ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামিলার লাশ আর বিএনপি সরকারের নীরবতা, দুটোই নিশ্চুপ-নিথর হয়ে পড়ে আছে
উমামার মাইক, পাটোয়ারীর স্বপ্ন, আর একটা দেশ যেটা আবারো বিক্রি হতে বসেছে
জিরো টলারেন্সের সরকার, জিরো জবাবদিহির দেড় বছর
সহিংসতার শিকার সংখ্যার লড়াই নয়, প্রমাণভিত্তিক সত্যই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী
জামিলার লাশ আর বিএনপি সরকারের নীরবতা, দুটোই নিশ্চুপ-নিথর হয়ে পড়ে আছে
উত্তাল মার্চ, ১৯৭১ ৪ মার্চ
ঢালাও অভিযোগ, দুর্বল ভিত্তি : কার স্বার্থে এই মামলা?
২৬ জানুয়ারির আগে হাই অ্যালার্ট: দিল্লি সহ বড় শহরগুলিতে সন্ত্রাসী নাশকতার আশঙ্কা, গোয়েন্দাদের কড়া সতর্কতা
ভারতের ২৬ জানুয়ারির প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে রাজধানী দিল্লি ও দেশের একাধিক বড় শহরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। গোয়েন্দা রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠন এবং বাংলাদেশ-ভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মিলিতভাবে রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিকে নিশানা করার চেষ্টা করতে পারে।
গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, বিদেশে বসে থাকা উগ্রপন্থী হ্যান্ডলাররা বর্তমানে পাঞ্জাবভিত্তিক অপরাধচক্র ও গ্যাংস্টার নেটওয়ার্ককে ব্যবহার করছে। এই অপরাধীদের ‘ফুট সোলজার’ হিসেবে কাজে লাগিয়ে অস্ত্র, অর্থ ও লজিস্টিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র, বিস্ফোরক ও ড্রোন ব্যবহারের ঘটনা এই আশঙ্কাকে আরও জোরালো করেছে বলে গোয়েন্দাদের মত।
সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, দিল্লির পাশাপাশি মুম্বই, কলকাতা,
চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, অমৃতসর ও চণ্ডীগড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিকেও নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে জনসমাগমস্থল, রেলস্টেশন, বিমানবন্দর, মেট্রো স্টেশন, বাস টার্মিনাল এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ সংলগ্ন এলাকাগুলিকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা হয়েছে। শহরজুড়ে বাড়ানো হয়েছে নাকা চেকিং, তল্লাশি অভিযান এবং পেট্রোলিং। ড্রোন নজরদারি, সিসিটিভি ক্যামেরার রিয়েল-টাইম মনিটরিং এবং বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডের প্রস্তুতিও বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক গতিবিধির উপর নজর রাখতে সাইবার নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থার এক আধিকারিক জানান, “আমরা একাধিক সম্ভাব্য হুমকি নিয়ে কাজ করছি। প্রতিটি ইনপুট যাচাই করা হচ্ছে এবং
মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যগুলিকেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের আশ্বাস দিয়েছে। সাধারণ নাগরিকদের উদ্দেশে আবেদন জানানো হয়েছে, কোনও সন্দেহজনক বস্তু বা ব্যক্তির বিষয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানাতে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির বক্তব্য, পরিস্থিতির উপর ২৪ ঘণ্টা কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং যে কোনও ধরনের হুমকি মোকাবিলায় তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রজাতন্ত্র দিবসকে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে সব স্তরেই সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে।
চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, অমৃতসর ও চণ্ডীগড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিকেও নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে জনসমাগমস্থল, রেলস্টেশন, বিমানবন্দর, মেট্রো স্টেশন, বাস টার্মিনাল এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ সংলগ্ন এলাকাগুলিকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লি পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা হয়েছে। শহরজুড়ে বাড়ানো হয়েছে নাকা চেকিং, তল্লাশি অভিযান এবং পেট্রোলিং। ড্রোন নজরদারি, সিসিটিভি ক্যামেরার রিয়েল-টাইম মনিটরিং এবং বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডের প্রস্তুতিও বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক গতিবিধির উপর নজর রাখতে সাইবার নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নিরাপত্তা সংস্থার এক আধিকারিক জানান, “আমরা একাধিক সম্ভাব্য হুমকি নিয়ে কাজ করছি। প্রতিটি ইনপুট যাচাই করা হচ্ছে এবং
মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যগুলিকেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের আশ্বাস দিয়েছে। সাধারণ নাগরিকদের উদ্দেশে আবেদন জানানো হয়েছে, কোনও সন্দেহজনক বস্তু বা ব্যক্তির বিষয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানাতে। নিরাপত্তা সংস্থাগুলির বক্তব্য, পরিস্থিতির উপর ২৪ ঘণ্টা কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং যে কোনও ধরনের হুমকি মোকাবিলায় তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রজাতন্ত্র দিবসকে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে সব স্তরেই সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে।



