জম্মু-কাশ্মীরে স্বস্তির নিঃশ্বাস – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ মে, ২০২৫
     ১১:১৩ অপরাহ্ণ

জম্মু-কাশ্মীরে স্বস্তির নিঃশ্বাস

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ মে, ২০২৫ | ১১:১৩ 77 ভিউ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির পর জম্মু-কাশ্মীরে ফিরেছে শান্তি। অবশেষে আতঙ্ক ভুলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার শ্রীনগরের বাসিন্দা ফিরদৌস আহমেদ শেখ বলেন, ‘আমার একমাত্র ভয় ছিল ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আবারও খারাপ হতে পারে। আমি প্রার্থনা করি আমাদের সন্তানদের যেন এমন সময় আর দেখতে না হয়। সৃষ্টিকর্তা এখন আমাদের প্রতি সদয় হয়েছেন।’ আল-জাজিরা। পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলাকে কেন্দ্র করে সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ভারত-পাকিস্তান। ২২ এপ্রিল সেই ঘটনার পর ২৪ এপ্রিল থেকে সীমান্তবর্তী এলাকায় গোলাগুলি শুরু হয়। ৭ মে অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত। এরপর থেকে দুইদেশের মধ্যে সবাত্মক যুদ্ধ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধবিরতির পর শ্রীনগরের বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী রুমাইসা জান বলেন,

‘কী ঘটছে তা নিয়ে আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ছিলাম। এত প্রাণহানির পর এটিই সবচেয়ে বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত। আমরা শান্তি চাই এবং এই সমস্ত শত্রুতার অবসান চাই।’ এদিকে এই প্রতিবেদন লিখার ঘণ্টা কয়েক আগেও দীর্ঘ মেয়াদে যুদ্ধের আশঙ্কায় সীমান্তবর্তী স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে খাবার মজুদের হিড়িক। অনেকেই নিত্যপণ্য বেশি করে কিনে বাড়িতে মজুত করেছেন। শনিবার জম্মু-কাশ্মীরের স্থানীয়রা বিশেষ ট্রেনে এলাকা ছাড়তে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। শুক্রবার লাহোরে স্কুল-কলেজ বন্ধ ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা ও দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মানুষ খাবার, রান্নার জন্য গ্যাসের সিলিন্ডার আর ওষুধ সংগ্রহ করছেন। এ পরিস্থিতিতে কালোবাজারি ও কৃত্রিমভাবে দাম না বাড়াতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। লাহোরের ৩৪

বছর বয়সী বাসিন্দা আরুশা রামিজ বলেন, ‘আমি আমার পরিবারের জন্য এক মাসের মুদিপণ্য সংগ্রহ করে রেখেছি। মাংস, আটা, চা, তেল, ডাল কিনেছি। ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত অর্থও তুলে রেখেছি।’ লাহোরে একটি ফার্মেসি চালান মোহাম্মদ আসিফ। ৩৫ বছর বয়সী আসিফ বলেন, ‘অনিশ্চিত পরিস্থিতির কারণে এখন গ্রাহক বেড়ে গেছে। অনেকেই প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনে রাখছেন। এ কারণে প্যারাসিটামল, অ্যান্টি-অ্যালার্জি, অ্যান্টিবায়োটিক, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের ওষুধের ঘাটতি দেখা দিতে পারে।’ অনেকটা একই রকমের পরিস্থিতি ভারতে। পাঞ্জাবের অমৃতসরের বাসিন্দা পঙ্কজ শেঠ বলেন, ‘কাল বাজার খোলা থাকবে কি না, আমরা জানি না...আমার বাড়িতে সন্তান ও নাতি-নাতনিরা আছে। তাই আমাকে কিনে রাখতে হবে।’ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সীমান্ত-সংলগ্ন

এলাকার অনেকেই আত্মীয়স্বজনের জিনিসপত্র নিয়ে যেতে অনুরোধ করছেন। অমৃতসরে নার্স হিসাবে কর্মরত নভনীত কউর বলেন, ‘আমার খালা থাকেন আটারি এলাকায়। তিনি আমাকে তার জন্য আটা নিয়ে যেতে বলেছেন। কারণ, সেখানে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে।’ শুধুমাত্র খাবার নয়, নিরাপত্তার ভয়ে অনেকেই রাত কাটাচ্ছে বাংকারে। ৪৩ বছর বয়সী মঞ্জুর আহমেদ থাকেন পাকিস্তানের নীলম উপত্যকার জুরা বান্দি গ্রামে। তিনি বলেন, ‘আশপাশের পাথুরে পাহাড়ে আমরা বাংকার খুঁড়েছি। মুজাফফরাবাদে ভারতের হামলার পর থেকে আমরা এসব বাংকারে থাকছি।’ স্থানীয় পুলিশও নিশ্চিত করেছে, এখানকার বেশিরভাগ মানুষ রাতে বাংকারে আশ্রয় নেন। ভারতের পাঞ্জাবের বাসিন্দা অমনপ্রীত ধীল্লন (২৬)। অমনপ্রীত জানান, সীমান্ত থেকে মাত্র ১৩ কিলোমিটার দূরে তাদের গ্রাম। সেখানকার অনেকেই

নারী ও শিশুদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও এটা ভাবছি...আমাদের গ্রামেও হামলা হতে পারে।’ ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের উরি জেলার কয়েকজন বলেন, সেখানকার কয়েকটি বাড়িতে গোলা পড়েছে। তাই ভয়ে অনেক পারিবার রাতের বেলা বড় পাথরের আড়ালে কিংবা বাংকারে আশ্রয় নিচ্ছেন। উরির বারামুল্লা শহরের বাসিন্দা বশির আহমদের বয়স ৪৫ বছর ছুঁয়েছে। তিনি বলেন, ‘জীবনে কখনো এত তীব্র গোলাবর্ষণ দেখিনি। গত রাতে গোলাবর্ষণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষ শহর ও আশপাশের গ্রামগুলো ছেড়ে চলে গেছেন। কিছু মানুষ বাংকারে আশ্রয় নিয়েছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য এক দুঃস্বপ্ন।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
“যে ব্যালটে নৌকা প্রতীক নাই, যেখানে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে পারবে না, সেখানে আমাদের ভোটাররা কেউ ভোট দিবে না” -দেশরত্ন শেখ হাসিনা সংকীর্তনে হামলা- ইউনুস–জামাতের নীরব আশ্রয়ে উগ্রবাদ এখন মকরসংক্রান্তির উৎসবকেও রেহাই দিচ্ছে না। ভোট নয়, এটা ফাঁদ – বাংলাদেশকে রক্ষা করতে এই পাতানো নির্বাচনে অংশ নেবেনা বাংলাদেশ বৈধতাহীন সরকারের কূটনৈতিক অক্ষমতার দাম চুকাচ্ছে সীমান্তের পঙ্গু মানুষেরা ভ্যাকু দিয়ে ২০০ বছরের মন্দির ভাঙা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা পরিকল্পিত বার্তা—এই দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয় আওয়ামী লীগের সমর্থকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ফেব্রুয়ারির এই একতরফা নির্বাচন বর্জন করতে হবে রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নির্বাচন? সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় দেশে প্রতিদিন গড়ে ১১ খুন অসংবিধানিক গণভোটে সংবিধান বাতিলের আশঙ্কা, রাষ্ট্রব্যবস্থা হুমকিতে বিদ্যুৎ খাতের হিসাবনিকাশ, ভর্তুকির পাহাড়, উন্নয়নের সাফল্য থেকে লোকসানের গভীর সংকটে সেনাবাহিনীতে বড় রদবদল, CGS ও PSO পদে পরিবর্তন মোবাইল ফোনের দাম কমবে ৫ হাজার টাকার বেশি! ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বাসচাপায় নিহত ৬ ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ চূড়ান্ত’ বাংলাদেশের প্রস্তাব না মানলে পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলবে কি না ভাববে ১৫ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করল ডিএনসিসি বিয়ে করলে ১৬ লাখ, সন্তান হলে ৩২ লাখ টাকা করাচিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ গ্রিনল্যান্ড দখলে ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি অগ্রহণযোগ্য: ইউরোপীয় নেতারা শীতার্ত মানুষের জন্য আগামীকাল গাইবে চার ব্যান্ড দুই সিনেমায় তমা মির্জা