ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
২ ঘণ্টা পর হাজারীবাগের তিন ট্যানারি কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে
রাজধানীর হাজারীবাগে শনিবার (২১ জুন) মধ্যরাতে রাতে তিনটি ট্যানারি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। রাত ১টার দিকে বাশার লেদার কারখানা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ইউসুফ লেদার ও ফেনী লেদার কারখানায়।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা আগুন নেভাতে তৎপর হন। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রাত পৌনে ২টার দিকে।
প্রথমে দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে, পরে আরও দুটি ইউনিট যুক্ত হয়। সরু রাস্তা ও পানির স্বল্পতার কারণে ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা। তবে সম্পূর্ণভাবে আগুন নির্বাপণ করতে ভোর ৬টা পর্যন্ত সময় লাগে।
হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র
স্টেশন অফিসার সুভাস বাড়ই জানান, মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ও হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের দুটি—মোট চারটি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফেনী লেদার ট্যানারির নিরাপত্তাকর্মী মো. আনিস মোল্লা জানান, ‘রাত ২টার দিকে ডিউটিতে ছিলাম। হঠাৎ দেখি বাশার লেদারের খেলনার কারখানায় আগুন লাগে, এরপর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের দুটি ট্যানারিতে। অসাবধানতার কারণে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করছি। কারখানাগুলোতে কেমিকেল ও প্লাস্টিক জাতীয় দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।’ প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি বলে আশঙ্কা করছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
স্টেশন অফিসার সুভাস বাড়ই জানান, মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের দুটি ও হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের দুটি—মোট চারটি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফেনী লেদার ট্যানারির নিরাপত্তাকর্মী মো. আনিস মোল্লা জানান, ‘রাত ২টার দিকে ডিউটিতে ছিলাম। হঠাৎ দেখি বাশার লেদারের খেলনার কারখানায় আগুন লাগে, এরপর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পাশের দুটি ট্যানারিতে। অসাবধানতার কারণে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করছি। কারখানাগুলোতে কেমিকেল ও প্লাস্টিক জাতীয় দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।’ প্রাথমিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি বলে আশঙ্কা করছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।



