ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বনমোরগ উদ্ধারের পর বনে ‘দেশি মোরগ’ অবমুক্ত করলেন বন কর্মকর্তা, খেয়ে ফেলার অভিযোগ
সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে!
পঞ্চগড়ে কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: স্বজনদের হত্যার অভিযোগ
ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে থানায় মারধরের শিকার মা–মেয়ে, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড
ছেলেকে ধরতে না পেরে ক্ষুব্ধ পুলিশের লাথিতে বৃদ্ধ পিতার মৃত্যু, পুলিশের দাবি হৃদরোগ
বাংলাদেশে মশা এখনও আছে আগের মতোই, শুধু মাঝখান থেকে এদেশের শাসক বদলেছে
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা
স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারা যুবকের আত্মহননের চেষ্টার ভুয়া গল্প অন্তর্জালে, প্রকৃত ঘটনা যা জানা গেল
চট্টগ্রামে এক যুবকের আত্মহননের ঘটনা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে নানা মুখরোচক গল্প। ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে—স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারার হতাশা থেকে এক যুবক নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
তবে পুলিশ ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভাইরাল হওয়া এই গল্পের সঙ্গে বাস্তব ঘটনার কোনো মিল নেই।
৬ই মার্চ, শুক্রবার দুপুরে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে কামাল উদ্দিন (৪০) নিউমার্কেট এলাকার সামনে একটি আনারসের দোকান থেকে ছুরি নিয়ে নিজের গলায় আঘাত করেন।
পরে রক্তাক্ত অবস্থায় পুলিশ টহল দল স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে
জরুরি অস্ত্রোপচারের সময় রক্তের প্রয়োজন হলে সহকারী পুলিশ সুপার নুরে আলম মাহমুদ রক্ত দেন। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই কামাল উদ্দিন মারা যান। পুলিশ জানায়, কামাল উদ্দিনের বাড়ি ময়মনসিংহে হলেও তিনি পরিবারসহ চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকায় বসবাস করতেন। ঘটনার সময় তার স্ত্রী তার সঙ্গে ছিলেন না। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এস এম রিদুয়ান বলেন, রাতের দিকে আনারসের দোকান থেকে ছুরি নিয়ে কামাল নিজেই নিজের গলায় আঘাত করেন। তখন সেখানে কোনো নারী উপস্থিত ছিলেন না। তিনি বলেন, পুলিশকে খবর দেওয়া থেকে শুরু করে হাসপাতালে নেওয়া পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গল্পটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।ব্রেকিং নিউজ নিহত কামাল উদ্দিনের স্ত্রী তসলিমা আক্তার জানান, ঘটনার রাতে রাত ৮টার
দিকে কামাল তার ভাগিনা সামাদের কাছ থেকে কিছু হাতখরচের টাকা নেন। টাকা নেওয়ার পর তিনি বের হয়ে যান এবং এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। পরে ভোরের দিকে ফোন পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। কামালের ভাগিনা সামাদ বলেন, তার মামা পেশায় রাজমিস্ত্রির হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিছুদিন সুস্থ থাকলেও পরে আবার সমস্যার লক্ষণ দেখা দিত। ঘটনার সময় তার স্ত্রী কর্মস্থলে ছিলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়মনসিংহে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে পরিবার জানিয়েছে। সংযুক্তি সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে
যাচাই-বাছাই ছাড়াই গল্প তৈরি করে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। বাস্তব ঘটনার সঙ্গে কল্পনা, আবেগ ও নাটকীয়তা যোগ করে অনেকেই এমন বর্ণনা তৈরি করেন যা দ্রুত ভাইরাল হয়। এতে মানুষের সহানুভূতি যেমন ভুল পথে পরিচালিত হয়, তেমনি প্রকৃত ঘটনাও আড়ালে পড়ে যায়। লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের প্রতিযোগিতায় সত্য অনেক সময় হারিয়ে যাচ্ছে—আর বিভ্রান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
জরুরি অস্ত্রোপচারের সময় রক্তের প্রয়োজন হলে সহকারী পুলিশ সুপার নুরে আলম মাহমুদ রক্ত দেন। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই কামাল উদ্দিন মারা যান। পুলিশ জানায়, কামাল উদ্দিনের বাড়ি ময়মনসিংহে হলেও তিনি পরিবারসহ চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকায় বসবাস করতেন। ঘটনার সময় তার স্ত্রী তার সঙ্গে ছিলেন না। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এস এম রিদুয়ান বলেন, রাতের দিকে আনারসের দোকান থেকে ছুরি নিয়ে কামাল নিজেই নিজের গলায় আঘাত করেন। তখন সেখানে কোনো নারী উপস্থিত ছিলেন না। তিনি বলেন, পুলিশকে খবর দেওয়া থেকে শুরু করে হাসপাতালে নেওয়া পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গল্পটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।ব্রেকিং নিউজ নিহত কামাল উদ্দিনের স্ত্রী তসলিমা আক্তার জানান, ঘটনার রাতে রাত ৮টার
দিকে কামাল তার ভাগিনা সামাদের কাছ থেকে কিছু হাতখরচের টাকা নেন। টাকা নেওয়ার পর তিনি বের হয়ে যান এবং এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। পরে ভোরের দিকে ফোন পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। কামালের ভাগিনা সামাদ বলেন, তার মামা পেশায় রাজমিস্ত্রির হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিছুদিন সুস্থ থাকলেও পরে আবার সমস্যার লক্ষণ দেখা দিত। ঘটনার সময় তার স্ত্রী কর্মস্থলে ছিলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়মনসিংহে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে পরিবার জানিয়েছে। সংযুক্তি সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে
যাচাই-বাছাই ছাড়াই গল্প তৈরি করে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। বাস্তব ঘটনার সঙ্গে কল্পনা, আবেগ ও নাটকীয়তা যোগ করে অনেকেই এমন বর্ণনা তৈরি করেন যা দ্রুত ভাইরাল হয়। এতে মানুষের সহানুভূতি যেমন ভুল পথে পরিচালিত হয়, তেমনি প্রকৃত ঘটনাও আড়ালে পড়ে যায়। লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের প্রতিযোগিতায় সত্য অনেক সময় হারিয়ে যাচ্ছে—আর বিভ্রান্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।



