ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন বৈধতা পেতে শর্ত, ইউনুসের দেশবিরোধী চুক্তি বাস্তবায়ন
আবার শুরু হলো বিএনপির অন্যতম রাজনৈতিক কর্মসূচি-চাঁদাবাজি!
যাদের কাছে একুশ বিপজ্জনক: যে সংগঠন বায়ান্নেও ছিল না, একাত্তরেও ছিল না
১৯৫২ সালের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন শুধুমাত্র ভাষা আন্দোলন ছিল না
১৯৭১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ
কার্যালয়ে আগুন দেওয়ায় আ’লীগ নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল
ভাষার মাসে ভাষার মিনারে রাজাকারের জয়গান : শহীদ মিনার এখন কার?
হলফনামায় ২ কোটি থাকলেও এক হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান!
ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান কর্তৃক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ কেনার আগ্রহ প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংকে দেওয়া একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আলোচিত এই চিঠিতে তিনি ১০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তুতির কথা জানালেও, তার নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া সম্পদের তথ্যের সাথে এই অংকের বিশাল ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। অনেকে তার আয়নাঘরে থাকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত জামায়াতের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কুখ্যাত মীর কাসেম আলীর ছেলে এই আরমান।
সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর তার ফেসবুক ওয়ালে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বিষয়টি সামনে আনেন। পোস্টে দাবি করা হয়, ব্যারিস্টার আরমান তার নির্বাচনী হলফনামায় মাত্র ২ কোটি টাকার
সম্পদ থাকার কথা উল্লেখ করেছেন। অথচ তিনি ১০০০ কোটি টাকা দিয়ে ‘নগদ’ কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন, যার মধ্যে শুধু প্রযুক্তিগত খরচই ধরা হয়েছে ৬০০ কোটি টাকা। ছবিতে সংযুক্ত চিঠিতে দেখা যায়, ব্যারিস্টার আরমান গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন, একজন ব্যক্তি যার ঘোষিত সম্পদ মাত্র ২ কোটি টাকা, তিনি কীভাবে ১০০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ বিনিয়োগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন? যদিও চিঠিতে ‘বিদেশি বিনিয়োগকারী’দের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবুও এই বিশাল অংকের অর্থের উৎস এবং স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সম্পদ থাকার কথা উল্লেখ করেছেন। অথচ তিনি ১০০০ কোটি টাকা দিয়ে ‘নগদ’ কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন, যার মধ্যে শুধু প্রযুক্তিগত খরচই ধরা হয়েছে ৬০০ কোটি টাকা। ছবিতে সংযুক্ত চিঠিতে দেখা যায়, ব্যারিস্টার আরমান গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন, একজন ব্যক্তি যার ঘোষিত সম্পদ মাত্র ২ কোটি টাকা, তিনি কীভাবে ১০০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ বিনিয়োগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন? যদিও চিঠিতে ‘বিদেশি বিনিয়োগকারী’দের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবুও এই বিশাল অংকের অর্থের উৎস এবং স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।



