনকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।



