ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্পের শুল্ক এড়াতে যে কৌশল নিচ্ছে ইইউ
যুক্তরাষ্ট্র মনে করে আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে তার শক্তিই বড়: জাতিসংঘ মহাসচিব
দুই দেশের সমীকরণ কোন পথে
বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র
সিরিয়া সরকার ও এসডিএফের যুদ্ধবিরতি চুক্তি
ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১৮, বাস্তুচ্যুত ২০ হাজার মানুষ
বিয়ে করলে ১৬ লাখ, সন্তান হলে ৩২ লাখ টাকা
ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে ফ্রান্স
আগামী জুন মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কনফারেন্সে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন দেশ হিসেবে ঘোষণা করতে পারে ফ্রান্স। এমনটা জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো।
বুধবার (৯ এপ্রিল) ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফ্রান্স-৫ টেলিভিশনে এক বক্তব্যে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।
ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই (ফিলিস্তিনকে) স্বীকৃতির দিকে যেতে হবে এবং এটি আমরা কয়েক মাসের মধ্যেই করব। আমাদের লক্ষ্য হলো- জুনে সৌদি আরবের সঙ্গে জাতিসংঘের কনফারেন্সে নেতৃত্ব দেওয়া। যেখানে আমরা একাধিক দেশের নেতাদের সঙ্গে বসে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করতে পারব।’
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি কাউকে খুশি করার জন্য এটি করছি না। আমি এটি করব, কারণ আমি মনে করি এক সময় এটি সঠিক হবে এবং আমি একটি
যৌথ গতিশীলতাতে যুক্ত হতে চাই, যেটিতে যারা ফিলিস্তিনকে সমর্থন করেন, তারা এর বদলে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেবেন। যেটি তাদের অনেকেই করেন না।’ এদিকে ফ্রান্সের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেb ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভার্সেন আঘাবেকিয়ান শাহিন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনকে ফ্রান্সের স্বীকৃতি ‘ফিলিস্তিনের অধিকার রক্ষা এবং দ্বিরাষ্ট্রনীতির দিকে একটি সঠিক পদক্ষেপ হবে।’ ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও ফিলিস্তিন আলাদা দুটি রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে মতামত দিয়ে আসছে। তবে তারা বিষয়টিতে এতদিন আনুষ্ঠানিকভাবেই সমর্থন জানিয়ে আসছিল। শেষ পর্যন্ত ফ্রান্স যদি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে এটি তাদের পররাষ্ট্রনীতির বড় পরিবর্তন হবে। এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলে ক্ষুব্ধ হতে পারে ইসরাইল। কারণ তারা দাবি করছে, এখনই ফিলিস্তিনকে স্বাধীন
রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত হবে অপরিপক্ব।
যৌথ গতিশীলতাতে যুক্ত হতে চাই, যেটিতে যারা ফিলিস্তিনকে সমর্থন করেন, তারা এর বদলে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেবেন। যেটি তাদের অনেকেই করেন না।’ এদিকে ফ্রান্সের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেb ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভার্সেন আঘাবেকিয়ান শাহিন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনকে ফ্রান্সের স্বীকৃতি ‘ফিলিস্তিনের অধিকার রক্ষা এবং দ্বিরাষ্ট্রনীতির দিকে একটি সঠিক পদক্ষেপ হবে।’ ফ্রান্স দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইল ও ফিলিস্তিন আলাদা দুটি রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে মতামত দিয়ে আসছে। তবে তারা বিষয়টিতে এতদিন আনুষ্ঠানিকভাবেই সমর্থন জানিয়ে আসছিল। শেষ পর্যন্ত ফ্রান্স যদি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে এটি তাদের পররাষ্ট্রনীতির বড় পরিবর্তন হবে। এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্স ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিলে ক্ষুব্ধ হতে পারে ইসরাইল। কারণ তারা দাবি করছে, এখনই ফিলিস্তিনকে স্বাধীন
রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত হবে অপরিপক্ব।



