ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার লেদা ও নোয়াপাড়া সীমান্তবর্তী আদমের জোড়া বেড়িবাঁধ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১ লাখ ১০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে বিজিবি।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধীনস্থ আদমের জোড়া ও নোয়াপাড়া বিএসপি সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকা দিয়ে মাদকদ্রব্যের একটি চালান মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রেক্ষিতে বিজিবির লেদা বিওপি ও নোয়াপাড়া বিশেষ ক্যাম্প হতে একাধিক টহলদল প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে তীব্র বাতাস ও ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে নাফ নদীর তীরে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।
গভীর রাতে দুজন ব্যক্তিকে চুপিসারে বেড়িবাঁধ অতিক্রমের চেষ্টা করতে দেখা গেলে বিজিবি সদস্যরা সন্দেহজনকভাবে তাদেরকে বিভিন্ন দিক থেকে
ধাওয়া করে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে একপর্যায়ে তারা নদীর তীরের জলমগ্ন কেওড়া জঙ্গলে ঢুকে যায়। পরবর্তীতে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সম্পূর্ণ এলাকা অবরুদ্ধ করে দীর্ঘ সময় তল্লাশি শেষে কেওড়া জঙ্গল, নদীর তীর এবং তৎসংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া কর্দমাক্ত অবস্থায় দুইটি বস্তার ভেতর থেকে ১,১০,০০০ (এক লাখ দশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা যায়, অপরাধীরা রাতের আঁধারে নদী সাঁতরে সীমান্তের ওপারে পালিয়ে গেছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো জমা করার জন্য প্রযোজ্য সকল প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। উল্লেখ্য, সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
সকল ধরনের অবৈধ কার্যক্রম নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির এই দৃঢ় অবস্থান ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে।
ধাওয়া করে। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে একপর্যায়ে তারা নদীর তীরের জলমগ্ন কেওড়া জঙ্গলে ঢুকে যায়। পরবর্তীতে টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সম্পূর্ণ এলাকা অবরুদ্ধ করে দীর্ঘ সময় তল্লাশি শেষে কেওড়া জঙ্গল, নদীর তীর এবং তৎসংলগ্ন বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়ে পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া কর্দমাক্ত অবস্থায় দুইটি বস্তার ভেতর থেকে ১,১০,০০০ (এক লাখ দশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা যায়, অপরাধীরা রাতের আঁধারে নদী সাঁতরে সীমান্তের ওপারে পালিয়ে গেছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো জমা করার জন্য প্রযোজ্য সকল প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। উল্লেখ্য, সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
সকল ধরনের অবৈধ কার্যক্রম নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতির বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। জাতীয় নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির এই দৃঢ় অবস্থান ভবিষ্যতেও অটুট থাকবে।



