ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জিডিপির প্রবৃদ্ধি ফের নিম্নমুখী
চার লাখ ৪৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার, সোয়া কোটি টাকা অর্থদণ্ড
দেশের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ্যে, তালিকায় আছে যারা
সুদ হার কমানো ও ঋণসীমা বাড়ানোর দাবি এফবিসিসিআইয়ের
মার্চে কমল মূল্যস্ফীতি
রপ্তানিতে বড় ধস: এক বছরে বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহ কমেছে ৫ বিলিয়ন ডলার
রোববার থেকে নতুন সূচিতে চলবে ব্যাংক
সুকৌশলে বোতলজাত সয়াবিন উধাও করা হচ্ছে
সয়াবিন তেলের বাজারে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে অসাধুরা। সরকারের নির্ধারিত মূল্য উপেক্ষা করে তারা ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে বাজার থেকে বোতলজাত তেল গায়েব করা হচ্ছে। সেই সুযোগে ড্রামে করে খোলা তেল সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে লিটারপ্রতি প্রায় ৩৪ টাকা বেশি দামে বিক্রি করা হচ্ছে।
কাগজে-কলমে মূল্য নিয়ন্ত্রণের কথা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো কার্যকারিতা নেই, বরং পরিস্থিতি অনেকটা প্রহসনে পরিণত হয়েছে। প্রকাশ্যে এমন অনিয়ম চললেও অজানা কারণে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। ফলে বাড়তি দামে তেল কিনতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ট্রেডিং করপোরেশন
অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রোববার খোলা সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি দাম ১৮৫ থেকে সর্বোচ্চ ১৯৬ টাকা পর্যন্ত ছিল। সপ্তাহের মধ্যে তেলের দাম ০.২৬ শতাংশ বেড়েছে। এক মাস আগের তুলনায়, যখন দাম ছিল ১৭৫ থেকে ১৮৬ টাকা, মাসিক হিসেবে দাম ৫.৫৪ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া, গত বছরের একই সময়ে এ তেলের দাম ছিল ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, যা হিসাব করলে বছরে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে ১৭.২৩ শতাংশ। এদিকে সরকারি সংস্থা টিসিবি খুচরা বাজারে খোলা সয়াবিনের মূল্য ১৮৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৯৬ টাকা উল্লেখ করলেও বাজারের চিত্র আরও ভয়াবহ। রোববার রাজধানীর নয়াবাজার, জিনজিরা, মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন
কিনতে ক্রেতার ২১০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৭৬ টাকা। অর্থাৎ সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে খুচরা বাজারে ক্রেতার কাছ থেকে লিটারে ৩৪ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। টিসিবির মূল্য অনুযায়ী দেখা যায়, রোববার প্রতি লিটার খোলা পাম অয়েল বিক্রি হয়েছে ১৬৮ টাকা দরে। যা সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৬২ টাকা। ক্রেতার কাছ থেকে লিটারপ্রতি বাড়তি নেওয়া হয় ৬ টাকা। ৭ ডিসেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠকের পর লিটারপ্রতি ৬ টাকা বাড়িয়ে মূল্য ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। যা ৮ ডিসেম্বর থেকে বাজারে কার্যকর হয়। সংগঠনের তরফ থেকে নতুন দাম অনুযায়ী এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল খুচরা পর্যায়ে
বিক্রি হবে ১৯৫ টাকায়। যা আগে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৮৯ টাকা ছিল। পাশাপাশি প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৬ টাকা। যা আগে ১৭০ টাকা ছিল। অন্যদিকে প্রতি লিটার পাম তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৬ টাকা। সঙ্গে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৫৫ টাকা। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন যুগান্তরকে বলেন, ভোক্তার স্বার্থরক্ষায় অন্তর্বর্তী সরকার এক প্রকার ব্যর্থ ছিল। যে সময় তেলের দাম বাড়ানোর কথা নয়, সেই সময় অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের চাপে পড়ে মূল্য বাড়িয়েছে। তখন থেকেই নির্ধারিত মূল্যে বাজারে তেল বিক্রি হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, সে
সময় তদারকি হয়নি, এখন নতুন নির্বাচিত সরকারের সময়ও বাজারে কঠোর তদারকি হচ্ছে না। ভোক্তার স্বার্থ উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার কার স্বার্থে এই মূল্য নির্ধারণ করেছে, আর বর্তমানে কেনই বা অনিয়ম ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে প্রশাসন। বাজার ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজিয়ে ভোক্তাকে স্বস্তি দিতে হবে। পাশাপাশি যারা অনিয়ম করে সয়াবিন তেলের দাম বাড়াচ্ছে, তাদের কঠোর হাতে দমন করতে হবে।
অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রোববার খোলা সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি দাম ১৮৫ থেকে সর্বোচ্চ ১৯৬ টাকা পর্যন্ত ছিল। সপ্তাহের মধ্যে তেলের দাম ০.২৬ শতাংশ বেড়েছে। এক মাস আগের তুলনায়, যখন দাম ছিল ১৭৫ থেকে ১৮৬ টাকা, মাসিক হিসেবে দাম ৫.৫৪ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া, গত বছরের একই সময়ে এ তেলের দাম ছিল ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা, যা হিসাব করলে বছরে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে ১৭.২৩ শতাংশ। এদিকে সরকারি সংস্থা টিসিবি খুচরা বাজারে খোলা সয়াবিনের মূল্য ১৮৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৯৬ টাকা উল্লেখ করলেও বাজারের চিত্র আরও ভয়াবহ। রোববার রাজধানীর নয়াবাজার, জিনজিরা, মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন
কিনতে ক্রেতার ২১০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৭৬ টাকা। অর্থাৎ সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে খুচরা বাজারে ক্রেতার কাছ থেকে লিটারে ৩৪ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। টিসিবির মূল্য অনুযায়ী দেখা যায়, রোববার প্রতি লিটার খোলা পাম অয়েল বিক্রি হয়েছে ১৬৮ টাকা দরে। যা সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৬২ টাকা। ক্রেতার কাছ থেকে লিটারপ্রতি বাড়তি নেওয়া হয় ৬ টাকা। ৭ ডিসেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠকের পর লিটারপ্রতি ৬ টাকা বাড়িয়ে মূল্য ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। যা ৮ ডিসেম্বর থেকে বাজারে কার্যকর হয়। সংগঠনের তরফ থেকে নতুন দাম অনুযায়ী এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল খুচরা পর্যায়ে
বিক্রি হবে ১৯৫ টাকায়। যা আগে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৮৯ টাকা ছিল। পাশাপাশি প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৬ টাকা। যা আগে ১৭০ টাকা ছিল। অন্যদিকে প্রতি লিটার পাম তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৬ টাকা। সঙ্গে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৫৫ টাকা। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন যুগান্তরকে বলেন, ভোক্তার স্বার্থরক্ষায় অন্তর্বর্তী সরকার এক প্রকার ব্যর্থ ছিল। যে সময় তেলের দাম বাড়ানোর কথা নয়, সেই সময় অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের চাপে পড়ে মূল্য বাড়িয়েছে। তখন থেকেই নির্ধারিত মূল্যে বাজারে তেল বিক্রি হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, সে
সময় তদারকি হয়নি, এখন নতুন নির্বাচিত সরকারের সময়ও বাজারে কঠোর তদারকি হচ্ছে না। ভোক্তার স্বার্থ উপেক্ষা করে অন্তর্বর্তী সরকার কার স্বার্থে এই মূল্য নির্ধারণ করেছে, আর বর্তমানে কেনই বা অনিয়ম ঠেকাতে ব্যর্থ হচ্ছে প্রশাসন। বাজার ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজিয়ে ভোক্তাকে স্বস্তি দিতে হবে। পাশাপাশি যারা অনিয়ম করে সয়াবিন তেলের দাম বাড়াচ্ছে, তাদের কঠোর হাতে দমন করতে হবে।



