ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ কেন ফুটবল দলের কোচের মতো
যুক্তরাজ্যে তাপপ্রবাহের ‘লাল সতর্কতা’, ৩৯ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে তাপমাত্রা
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার
পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
তৃণমূলের বিদায়ের পর প্রথম বাজেট বিজেপির
সৌদি আরব, আমিরাতে আটক ৯০% ভিক্ষুক, পকেটমার, চোরই পাকিস্তানি নাগরিক
সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক শুরু
আমরা জন্মভূমি মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই
ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা রোহিঙ্গাদের দায়িত্ব। তবে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে থাকতে আসেনি। বাংলাদেশ সরকার আমাদের জমি, ঘর ও খাবারের ব্যবস্থা করেছে। আমরা তাদের প্রতি আজীবন ঋণী। বিশ্ববাসীর উচিত আমাদের দ্রুত ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজ দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা।
বুধবার দুপুরে উখিয়ার কুতুপালং ১ নম্বর ইস্ট ক্যাম্পে রোহিঙ্গা যুব সংগঠন ‘ইসলামী মাহাসা’র উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে রোহিঙ্গা নেতারা এসব কথা বলেন। সমাবেশে লক্ষাধিক বিভিন্ন বয়সী রোহিঙ্গা উপস্থিত হন। তারা মিয়ানমারে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা জোরদার করার দাবি জানিয়ে দ্রুত নিজ দেশে ফেরার স্লোগান দেন।
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে শরণার্থী জীবনকে খাঁচার পাখির বন্দি জীবনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাদের দাবি, মিয়ানমারের নাগরিক
অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নিজ দেশে ফিরে যাওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। রোহিঙ্গা নেতা ডা. মোহাম্মদ জোবায়ের বলেন, ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা রোহিঙ্গাদের দায়িত্ব। তবে আমরা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে থাকতে আসিনি। বাংলাদেশ সরকার আমাদের জমি, ঘর ও খাবারের ব্যবস্থা করেছে। আমরা তাদের প্রতি আজীবন ঋণী। জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ সরকার সহযোগিতা করলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, রাখাইনে আরাকান আর্মিও রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। আরেক রোহিঙ্গা নেতা রাহমত করিম বলেন, ক্যাম্পের এমন জরাজীর্ণ বন্দি জীবন মানবিক নয়। বিশ্ববাসীর উচিত আমাদের দ্রুত ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজ দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা
করা। ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি সিরাজ আমিন জানান, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই রোহিঙ্গাদের গণসমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ক্যাম্পগুলোয় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও অপরাধ প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে এ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। তারা সোমবার এ সমাবেশের অনুমতি নিয়েছিলেন।
অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নিজ দেশে ফিরে যাওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। রোহিঙ্গা নেতা ডা. মোহাম্মদ জোবায়ের বলেন, ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা রোহিঙ্গাদের দায়িত্ব। তবে আমরা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে থাকতে আসিনি। বাংলাদেশ সরকার আমাদের জমি, ঘর ও খাবারের ব্যবস্থা করেছে। আমরা তাদের প্রতি আজীবন ঋণী। জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ সরকার সহযোগিতা করলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, রাখাইনে আরাকান আর্মিও রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। আরেক রোহিঙ্গা নেতা রাহমত করিম বলেন, ক্যাম্পের এমন জরাজীর্ণ বন্দি জীবন মানবিক নয়। বিশ্ববাসীর উচিত আমাদের দ্রুত ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজ দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা
করা। ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি সিরাজ আমিন জানান, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই রোহিঙ্গাদের গণসমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ক্যাম্পগুলোয় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও অপরাধ প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যে এ সমাবেশ আয়োজন করা হয়। তারা সোমবার এ সমাবেশের অনুমতি নিয়েছিলেন।



