ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস: এপস্টাইন নেটওয়ার্কের ‘গুড বুক’-এ ড. ইউনূস! নেপথ্যে জঘন্য অপরাধী চক্র
সম্প্রীতির বাংলাদেশে উগ্রবাদের আস্ফালন: সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারহীনতার এক চালচিত্র
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে” – তৌহিদ হোসেন
পাতানো নির্বাচনে জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানোর নীল নকশা কি চূড়ান্ত?
ইসলামে নারীদের শীর্ষ পদে যাওয়ার সুযোগ নেইঃ জামায়াত এর নারী বিভাগের শীর্ষ নেত্রী
শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিলো, এখন নেপালও অবজ্ঞা করে: অধ্যাপক ইমতিয়াজ
গণভোট—জনগণের কণ্ঠ, নাকি আগে থেকেই লেখা উত্তরের উপর সিলমোহর? যখন এক প্রশ্নে বহু সিদ্ধান্ত গুঁজে দেওয়া হয়,
সিভাসু হলের কক্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী উপমা দত্তের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) আবাসিক হলের কক্ষ থেকে উপমা দত্ত (২১) নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত উপমা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) অনুষদের ২৬তম ব্যাচের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি মাগুরা জেলার সর্বসাংদা গ্রামে।
গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে নগরীর খুলশী থানাধীন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নিজ কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সহপাঠী সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন (বৃহস্পতিবার) সকালেও উপমা স্বাভাবিকভাবে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। বিকেলের দিকে তিনি হলের নিজ কক্ষে ফিরে যান। সন্ধ্যার পর থেকে তার কোনো সাড়া না পাওয়ায়
সহপাঠীদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পরও দরজা না খোলায় বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হয়। পরে প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় উপমাকে ঝুলতে দেখে। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ও সংশ্লিষ্টরা এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছেন। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সহপাঠীদের মতে, উপমা অত্যন্ত মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছিলেন। হঠাৎ তার এমন মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে
এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি ও ধোঁয়াশা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সহপাঠীদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। অনেকক্ষণ ডাকাডাকির পরও দরজা না খোলায় বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হয়। পরে প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় উপমাকে ঝুলতে দেখে। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ও সংশ্লিষ্টরা এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করছেন। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সহপাঠীদের মতে, উপমা অত্যন্ত মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছিলেন। হঠাৎ তার এমন মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শোকের ছায়া নেমে এসেছে
এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি ও ধোঁয়াশা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।



