ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গত ১৮ মাসের ভারত-বিদ্বেষ ও তিক্ততা পেছনে ফেলে নতুন করে সম্পর্ক নবায়নের পথে বাংলাদেশ
ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা: ছোট দেশ হলেও নিপীড়িত মানুষ ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থাকবে বাংলাদেশ
দাম বাড়ল ওয়াসার পানির, কার্যকর আজ থেকে
‘গাইনি’ সমস্যায় জরুরি অস্ত্রোপচার এনসিপি নেত্রী মিতুর, বেড়েছে জটিলতা-সংক্রমণ
জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস
১৫ শতাংশ রাজস্বের বিনিময়ে চীনে চিপ রপ্তানির অনুমতি পেল এনভিডিয়া ও এএমডি
মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট এনভিডিয়া ও এএমডি চীনে চিপ রপ্তানির বিশেষ অনুমতি পেয়েছে, তবে শর্ত হলো—চীনে বিক্রি থেকে অর্জিত আয়ের ১৫% যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দিতে হবে। এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের চিপ রপ্তানি নীতি ও চীন-মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিযোগিতার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। খবর: বিবিসি।
এর আগে জাতীয় নিরাপত্তাজনিত কারণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত শক্তিশালী চিপ চীনে বিক্রি নিষিদ্ধ করেছিল মার্কিন সরকার। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছেন, এনভিডিয়ার তৈরি এইচ২০ চিপ চীনের সামরিক ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সক্ষমতা অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে।
এনভিডিয়া জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নিয়ম মেনেই বিশ্ববাজারে কাজ করে। সংস্থাটি বলেছে, ‘আমরা কয়েক মাস ধরে চীনে এইচ২০ চিপ পাঠাইনি, তবে আশা করি রফতানি
নিয়ন্ত্রণের নীতিগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে চীন ও বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ দেবে।’ চুক্তি অনুযায়ী, এনভিডিয়া চীনে এইচ২০ চিপ বিক্রি থেকে পাওয়া আয়ের ১৫ শতাংশ মার্কিন সরকারকে দেবে। একইভাবে এএমডি চীনে তাদের এমআই ৩০৮ চিপ বিক্রির আয়ের ১৫ শতাংশ দেবে ট্রাম্প প্রশাসনকে। শক্তিশালী এ চিপগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহৃত হয়। এইচ২০ চিপ মূলত ২০২৩ সালে বাইডেন প্রশাসনের রফতানি নিয়ন্ত্রণের পর চীনা বাজারের জন্য তৈরি হয়েছিল। তবে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে চলতি বছরের এপ্রিলে ট্রাম্প সরকার এটির বিক্রি কার্যত বন্ধ করে দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং কয়েক মাস ধরে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন তিনি। ট্রাম্প প্রশাসন
বড় কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছে। সম্প্রতি অ্যাপল জানিয়েছে, তারা দেশে আরো ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। মাইক্রন ২০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা জানিয়েছে। আর এনভিডিয়া ঘোষণা করেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ৫০০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগে এআই সার্ভার নির্মাণ করবে।
নিয়ন্ত্রণের নীতিগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে চীন ও বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ দেবে।’ চুক্তি অনুযায়ী, এনভিডিয়া চীনে এইচ২০ চিপ বিক্রি থেকে পাওয়া আয়ের ১৫ শতাংশ মার্কিন সরকারকে দেবে। একইভাবে এএমডি চীনে তাদের এমআই ৩০৮ চিপ বিক্রির আয়ের ১৫ শতাংশ দেবে ট্রাম্প প্রশাসনকে। শক্তিশালী এ চিপগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহৃত হয়। এইচ২০ চিপ মূলত ২০২৩ সালে বাইডেন প্রশাসনের রফতানি নিয়ন্ত্রণের পর চীনা বাজারের জন্য তৈরি হয়েছিল। তবে নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে চলতি বছরের এপ্রিলে ট্রাম্প সরকার এটির বিক্রি কার্যত বন্ধ করে দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং কয়েক মাস ধরে দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন তিনি। ট্রাম্প প্রশাসন
বড় কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছে। সম্প্রতি অ্যাপল জানিয়েছে, তারা দেশে আরো ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। মাইক্রন ২০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা জানিয়েছে। আর এনভিডিয়া ঘোষণা করেছে, যুক্তরাষ্ট্রে ৫০০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগে এআই সার্ভার নির্মাণ করবে।



