ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামায়াত কানেকশন ও দিল্লি সফর: সারাহ কুককে ফিরিয়ে দিল সাউথ ব্লক
‘নাজুক নিরাপত্তা’: ভারতের কড়া সিদ্ধান্ত—পশ্চিমারা কোন পথে হাঁটতে যাচ্ছে?
শতাংশের অদ্ভুত সমীকরণ: তারেক রহমানের ‘ফ্লাইওভার তত্ত্বে’ হাসছে সাধারণ মানুষ
অভিযোগের পাহাড়, নীরব প্রশাসন স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহি কোথায়
জুলাইয়ের পর রান্নাঘরেও বিপ্লব, গ্যাস সংকটের আড়ালে সিন্ডিকেটের স্বর্গরাজ্য : আমদানি কমলো দেড় লাখ টন, চুলা নিভলো কোটি ঘরে
ডেভিল হান্টের নামে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক মব সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে
কাঁপছে ঢাকার মসনদ, কী বার্তা আসছে দিল্লি থেকে? দিল্লির প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মিডিয়ার মুখোমুখি শেখ হাসিনা
জাতীয় নাকি স্থানীয় নির্বাচন আগে? কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার?
বিএনপির ঘোর আপত্তির মধ্যেও জাতীয় নির্বাচনের আগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পথে এগোচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। ছাত্র আন্দোলনের নেতারা গণঅভ্যুত্থানের দাবি জানালেও সরকারপন্থী দলগুলোর সমর্থনে জামায়াতে ইসলামীও স্থানীয় নির্বাচনের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছে। তবে বিএনপির একমাত্র লক্ষ্য দ্রুত জাতীয় নির্বাচন আয়োজন, অন্যথায় দেশ আরও অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে বলে তাদের আশঙ্কা।
রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে এখন এই প্রশ্ন-জাতীয় নাকি স্থানীয় নির্বাচন আগে হবে? দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি চায় আগে জাতীয় নির্বাচন। অন্যদিকে, সরকারপন্থী দলগুলো ও জামায়াতে ইসলামী মনে করে, জনগণ চায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হোক। বিএনপির মতে, স্থানীয় নির্বাচন আগে হলে তা দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করবে এবং জাতীয় নির্বাচন আরও বিলম্বিত হতে
পারে। গত মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদও আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। একই দিনে নির্বাচন কমিশনের এক সদস্য জানান, তারা ডিসেম্বরের সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে কোন নির্বাচনের আয়োজন আগে হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নতুন বিভক্তি দেশের জন্য ভালো হবে না। তারা মনে করেন, আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যমতে পৌঁছে নির্বাচন আয়োজন করাই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত। এখন দেখার বিষয়, সরকার, রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়-আগে স্থানীয় নাকি জাতীয় নির্বাচন?
পারে। গত মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদও আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। একই দিনে নির্বাচন কমিশনের এক সদস্য জানান, তারা ডিসেম্বরের সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে কোন নির্বাচনের আয়োজন আগে হবে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নতুন বিভক্তি দেশের জন্য ভালো হবে না। তারা মনে করেন, আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যমতে পৌঁছে নির্বাচন আয়োজন করাই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত। এখন দেখার বিষয়, সরকার, রাজনৈতিক দল ও নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয়-আগে স্থানীয় নাকি জাতীয় নির্বাচন?



