ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কৃষিমন্ত্রী সারসংকট নিয়ে বললেন, ‘এখানে দুষ্টু লোক আছে’
আর্থিক খাত সংস্কারে বিশ্বব্যাংকের ৪৫ কোটি ডলার ঋণ
৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, মিরপুরে সড়ক অবরোধ
বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দিল জাতিসংঘ, নতুন সময়সীমা ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর
বিশ্বব্যাংক: বছর শেষে জ্বালানির দাম ৩২%, খাদ্যপণ্যে ১০% আর পণ্যমূল্য গড়ে ২৩% বাড়বে
অর্থনীতিবিদদের মূল্যায়ন: দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই, নেই বড় অঙ্কের এলসি খোলার গ্রাহকও
বাংলাদেশ জাপানের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে বিকল্প অর্থায়নে সহযোগিতা বাড়াতে চায়
সিলিন্ডারে ১২ কেজি গ্যাসের ৪ কেজিই উধাও! বাতাস বেচে লাখপতি ব্যবসায়ী
কিশোরগঞ্জে কয়েকটি ভর্তি সিলিন্ডার থেকে গ্যাস কমিয়ে সেই গ্যাস অন্য খালি সিলিন্ডারে ভরে বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে কারাদাণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
৬ই অক্টোবর, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার মহিনন্দ বাজারে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সাজাপ্রাপ্ত রাজিব মিয়া পাকুন্দিয়া উপজেলার বাসিন্দা। তিনি মহিনন্দ এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে থেকে এলপিজি গ্যাসের ব্যবসা করতেন। আর এভাবে বাতাস বেচেই তিনি লাখপতি হয়ে গেছেন বলে জানান স্থানীয়রা।
প্রতারক ব্যবসায়ী রাজিব মিয়া
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মহিনন্দ বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা করেন রাজিব মিয়া। তিনি বিশেষ আনলোডিং যন্ত্রের সাহায্যে ১২ কেজি গ্যাস
ভর্তি সিলিন্ডার থেকে গোপনে গ্যাস বের করে খালি সিলিন্ডারে ভরে দিতেন। পরে ওই সিলিন্ডারগুলো ১২ কেজি গ্যাসের নির্ধারিত দামে বিক্রি করতেন। এতে একদিকে বাড়তি সিলিন্ডার বিক্রি করে অতিরিক্ত আয় করতেন তিনি, অন্যদিকে ক্রেতারা ১২ কেজির সিলিন্ডার মনে করে প্রতারিত হতেন। নিয়মিত গ্যাস ব্যবহার করেন, এমন কয়েকজন ভোক্তা জানালেন, একটা সিলিন্ডার ২০-২৫ দিন যায়, কিন্তু রাজিব মিয়ার সিলিন্ডার চলে ১৫ দিন। এ নিয়ে তাকে অভিযোগ করলে তিনি এলপিজি কোম্পানির ঘাড়ে দায় চাপান। গত মঙ্গলবার রাজিব মিয়া একইভাবে ভর্তি সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের করে খালি সিলিন্ডারে ভরছিলেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান মারুফ
জানান, রাজিব মিয়ার বাড়ি পাকুন্দিয়া উপজেলায়। তিনি মহিনন্দ এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা করতেন। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভর্তি সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের করে খালি সিলিন্ডারে ভরে পরে তা ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতেন। ইউএনও জানান, আটকের পর রাজিব মিয়া স্বীকার করেছেন, একটি সিলিন্ডার থেকে তিন থেকে চার কেজি গ্যাস বের করে খালি সিলিন্ডারে ভরতেন। এভাবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতি করে আসছিলেন। পরে ইউএনওর উপস্থিতিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাহুল ঘোষ পলাশের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজিব মিয়াকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে তাকে সদর মডেল থানার মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ভর্তি সিলিন্ডার থেকে গোপনে গ্যাস বের করে খালি সিলিন্ডারে ভরে দিতেন। পরে ওই সিলিন্ডারগুলো ১২ কেজি গ্যাসের নির্ধারিত দামে বিক্রি করতেন। এতে একদিকে বাড়তি সিলিন্ডার বিক্রি করে অতিরিক্ত আয় করতেন তিনি, অন্যদিকে ক্রেতারা ১২ কেজির সিলিন্ডার মনে করে প্রতারিত হতেন। নিয়মিত গ্যাস ব্যবহার করেন, এমন কয়েকজন ভোক্তা জানালেন, একটা সিলিন্ডার ২০-২৫ দিন যায়, কিন্তু রাজিব মিয়ার সিলিন্ডার চলে ১৫ দিন। এ নিয়ে তাকে অভিযোগ করলে তিনি এলপিজি কোম্পানির ঘাড়ে দায় চাপান। গত মঙ্গলবার রাজিব মিয়া একইভাবে ভর্তি সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের করে খালি সিলিন্ডারে ভরছিলেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে আটক করে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেন। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান মারুফ
জানান, রাজিব মিয়ার বাড়ি পাকুন্দিয়া উপজেলায়। তিনি মহিনন্দ এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা করতেন। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভর্তি সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের করে খালি সিলিন্ডারে ভরে পরে তা ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতেন। ইউএনও জানান, আটকের পর রাজিব মিয়া স্বীকার করেছেন, একটি সিলিন্ডার থেকে তিন থেকে চার কেজি গ্যাস বের করে খালি সিলিন্ডারে ভরতেন। এভাবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতি করে আসছিলেন। পরে ইউএনওর উপস্থিতিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাহুল ঘোষ পলাশের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজিব মিয়াকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। পরে তাকে সদর মডেল থানার মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।





