
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
ইউনূস সরকারের ব্যর্থতায় অচল ব্যাংকিং খাত: গ্রাহকদের ন্যূনতম টাকা দিতে পারছে না অন্তত ৬ ব্যাংক

ইউনূস সরকারের অদক্ষতা ও ভঙ্গুর নীতির কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত আজ ভয়াবহ সংকটে। গ্রাহকরা ব্যাংকে টাকা রেখেও নিজের অর্থ তুলতে পারছেন না—এমন পরিস্থিতি স্বাধীনতার পর আর কখনো দেখা যায়নি।
অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা বশির আহমেদ (ছদ্মনাম) এক্সিম ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখায় ২০২৩ সালে প্রায় ১৫ লাখ টাকা জমা রেখেছিলেন। সম্প্রতি ওমরা হজ পালনের উদ্দেশ্যে তিনি তিন লাখ টাকা তুলতে চাইলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা দেওয়া সম্ভব। ক্ষুব্ধ গ্রাহক খালি হাতে ব্যাংক থেকে ফিরে আসেন।
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকেও একই অবস্থা। কোনো এটিএম বুথে টাকা নেই, শাখায় সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি ব্যাংকের কর্মচারীরাও মাসের পর মাস বেতন পাচ্ছেন না।
বর্তমানে শুধু
এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক নয়, একই ধরনের সংকটে পড়েছে আরও চারটি বেসরকারি ব্যাংক। অর্থাৎ অন্তত ছয়টি ব্যাংকে গ্রাহকেরা নিজের টাকাই তুলতে পারছেন না। কোথাও এটিএম বুথ সম্পূর্ণ অচল, কোথাও শাখা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকার বেশি দেওয়া হচ্ছে না। এটিএম বুথ থেকে তোলা যাচ্ছে না কোন টাকা। কর্মচারীরাও নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না। ফলে একদিকে গ্রাহকরা দৈনন্দিন খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন, অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ভেঙে পড়ছে দ্রুত। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শেখ হাসিনার আমলে ব্যাংক খাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ থাকলেও সাধারণ গ্রাহকেরা নিয়মিত তাদের টাকা তুলতে পেরেছেন। দৈনন্দিন জীবনযাত্রা বা ব্যবসা-বাণিজ্যে এই ধরনের নগদ অর্থ সংকট
কখনো তৈরি হয়নি। কিন্তু ইউনূস সরকার ক্ষমতায় দখলের পর পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে নেমেছে যে, ব্যাংক কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়েছে। ইউনূস সরকার শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে তারা ব্যাংকিং ব্যবস্থা সংস্কার করবে এবং শেখ হাসিনার সরকারের দুর্নীতি উন্মোচন করবে। কিন্তু বাস্তবে তারা ব্যাংক খাত সচল করতে ব্যর্থ হয়েছে, পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণও দেখাতে পারেনি। ফলে ইউনূস সরকারের বক্তব্য এখন কেবল ফাঁকা বুলি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন এক কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন— “শেখ হাসিনার সময় ব্যাংকগুলোতে নানা অনিয়ম ছিল, তবে মানুষ অন্তত নিজের টাকা তুলতে পারত। এখনকার সরকার ব্যাংক খাতকে পুরোপুরি অচল করে ফেলেছে, অথচ কারও
দুর্নীতির প্রমাণও দেখাতে পারছে না।” ব্যাংকে টাকা রেখেও গ্রাহকরা তা তুলতে পারছেন না— এমন পরিস্থিতি মানুষের মধ্যে গভীর হতাশা ও আতঙ্ক তৈরি করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নগদ অর্থ না পেলে তারা পণ্য আমদানি করতে পারবেন না, ফলে বাজারে ঘাটতি তৈরি হবে। সাধারণ গ্রাহকরা বলছেন, চিকিৎসা, পড়াশোনা বা ধর্মীয় ব্যয় মেটানোই এখন অনিশ্চিত। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করছেন—যদি সরকার দ্রুত তারল্য সংকট সমাধান করতে না পারে, তবে ব্যাংকিং খাত ভেঙে পড়বে। এর প্রভাব পড়বে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও পুরো অর্থনীতিতে।
এক্সিম ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক নয়, একই ধরনের সংকটে পড়েছে আরও চারটি বেসরকারি ব্যাংক। অর্থাৎ অন্তত ছয়টি ব্যাংকে গ্রাহকেরা নিজের টাকাই তুলতে পারছেন না। কোথাও এটিএম বুথ সম্পূর্ণ অচল, কোথাও শাখা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকার বেশি দেওয়া হচ্ছে না। এটিএম বুথ থেকে তোলা যাচ্ছে না কোন টাকা। কর্মচারীরাও নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন না। ফলে একদিকে গ্রাহকরা দৈনন্দিন খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন, অন্যদিকে ব্যাংকিং খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ভেঙে পড়ছে দ্রুত। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শেখ হাসিনার আমলে ব্যাংক খাতে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ থাকলেও সাধারণ গ্রাহকেরা নিয়মিত তাদের টাকা তুলতে পেরেছেন। দৈনন্দিন জীবনযাত্রা বা ব্যবসা-বাণিজ্যে এই ধরনের নগদ অর্থ সংকট
কখনো তৈরি হয়নি। কিন্তু ইউনূস সরকার ক্ষমতায় দখলের পর পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে নেমেছে যে, ব্যাংক কার্যত অর্থহীন হয়ে পড়েছে। ইউনূস সরকার শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে তারা ব্যাংকিং ব্যবস্থা সংস্কার করবে এবং শেখ হাসিনার সরকারের দুর্নীতি উন্মোচন করবে। কিন্তু বাস্তবে তারা ব্যাংক খাত সচল করতে ব্যর্থ হয়েছে, পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণও দেখাতে পারেনি। ফলে ইউনূস সরকারের বক্তব্য এখন কেবল ফাঁকা বুলি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন এক কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন— “শেখ হাসিনার সময় ব্যাংকগুলোতে নানা অনিয়ম ছিল, তবে মানুষ অন্তত নিজের টাকা তুলতে পারত। এখনকার সরকার ব্যাংক খাতকে পুরোপুরি অচল করে ফেলেছে, অথচ কারও
দুর্নীতির প্রমাণও দেখাতে পারছে না।” ব্যাংকে টাকা রেখেও গ্রাহকরা তা তুলতে পারছেন না— এমন পরিস্থিতি মানুষের মধ্যে গভীর হতাশা ও আতঙ্ক তৈরি করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নগদ অর্থ না পেলে তারা পণ্য আমদানি করতে পারবেন না, ফলে বাজারে ঘাটতি তৈরি হবে। সাধারণ গ্রাহকরা বলছেন, চিকিৎসা, পড়াশোনা বা ধর্মীয় ব্যয় মেটানোই এখন অনিশ্চিত। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করছেন—যদি সরকার দ্রুত তারল্য সংকট সমাধান করতে না পারে, তবে ব্যাংকিং খাত ভেঙে পড়বে। এর প্রভাব পড়বে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও পুরো অর্থনীতিতে।