হত্যার বিরোধিতাই সভ্যতার মানদণ্ড, বিচারহীন হত্যার পক্ষে দাঁড়ানো মানেই গণতন্ত্রকে অস্বীকার করা* – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ জানুয়ারি, ২০২৬

হত্যার বিরোধিতাই সভ্যতার মানদণ্ড, বিচারহীন হত্যার পক্ষে দাঁড়ানো মানেই গণতন্ত্রকে অস্বীকার করা*

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ |
স্টাফ রিপোর্টার । ইউনুস সরকারের আমলে সবচেয়ে উদ্বেগজনক যে বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, তা হলো প্রতিশোধমূলক হত্যা ও মব কালচারের ক্রমাগত স্বাভাবিকীকরণ। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মানুষের প্রত্যাশা ছিল ন্যায়বিচার, কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে—বিচারের জায়গা দখল করছে জনতার উন্মত্ততা, আর আইনের শাসনের বদলে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে প্রতিশোধের সংস্কৃতি। একটি সভ্য ও গণতান্ত্রিক সমাজের প্রকৃত পরিচয় নির্ধারিত হয় সে সমাজ ভিন্নমতকে কীভাবে মোকাবিলা করে তার মাধ্যমে। মতাদর্শগত পার্থক্য থাকবেই—তীব্র বিরোধ, ক্ষোভ কিংবা অতীতের অপরাধের স্মৃতিও থাকবে। কিন্তু কোনো অজুহাতেই বিনাবিচারে হত্যা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ইউনুস সরকারের সময়ে যদি এসব হত্যাকাণ্ডকে “জনরোষ”, “স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া” কিংবা “ঠিক লোকের শাস্তি” বলে এড়িয়ে যাওয়া হয়, তবে তা

সরাসরি আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে দুর্বল করে। আরও স্পষ্ট করে বলা দরকার—কোনো ব্যক্তি যদি নিজেই সহিংসতা উসকে দেয়, ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়ায় বা হত্যার ডাক দেয়, তাহলেও তার বিচার হবে আদালতে, জনতার হাতে নয়। বিচারহীন হত্যাকে সমর্থন করা মানেই রাষ্ট্রকে মবের হাতে ছেড়ে দেওয়া। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই সময়ে “মেরে ফেলব”, “কেটে ফেলব” ধরনের ভাষা ব্যবহারকারী এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়া ব্যক্তিরা সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। এতে রাষ্ট্র ক্রমে নীরব দর্শকে পরিণত হচ্ছে। ন্যায়বিচার কখনো নির্বাচনী হতে পারে না। আজ যদি “ঠিক লোক মরেছে” বলে আমরা চুপ থাকি, কাল সেই একই যুক্তি আমাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হবে। হত্যার বিরোধিতাই সভ্যতার ন্যূনতম

শর্ত—এর ব্যতিক্রম মানেই গণতন্ত্র থেকে সরে আসা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
শেখ মুজিব-বাঙালির একমাত্র মাহানায়ক গোপালগঞ্জের সন্তান- হেমায়েত বাহিনীর ক্যাপ্টেন হেমায়েত বীর বিক্রম, যাঁর নামে কলজে শুকিয়ে যেত পাকিস্তানিদের ঈদে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানো নিয়েও ইউনুসের ছলচাতুরী ম্যানেজিং কমিটিতে দলীয় লোক নেওয়া হলে আদালতে যাওয়ার হুশিয়ারি রাশেদা কে চৌধুরীর বাংলার মাটি ও মানুষের প্রতি মমতায় গড়া এক নেতৃত্বের নাম শেখ মুজিব কাবুলে হাসপাতালে ভয়াবহ বিমান হামলা: পাকিস্তানের যুদ্ধাপরাধ ও বর্বরতা ১৯৭১ এর মতোই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না খেলার কারণ খুঁজতে তদন্ত কমিটি হচ্ছে স্কুলে এসে শিশুরা যেন পাঠ্যপুস্তকে বৈষম্য না দেখে—এই অবদান শেখ হাসিনার একান্ত শেখ হাসিনার ডেল্টা প্লানকে তারেক রহমান চালাচ্ছেন খালকাটা কর্মসূচি হিসেবে ‘ইউনূসকে ঠিকই চিনেছিলেন শেখ হাসিনা’, কারামুক্ত হয়ে আনিস আলমগীর ইতিহাস থেকে রাষ্ট্র বিনির্মাণ: দেশবন্ধু থেকে বঙ্গবন্ধু কামরুল হাসান বেঁচে থাকলে ড. ইউনূসকে ‘বিশ্ব বাটপার’ উপাধি দিতেন: আনিস আলমগীর রাতে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস, বিপাকে যেসব জেলা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব শুধু ঈদের দিন বন্ধ থাকবে মেট্রো রেল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন আর নেই অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান মোজতবা খামেনি, অডিও ফাঁস পদত্যাগ করেছেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান চীনে আল্ট্রা-ট্রেইল শিয়ামেনে অংশ নিলেন ইমামুর রহমান ১০০ দেশ ভ্রমণের লক্ষ্য তরুণ তুর্কী শাকিব উদ্দিনের