ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে
ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া
পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা
আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি
সুন্দরবনের মধু থেকে হাইকোর্টের শীর্ষ স্থান: সেকালের ‘হানি ট্র্যাপ’ কি আজও বিচারীয় পটভূমিকে প্রশ্ন করছে?”
এক বোতল মধু কীভাবে হাইকোর্টের বিচারপতির চাকরিচ্যুতি ও বিতর্ক তৈরি করেছিল এবং সেই পরিবার আজ দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে—এই সংযোগ কি শুধু ইতিহাস, নাকি বিচারব্যবস্থার নৈতিকতার এক পূর্ণ প্রতিচ্ছবি?
১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম দশকে বরিশালের বিচার বিভাগে আব্দুর রহমান চৌধরী দেশটির উচ্চ স্তরের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ওই যশোর স্টেশনে দায়িত্বকালে ঘটে এক অদ্ভুত কাণ্ড: সুন্দরবন থেকে আনত খাঁটি মধুর বোতল, যা কোর্টরুমে রাখা অবস্থায় বিচারপতি অনুমতি ছাড়া চেখে দেখেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসন বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে তুলে ধৰেন এবং বিচারপতি চৌধরী ১৯৮৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত হন।
পরবর্তীতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়।
এটি আপিল বিভাগ পর্যন্ত পৌঁছে এবং রায় ৩৫ DLR HC ২৬৬ ও ৩৫ DLR AD ২৯০ হিসেবে রেফারেন্স হয়ে নথিভুক্ত হয়। এই ঘটনা স্থানীয়ভাবে “Honey Trape” নামে পরিচিতি পায়, যদিও শুরুতে এটি “Honey Trip” নামে পরিচিত ছিল। ঘটনাটি শুধু কৌতূহল তৈরি করেনি, বরং সেই সময়ের নৈতিকতা, বিচারিক আচরণ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্যে কি ধরনের নিয়মাবলী বিদ্যমান ছিল—তাও প্রশ্নে ফেলে দেয়। অদ্ভুতভাবে, আজ সেই পরিবারের সদস্যই বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫-এ আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।  এজন্যই এই গল্প শুধুই পুরনো আইনি কেলেঙ্কারির কাহিনি নয়। এটি একই পরিবারে
দুই প্রজন্মের বিচার বিভাগের ভিন্ন ভুমিকা ও প্রতিক্রিয়ার প্রতিফলন—একজন পেশাগত জীবনে বিতর্কিত পতনের মুখোমুখি, আর পরবর্তী প্রজন্ম আইনের শীর্ষ আসনে। এটি পাঠককে জিজ্ঞাসা করতে বাধ্য করে: এক প্রজন্মের পতন কি পরবর্তী প্রজন্মের উত্থানের পটভূমিতে কোনো প্রভাব ফেলে? নৈতিকতা ও পেশাগত দায়িত্বের সম্পর্ক আজকের বিচার বিভাগের সিদ্ধান্তে কতটা প্রতিফলিত? বাংলাদেশে বিচারপতি অপসারণ বা পদত্যাগের মতো ঘটনা মোটেই অদ্ভুত নয়। বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া সম্পর্কেও বিভিন্ন প্রশ্ন ও পরিবর্তন দেখা যায়। আইন অনুযায়ী, বিচারপতি অপসারণের জন্য Supreme Judicial Council বা পার্লামেন্টের ক্ষমতা—এই দ্বন্দ্বের উপর বেশ বিতর্ক হয়েছে। ২০১৭ সালে হাইকোর্ট রায়ে ১৬তম সংবিধান সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ভূমিকা পুনরায় প্রতিষ্ঠার পথ সুগম
করে।  কিছু বিচারপতি দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত ক্রমাগত চলছে।  বিচারপতি অপসারণ বা পদত্যাগের বিষয়টি সংবিধান ও আইনের আলোয় আবারও আলোচিত হচ্ছে। এইসব ঘটনা মনে করিয়ে দেয়—বিচারব্যবস্থা নীরবে স্থিতাবস্থা ধরে রাখতে পারে না; নৈতিকতা, স্বচ্ছতা ও আইনি প্রক্রিয়া সবসময়ই সমানে সমান বাস্তবে উঠেই আসে। ১৯৭২ সালে আব্দুর রহমান চৌধরী হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৮৩ সুন্দরবনের মধু বিতর্কে চাকরিচ্যুতি হন ২০০০-এর দশক ও পরে বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ও অপসারণ প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন বিতর্ক এবং সংবিধান সংশোধনী নিয়ে লড়াই।  ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে আব্দুর রহমানের ছেলে জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত
হন। বোতল মধু—কি শুধুই মধু? এই গল্পকে শুধু হাস্যকর ঘটনাবলি হিসেবেই নেওয়া যায় না। এটি উঠিয়ে আনে বিচারব্যবস্থার নৈতিক কাঠামো ও বিচারকদের দায়িত্বশীল আচরণের বিষয়ে বড় প্রশ্ন। বর্তমান প্রধান বিচারপতি হিসেবে জুবায়ের রহমানের অবস্থান নিজে একটি শক্ত পদ, কিন্তু তার পেছনের পারিবারিক ইতিহাস আবারো মনে করিয়ে দেয় বিচারিক দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত গুণাবলীর ভারসাম্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
এটি আপিল বিভাগ পর্যন্ত পৌঁছে এবং রায় ৩৫ DLR HC ২৬৬ ও ৩৫ DLR AD ২৯০ হিসেবে রেফারেন্স হয়ে নথিভুক্ত হয়। এই ঘটনা স্থানীয়ভাবে “Honey Trape” নামে পরিচিতি পায়, যদিও শুরুতে এটি “Honey Trip” নামে পরিচিত ছিল। ঘটনাটি শুধু কৌতূহল তৈরি করেনি, বরং সেই সময়ের নৈতিকতা, বিচারিক আচরণ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্যে কি ধরনের নিয়মাবলী বিদ্যমান ছিল—তাও প্রশ্নে ফেলে দেয়। অদ্ভুতভাবে, আজ সেই পরিবারের সদস্যই বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫-এ আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।  এজন্যই এই গল্প শুধুই পুরনো আইনি কেলেঙ্কারির কাহিনি নয়। এটি একই পরিবারে
দুই প্রজন্মের বিচার বিভাগের ভিন্ন ভুমিকা ও প্রতিক্রিয়ার প্রতিফলন—একজন পেশাগত জীবনে বিতর্কিত পতনের মুখোমুখি, আর পরবর্তী প্রজন্ম আইনের শীর্ষ আসনে। এটি পাঠককে জিজ্ঞাসা করতে বাধ্য করে: এক প্রজন্মের পতন কি পরবর্তী প্রজন্মের উত্থানের পটভূমিতে কোনো প্রভাব ফেলে? নৈতিকতা ও পেশাগত দায়িত্বের সম্পর্ক আজকের বিচার বিভাগের সিদ্ধান্তে কতটা প্রতিফলিত? বাংলাদেশে বিচারপতি অপসারণ বা পদত্যাগের মতো ঘটনা মোটেই অদ্ভুত নয়। বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া সম্পর্কেও বিভিন্ন প্রশ্ন ও পরিবর্তন দেখা যায়। আইন অনুযায়ী, বিচারপতি অপসারণের জন্য Supreme Judicial Council বা পার্লামেন্টের ক্ষমতা—এই দ্বন্দ্বের উপর বেশ বিতর্ক হয়েছে। ২০১৭ সালে হাইকোর্ট রায়ে ১৬তম সংবিধান সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ভূমিকা পুনরায় প্রতিষ্ঠার পথ সুগম
করে।  কিছু বিচারপতি দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত ক্রমাগত চলছে।  বিচারপতি অপসারণ বা পদত্যাগের বিষয়টি সংবিধান ও আইনের আলোয় আবারও আলোচিত হচ্ছে। এইসব ঘটনা মনে করিয়ে দেয়—বিচারব্যবস্থা নীরবে স্থিতাবস্থা ধরে রাখতে পারে না; নৈতিকতা, স্বচ্ছতা ও আইনি প্রক্রিয়া সবসময়ই সমানে সমান বাস্তবে উঠেই আসে। ১৯৭২ সালে আব্দুর রহমান চৌধরী হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৮৩ সুন্দরবনের মধু বিতর্কে চাকরিচ্যুতি হন ২০০০-এর দশক ও পরে বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ ও অপসারণ প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন বিতর্ক এবং সংবিধান সংশোধনী নিয়ে লড়াই।  ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে আব্দুর রহমানের ছেলে জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত
হন। বোতল মধু—কি শুধুই মধু? এই গল্পকে শুধু হাস্যকর ঘটনাবলি হিসেবেই নেওয়া যায় না। এটি উঠিয়ে আনে বিচারব্যবস্থার নৈতিক কাঠামো ও বিচারকদের দায়িত্বশীল আচরণের বিষয়ে বড় প্রশ্ন। বর্তমান প্রধান বিচারপতি হিসেবে জুবায়ের রহমানের অবস্থান নিজে একটি শক্ত পদ, কিন্তু তার পেছনের পারিবারিক ইতিহাস আবারো মনে করিয়ে দেয় বিচারিক দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত গুণাবলীর ভারসাম্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।



