ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের ‘মহিমান্বিত’ করে শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সংসদ: ছাত্র ইউনিয়ন-ফ্রন্টের প্রতিবাদ
সংসদে রাজাকারদের জন্য শোক প্রস্তাব: ৪১ বিশিষ্ট নাগরিকের প্রতিবাদ
ইউনূসের পদাঙ্ক অনুসরণে তারেক: দিবসের তালিকায় ফেরেনি ৭ই মার্চ, ১৫ই আগস্ট ও সংবিধান দিবস
দেশের জন্য রাশিয়া থেকে জ্বালানি ক্রয় নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির ওপর: রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী
উপদেষ্টার শিশুকন্যার ‘ছাগল চোর নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী’ বনাম মির্জা আব্বাস: রাজনীতির বাকবাঁদল
৭৪ কারাগারে ২৩ অ্যাম্বুলেন্স: সংকটের অজুহাতে পথেই রাজনৈতিক বন্দিদের মৃত্যু
আসিফ মাহমুদসহ ৪২ জনকে পুলিশ হত্যার আসামি করার আবেদন আদালতে নাকচ
হলফনামায় ২ কোটি থাকলেও এক হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান!
ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান কর্তৃক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ কেনার আগ্রহ প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংকে দেওয়া একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আলোচিত এই চিঠিতে তিনি ১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তুতির কথা জানালেও, তার নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া সম্পদের তথ্যের সাথে এই অংকের বিশাল ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। অনেকে তার আয়নাঘরে থাকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত জামায়াতের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কুখ্যাত মীর কাসেম আলীর ছেলে এই আরমান।
সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর তার ফেসবুক ওয়ালে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বিষয়টি সামনে আনেন। পোস্টে দাবি করা হয়, ব্যারিস্টার আরমান তার নির্বাচনী হলফনামায় মাত্র ২ কোটি টাকার
সম্পদ থাকার কথা উল্লেখ করেছেন। অথচ তিনি ১০০০ কোটি টাকা দিয়ে ‘নগদ’ কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন, যার মধ্যে শুধু প্রযুক্তিগত খরচই ধরা হয়েছে ৬০০ কোটি টাকা। ছবিতে সংযুক্ত চিঠিতে দেখা যায়, ব্যারিস্টার আরমান গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন, একজন ব্যক্তি যার ঘোষিত সম্পদ মাত্র ২ কোটি টাকা, তিনি কীভাবে ১০০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ বিনিয়োগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন? যদিও চিঠিতে ‘বিদেশি বিনিয়োগকারী’দের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবুও এই বিশাল অংকের অর্থের উৎস এবং স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সম্পদ থাকার কথা উল্লেখ করেছেন। অথচ তিনি ১০০০ কোটি টাকা দিয়ে ‘নগদ’ কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন, যার মধ্যে শুধু প্রযুক্তিগত খরচই ধরা হয়েছে ৬০০ কোটি টাকা। ছবিতে সংযুক্ত চিঠিতে দেখা যায়, ব্যারিস্টার আরমান গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন, একজন ব্যক্তি যার ঘোষিত সম্পদ মাত্র ২ কোটি টাকা, তিনি কীভাবে ১০০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ বিনিয়োগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন? যদিও চিঠিতে ‘বিদেশি বিনিয়োগকারী’দের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবুও এই বিশাল অংকের অর্থের উৎস এবং স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।



