ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
*নির্বাচনী চাপে দায়িত্ব পালনের ফলে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে মৃত্যু: ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যু ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন
চবি ল্যাবরেটরি কলেজে উপেক্ষিত যোগ্যতা, প্রশ্নের মুখে নিয়োগ বোর্ড লবিংয়ের কাছে হার মানল যোগ্যতা চবি ল্যাবরেটরি কলেজে নিয়োগবঞ্চিত উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
রাজধানীতে আজ কোথায় কী
বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ
কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে
মগবাজারে হোটেল থেকে সন্তানসহ দম্পতির লাশ উদ্ধার
রাজধানীর মগবাজারে একটি আবাসিক হোটেল থেকে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার বিকালে লাশ তিনটি উদ্ধার করে পুলিশ।
মৃতরা হলেন– লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার মনির হোসেন, তার স্ত্রী স্বপ্না ও তাদের সন্তান নাইম হোসেন।
রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে- ওই দম্পতি তাদের সন্তানকে নিয়ে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থেকে শনিবার বিকালে ঢাকার মগবাজারের হোটেল সুইট স্লিপে ওঠেন। রোববার সকালে দম্পতির এক আত্মীয় তাদের হোটেলে উপস্থিত হন। তখন তিনি দেখতে পান স্বপ্না বমি করছেন। একপর্যায়ে স্বপ্না ও তার সন্তানকে পাশের আদ দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এরই মধ্যে মনির অসুস্থ হয়ে
পড়েন। পরে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হলে সেখানে তারও মৃত্যু হয়। পুলিশ আরও জানিয়েছে, তাদের মৃত্যুটা কীভাবে হয়েছে, বিষক্রিয়া না অন্য কোনো কারণে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। হোটেল সুইট স্লিপের সহকারী ম্যানেজার আব্দুল মানিক জানান, শনিবার বিকালে মনির হোসেন তার ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে হোটেলে আসেন। তারা সন্ধ্যায় আদ-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসকের কাছে যান। সেখান থেকে রাতেই হোটেলে আসেন। তাদের সঙ্গে তাদের এক কেয়ারটেকারও ছিলেন। কেয়ারটেকার তাদের দেখাশোনা করেছেন। তিনি বিভিন্ন হোটেল থেকে খাবার এনে দিতেন। সেই খাবারই তারা খেয়েছেন। তারা কখন অসুস্থ হয়েছেন, তা হোটেলের কেউ টের পাননি। কেয়ারটেকার প্রথমে একজনকে হাসপাতালে নিয়ে যান, এরপর ওই
পুরুষকেও নিয়ে যান। তখন হোটেলের সবাই বিষয়টি জানতে পারেন।
পড়েন। পরে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হলে সেখানে তারও মৃত্যু হয়। পুলিশ আরও জানিয়েছে, তাদের মৃত্যুটা কীভাবে হয়েছে, বিষক্রিয়া না অন্য কোনো কারণে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। হোটেল সুইট স্লিপের সহকারী ম্যানেজার আব্দুল মানিক জানান, শনিবার বিকালে মনির হোসেন তার ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে হোটেলে আসেন। তারা সন্ধ্যায় আদ-দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসকের কাছে যান। সেখান থেকে রাতেই হোটেলে আসেন। তাদের সঙ্গে তাদের এক কেয়ারটেকারও ছিলেন। কেয়ারটেকার তাদের দেখাশোনা করেছেন। তিনি বিভিন্ন হোটেল থেকে খাবার এনে দিতেন। সেই খাবারই তারা খেয়েছেন। তারা কখন অসুস্থ হয়েছেন, তা হোটেলের কেউ টের পাননি। কেয়ারটেকার প্রথমে একজনকে হাসপাতালে নিয়ে যান, এরপর ওই
পুরুষকেও নিয়ে যান। তখন হোটেলের সবাই বিষয়টি জানতে পারেন।



