ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাকার অশান্ত রাজপথ : যে অরাজকতার মূল কারণ বসে আছে যমুনায়
লাশের পাহাড় আর কতো উঁচু হলে ইউনুসের চোখে পড়বে?
গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট?
দখলদার ইউনুসের মেটিক্যুলাস ডিজাইনের নির্বাচনের আসল উদ্দেশ্যটা হচ্ছে দেশকে জঙ্গিদের হাতে তুলে দিয়ে দেশকে পুরোপুরি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা।
ম্যাজিশিয়ান ইউনুস! যা ধরে, তাই ভ্যানিস হয়ে যায়! এবার ভোটের পালা!
নির্বাচন বর্জনই নাগরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে সাবধান!
আলোচিত সেই হেনরী গ্রেফতার
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জান্নাত আরা হেনরীকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে হেনরীকে গ্রেফতারের আদেশ দেন।
গত ১ জানুয়ারি দুর্নীতির মামলায় হেনরীকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে দুদক। আদালত আসামির উপস্থিতিতে এ বিষয়ে শুনানির জন্য ৬ জানুয়ারি তারিখ ধার্য করেন। তবে ওইদিন হেনরীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়নি। এ কারণে শুনানির জন্য ১৩ জানুয়ারি দিন ঠিক করেন আদালত।
স্কুলশিক্ষক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হেনরী
আজ হেনরীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর
শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামিকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন। আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আসিফ আল মাহমুদ বলেন, হেনরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধমূলক অসদাচারণের মাধ্যমে ৫৭ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ২২৩ টাকা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া ৩৫টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২ হাজার ২ কোটি ৬৬ লাখ ৬৬ হাজার ৫৭৭ টাকার এবং ১৩ কোটি ৭৮ লাখ ৪৬ মার্কিন ডলারের সন্দেহজনক লেনদেন করে মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ করেছে। দুর্নীতি ও ঘুস সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তির অবৈধ উৎস আড়ালের উদ্দেশ্যে ওই সব সম্পত্তি রূপান্তর বা স্থানান্তর করা হয়েছে। এর আগে রোববার একই আদালত হেনরীর নামে
থাকা ৫৬ কোটি ৬৫ লাখ ১৯ হাজার ৯২ টাকার সম্পত্তি জব্দের আদেশ দেন। এর মধ্যে ১৯ দশমিক ৮২ একর জমি, তিনটি বাড়ি, দুটি ফ্ল্যাট, ১৯টি ব্যাংক একাউন্ট ও ১৬টি গাড়ি আছে।
শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামিকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন। আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আসিফ আল মাহমুদ বলেন, হেনরীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপরাধমূলক অসদাচারণের মাধ্যমে ৫৭ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ২২৩ টাকা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া ৩৫টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২ হাজার ২ কোটি ৬৬ লাখ ৬৬ হাজার ৫৭৭ টাকার এবং ১৩ কোটি ৭৮ লাখ ৪৬ মার্কিন ডলারের সন্দেহজনক লেনদেন করে মানিলন্ডারিংয়ের সম্পৃক্ত অপরাধ করেছে। দুর্নীতি ও ঘুস সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পত্তির অবৈধ উৎস আড়ালের উদ্দেশ্যে ওই সব সম্পত্তি রূপান্তর বা স্থানান্তর করা হয়েছে। এর আগে রোববার একই আদালত হেনরীর নামে
থাকা ৫৬ কোটি ৬৫ লাখ ১৯ হাজার ৯২ টাকার সম্পত্তি জব্দের আদেশ দেন। এর মধ্যে ১৯ দশমিক ৮২ একর জমি, তিনটি বাড়ি, দুটি ফ্ল্যাট, ১৯টি ব্যাংক একাউন্ট ও ১৬টি গাড়ি আছে।



