ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুদখোর আর জামায়াতের হাতে স্বাধীনতার ইতিহাস
ইউনুসের অবৈধ শাসনে বাংলাদেশিরা এখন বিশ্বের অচ্ছুত
সিসিটিভি ফুটেজে দুই শুটারের চেহারা স্পষ্ট, পরিচয় মেলেনি ২ দিনেও
দল বাঁচাতে হলে দলকেই বদলাতে হবে,আদর্শে ফেরার চ্যালেঞ্জে আওয়ামী লীগ
পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ এম. নজরুল ইসলাম
ইউনুসের পাতানো নির্বাচন, যেন ভোটের কোন দরকার নাই!
এবার বসুন্ধরার গণমাধ্যম পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি জুলাই আন্দোলনকারীদের
হত্যার বিরোধিতাই সভ্যতার মানদণ্ড, বিচারহীন হত্যার পক্ষে দাঁড়ানো মানেই গণতন্ত্রকে অস্বীকার করা*
স্টাফ রিপোর্টার । ইউনুস সরকারের আমলে সবচেয়ে উদ্বেগজনক যে বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, তা হলো প্রতিশোধমূলক হত্যা ও মব কালচারের ক্রমাগত স্বাভাবিকীকরণ। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মানুষের প্রত্যাশা ছিল ন্যায়বিচার, কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে—বিচারের জায়গা দখল করছে জনতার উন্মত্ততা, আর আইনের শাসনের বদলে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে প্রতিশোধের সংস্কৃতি।
একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজের প্রকৃত পরিচয় নির্ধারিত হয় সে সমাজ ভিন্নমতকে কীভাবে মোকাবিলা করে তার মাধ্যমে। মতাদর্শগত পার্থক্য থাকবেই—তীব্র বিরোধ, ক্ষোভ কিংবা অতীতের অপরাধের স্মৃতিও থাকবে। কিন্তু কোনো অজুহাতেই বিনাবিচারে হত্যা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ইউনুস সরকারের সময়ে যদি এসব হত্যাকাণ্ডকে “জনরোষ”, “স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া” কিংবা “ঠিক লোকের শাস্তি” বলে এড়িয়ে যাওয়া হয়, তবে তা
সরাসরি আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে দুর্বল করে। আরও স্পষ্ট করে বলা দরকার—কোনো ব্যক্তি যদি নিজেই সহিংসতা উসকে দেয়, ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়ায় বা হত্যার ডাক দেয়, তাহলেও তার বিচার হবে আদালতে, জনতার হাতে নয়। বিচারহীন হত্যাকে সমর্থন করা মানেই রাষ্ট্রকে মবের হাতে ছেড়ে দেওয়া। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই সময়ে “মেরে ফেলব”, “কেটে ফেলব” ধরনের ভাষা ব্যবহারকারী এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়া ব্যক্তিরা সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। এতে রাষ্ট্র ক্রমে নীরব দর্শকে পরিণত হচ্ছে। ন্যায়বিচার কখনো নির্বাচনী হতে পারে না। আজ যদি “ঠিক লোক মরেছে” বলে আমরা চুপ থাকি, কাল সেই একই যুক্তি আমাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হবে। হত্যার বিরোধিতাই সভ্যতার ন্যূনতম
শর্ত—এর ব্যতিক্রম মানেই গণতন্ত্র থেকে সরে আসা।
সরাসরি আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে দুর্বল করে। আরও স্পষ্ট করে বলা দরকার—কোনো ব্যক্তি যদি নিজেই সহিংসতা উসকে দেয়, ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়ায় বা হত্যার ডাক দেয়, তাহলেও তার বিচার হবে আদালতে, জনতার হাতে নয়। বিচারহীন হত্যাকে সমর্থন করা মানেই রাষ্ট্রকে মবের হাতে ছেড়ে দেওয়া। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই সময়ে “মেরে ফেলব”, “কেটে ফেলব” ধরনের ভাষা ব্যবহারকারী এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়া ব্যক্তিরা সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। এতে রাষ্ট্র ক্রমে নীরব দর্শকে পরিণত হচ্ছে। ন্যায়বিচার কখনো নির্বাচনী হতে পারে না। আজ যদি “ঠিক লোক মরেছে” বলে আমরা চুপ থাকি, কাল সেই একই যুক্তি আমাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হবে। হত্যার বিরোধিতাই সভ্যতার ন্যূনতম
শর্ত—এর ব্যতিক্রম মানেই গণতন্ত্র থেকে সরে আসা।



