ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
আধিপত্য নিয়ে আ.লীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ৬০
হবিগঞ্জের মাধবপুরে আওয়ামী লীগের দুই নেতার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী দুগ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মাধবপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৭ জুলাই) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে।
গুরুতর আহতদের মাধবপুর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ খাঁন এবং একই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার আওয়ামী লীগ নেতা বেনু মিয়ার মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র সংঘর্ষ চলে আসছে। এরই জেরে ঈদের দিন বিকেল ৪টার দিকে মাসুদ খান গ্রুপের হাজি মহিবউল্লাহ
বেজুড়া গ্রামের বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার সময় বেজুড়া বাসস্টেশন এলাকায় বেনু মিয়ার লোকজনের সংঘর্ষ হয়। পরে এ নিয়ে দু’পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে গুরুতর আহত বশির উল্লাহ (৩০), লাখাছ মিয়া (২৫), গাজী মিয়া (৩৫), ইমানউল্লাহ (৪০), রাফিউল্লাহ (২৪), মুখলেছ মিয়া (৩৫), মহিবউল্লাহ (৭০), শের আলী (৫০), হোসাইন মিয়া (৩২), বাছির মিয়া (৩০), তাউস মিয়া (৬০), ওমর ফারুক (২৫), আব্দুর রহমান (৩৫), আকাশ মিয়া (২৪), মেহেদী হাসান (২২), মোবারক মিয়া (৫০) ও হারিছ মিয়াকে (৪৫) মাধবপুর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মাধবপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
পরে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেজুড়া গ্রামের বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার সময় বেজুড়া বাসস্টেশন এলাকায় বেনু মিয়ার লোকজনের সংঘর্ষ হয়। পরে এ নিয়ে দু’পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষে গুরুতর আহত বশির উল্লাহ (৩০), লাখাছ মিয়া (২৫), গাজী মিয়া (৩৫), ইমানউল্লাহ (৪০), রাফিউল্লাহ (২৪), মুখলেছ মিয়া (৩৫), মহিবউল্লাহ (৭০), শের আলী (৫০), হোসাইন মিয়া (৩২), বাছির মিয়া (৩০), তাউস মিয়া (৬০), ওমর ফারুক (২৫), আব্দুর রহমান (৩৫), আকাশ মিয়া (২৪), মেহেদী হাসান (২২), মোবারক মিয়া (৫০) ও হারিছ মিয়াকে (৪৫) মাধবপুর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মাধবপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
পরে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



