ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার যুবক, ভিডিও ভাইরাল
‘পশ্চিম বাংলাদেশ’ হওয়া থেকে বেঁচে গেছে পশ্চিমবঙ্গ: অগ্নিমিত্রা
হরমুজ ‘চিরতরে’ বন্ধ ও বাহরাইনকে চরম পরিণতির হুঁশিয়ারি দিল ইরান
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের
মুন্সীগঞ্জে হত্যাকাণ্ড: নিউইয়র্কে ভাতিজার ১৫ বছরের কারাদণ্ড
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ‘যথাসময়ে’ জবাব দেবে ইরান
নিজস্ব প্রযুক্তিতে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ রাডার উন্মোচন করল ইরান
পশ্চিমা নানা নিষেধাজ্ঞার মুখেও দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আবাদান বিমানবন্দরে নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ রাডার সিস্টেম ‘এমএসএসআর-মোড এস’ স্থাপন করেছে ইরান।
প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে রাডারটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। রোববার (২৫ মে) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে মেহর নিউজ।
ইরানের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই উন্নত রাডার সিস্টেমটি আঞ্চলিক বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করবে।
ইরান এয়ারপোর্টস অ্যান্ড এয়ার ন্যাভিগেশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আমিরানি প্রেস টিভিকে জানান, সম্পূর্ণভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত এই মনোপালস সেকেন্ডারি সার্ভেইলেন্স রাডার (এমএসএসআর) সিস্টেমটির নকশা ও উৎপাদনে ইসফাহান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
তিনি বলেন, এই রাডার সিস্টেমটি দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ৪৫০
কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে নজরদারি করতে পারবে। এই প্রকল্পে সরকার প্রায় ৬.৯ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৭.৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ব্যয় করেছে, যা আমদানি খরচের তুলনায় এক মিলিয়ন ইউরো সাশ্রয় করেছে বলে জানান আমিরানি। তিনি বলেন, এই রাডার স্থাপন ইরানের বিমান চলাচল খাতে আত্মনির্ভরতা ও অগ্রগতির পথে একটি বড় মাইলফলক। রাডার স্থাপনটি ইরানের বিমান পরিবহন খাতে দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি অংশ, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে বিদেশি প্রযুক্তি ও বিনিয়োগে সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে দেশটি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানি কোম্পানিগুলো নিষেধাজ্ঞার কারণে গ্রাউন্ড হওয়া এক ডজনের বেশি বিমান মেরামত করতে সক্ষম হয়েছে এবং তারা বিদেশি এয়ারলাইনের জন্য ওভারহল ও
ইন্সপেকশন সেবা দিচ্ছে। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ইরানি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, বোয়িং ও এয়ারবাস বিমানের ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ উৎপাদনের প্রযুক্তি তারা আয়ত্ত করেছে।
কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে নজরদারি করতে পারবে। এই প্রকল্পে সরকার প্রায় ৬.৯ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৭.৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ব্যয় করেছে, যা আমদানি খরচের তুলনায় এক মিলিয়ন ইউরো সাশ্রয় করেছে বলে জানান আমিরানি। তিনি বলেন, এই রাডার স্থাপন ইরানের বিমান চলাচল খাতে আত্মনির্ভরতা ও অগ্রগতির পথে একটি বড় মাইলফলক। রাডার স্থাপনটি ইরানের বিমান পরিবহন খাতে দেশীয় সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি অংশ, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে বিদেশি প্রযুক্তি ও বিনিয়োগে সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে দেশটি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানি কোম্পানিগুলো নিষেধাজ্ঞার কারণে গ্রাউন্ড হওয়া এক ডজনের বেশি বিমান মেরামত করতে সক্ষম হয়েছে এবং তারা বিদেশি এয়ারলাইনের জন্য ওভারহল ও
ইন্সপেকশন সেবা দিচ্ছে। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ইরানি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, বোয়িং ও এয়ারবাস বিমানের ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ উৎপাদনের প্রযুক্তি তারা আয়ত্ত করেছে।



