ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক
আমদানি-রপ্তানি ব্যাবসার কথা উল্লেখ করে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে জনতা ব্যাংকের স্থানীয় শাখা থেকে ঋণের নামে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা ও বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বৃহস্পতিবার কমিশন এই মামলাটির অনুমোদন দিয়েছে। দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
দুদক জানায়, অভিযুক্তরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতির মাধ্যমে কথিত গ্রাহক কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডের নামে জনতা ব্যাংকের ঢাকাস্থ স্থানীয় শাখা থেকে ঋণের নামে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন।
নবসৃষ্ট প্রতিষ্ঠান এই প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের
ব্যবসা পরিচালনার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না। রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) আওতায় ঋণ হিসেবে ওই পরিমাণ টাকা মঞ্জুর করিয়েছিলেন। ব্যাংক ঋণপত্রের (এলসি) মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে মালামাল আমদানি-রপ্তানি দেখিয়ে অ্যাকমোডেশন বিল তৈরি করে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাত করা হয়। অভিযুক্তরা দণ্ডবিধির ৪০৯,৪২০,৪৬৭,৪৬৮,৪৭১,৪৭৭ (৩),১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধিত আইন, ২০১৫) এর ৪ ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। অন্য ২১ অভিযুক্ত হলেন- বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সোহেল এফ রহমান, বেক্সিমকো লিমিটেডের এমডি ওসমান কায়সার চৌধুরী ওরফে ও কে চৌধুরী, পরিচালক এ বি সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ ইকরামুল্লাহ খান, এইচ. শামসুদ্দোহা, কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডের এমডি মো.
মাহফুজুর রহমান খান, পরিচালক সৈয়দ তানবির এলাহী, ক্রিসেন্ট এক্সেসরিজের এমডি আবু নাঈম মাহমুদ সালেহিন, পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান তানভীর, সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান, সোহেল এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমান, জনতা ব্যাংকের সাবেক সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুছ ছালাম আজাদ, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল জব্বার, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুর রহিম, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক এজিএম (রপ্তানি) মোহাম্মদ শাজাহান, সাবেক ব্যবস্থাপক মো. হুমায়ুন কবির ঢালী ও ব্যাংকের স্থানীয় শাখার সাবেক ম্যানেজার শ. ম. মাহাতাব হোসাইন বাদশা।
ব্যবসা পরিচালনার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না। রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) আওতায় ঋণ হিসেবে ওই পরিমাণ টাকা মঞ্জুর করিয়েছিলেন। ব্যাংক ঋণপত্রের (এলসি) মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে মালামাল আমদানি-রপ্তানি দেখিয়ে অ্যাকমোডেশন বিল তৈরি করে ১৩৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা আত্মসাত করা হয়। অভিযুক্তরা দণ্ডবিধির ৪০৯,৪২০,৪৬৭,৪৬৮,৪৭১,৪৭৭ (৩),১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ (সংশোধিত আইন, ২০১৫) এর ৪ ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। অন্য ২১ অভিযুক্ত হলেন- বেক্সিমকো গ্রুপের চেয়ারম্যান সোহেল এফ রহমান, বেক্সিমকো লিমিটেডের এমডি ওসমান কায়সার চৌধুরী ওরফে ও কে চৌধুরী, পরিচালক এ বি সিদ্দিকুর রহমান, মাসুদ ইকরামুল্লাহ খান, এইচ. শামসুদ্দোহা, কোজি অ্যাপারেলস লিমিটেডের এমডি মো.
মাহফুজুর রহমান খান, পরিচালক সৈয়দ তানবির এলাহী, ক্রিসেন্ট এক্সেসরিজের এমডি আবু নাঈম মাহমুদ সালেহিন, পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান তানভীর, সালমান এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান, সোহেল এফ রহমানের ছেলে আহমেদ শাহরিয়ার রহমান, জনতা ব্যাংকের সাবেক সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুছ ছালাম আজাদ, সাবেক ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল জব্বার, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আব্দুর রহিম, সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক এজিএম (রপ্তানি) মোহাম্মদ শাজাহান, সাবেক ব্যবস্থাপক মো. হুমায়ুন কবির ঢালী ও ব্যাংকের স্থানীয় শাখার সাবেক ম্যানেজার শ. ম. মাহাতাব হোসাইন বাদশা।



