ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
না খেয়ে থাকা ৬ হাজার শ্রমিকের হাহাকার: কুমিল্লায় রাজপথ অবরোধে ফুঁসে উঠেছে জনতা।
ঈদুল আজহা ও আরাফাহ দিবসে আরব আমিরাতে ৬ দিন ছুটি
এনসিপি নেত্রী ডা. মিতু ও সাবেক স্বাস্থ্যে শতকোটি টাকার টেন্ডার ও নিয়োগ বাণিজ্য
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাশ
আইনজীবীদের হট্টগোলে সাংবাদিকদের উপর ক্ষোভ ঝাড়লেন বিচারক
আদালতে শিরীন শারমিন, কারাগারে আটক রাখার আবেদন
ট্রাইব্যুনালের আইনেই বিচার সম্ভব, গুম অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয়
সাবেক স্পিকার গ্রেপ্তার: আদালতে আইনজীবীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আশরাফুল ইসলাম (ফাহিম) নামে এক যুবককে হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুর মামলায় জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার দিবাগত গভীর রাতে (ভোর সাড়ে ৪টায়) ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে ডিবি পুলিশ। তবে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া, সময় এবং পরোয়ানা না থাকা নিয়ে সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনা ও আইনি প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। তবে সাবেক স্পিকারের মতো একজন উচ্চপদস্থ ব্যক্তিকে কোনো সুনির্দিষ্ট পরোয়ানা ছাড়াই গভীর রাতে কেন গ্রেপ্তার করতে হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্টজনেরা।
সমকালের সহকারী সম্পাদক সাইফুর রহমান তপন এক বিশ্লেষণে একে ‘আরবিট্রারি ডিটেনশন’ বা স্বেচ্ছাচারী আটক হিসেবে অভিহিত করেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ড. শিরীন শারমিন সেনানিবাসে নিরাপদ হেফাজতে ছিলেন বলে আইএসপিআর-এর পূর্ববর্তী বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল। সেনা জিম্মা থেকে তিনি কীভাবে ধানমন্ডির ব্যক্তিগত বাসায় এলেন, তা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি রয়েছে। ডিবি পুলিশ দাবি করেছে, তিনি বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে কড়া নিরাপত্তায় তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য বক্তব্যে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী শুনানিতে বলেন, ড. শিরীন শারমিন বিগত ফ্যাসিবাদের
অন্যতম সহযোগী এবং এই মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও নির্দেশদাতাদের শনাক্ত করতে তাকে রিমান্ডে নেওয়া জরুরি। অন্যদিকে আসামিপক্ষের বক্তব্যে ব্যারিস্টার মামুন জামিন চেয়ে যুক্তি দেন যে, ড. শিরীন শারমিন একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নারী আইনজীবী এবং তিনি নিজ থেকেই পদত্যাগ করেছিলেন। ঘটনার ১০ মাস পর দায়ের করা এই মামলায় তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রিমান্ড ও জামিন—উভয় আবেদনই নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান আদালতের আদেশ শেষে ড. শিরীন শারমিনকে যখন প্রিজন ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন সেখানে এক নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা যায়। আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত আওয়ামীপন্থি
আইনজীবীরা হঠাৎ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এ সময় তাদের ‘শিরীন শারমিন ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ বলে চিৎকার করতে দেখা যায়। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আদালত প্রাঙ্গণে এ ধরনের স্লোগান উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও আইনজীবীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে গুলিতে মো. আশরাফুল (ফাহিম) স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারান। এই ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৫ মে শেখ হাসিনা ও ড. শিরীন শারমিনসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তাদের দাবি, তৎকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের অন্যতম কুশীলব হিসেবে তার পরোক্ষ নির্দেশে এই সহিংসতা ঘটেছে। সাবেক স্পিকারের এই গ্রেপ্তার নিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন,
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনের শাসন সমুন্নত রাখা জরুরি। সমকালের সহকারী সম্পাদক সাইফুর রহমান তপনের মতে, প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে যে নতুন অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, এ ধরনের ‘স্বেচ্ছাচারী’ গ্রেপ্তার সেই আশাবাদকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। বিশেষ করে যেখানে পুলিশ জানিয়েছে তার বিরুদ্ধে থাকা ৬টি মামলার মধ্যে ৩টিতে ইতিমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়েছে। সেখানে নতুন মামলায় তাকে এভাবে গ্রেপ্তার করাকে অনেকে সন্দেহের চোখে দেখছেন। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর আইনজীবী ও সমর্থকদের দাবি, আইনকে নিজস্ব ধারায় চলতে দিয়ে এবং হয়রানিমূলক মামলা পরিহার করে সত্য উদঘাটন করা এখন রাষ্ট্রের বড় চ্যালেঞ্জ।
সমকালের সহকারী সম্পাদক সাইফুর রহমান তপন এক বিশ্লেষণে একে ‘আরবিট্রারি ডিটেনশন’ বা স্বেচ্ছাচারী আটক হিসেবে অভিহিত করেছেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ড. শিরীন শারমিন সেনানিবাসে নিরাপদ হেফাজতে ছিলেন বলে আইএসপিআর-এর পূর্ববর্তী বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল। সেনা জিম্মা থেকে তিনি কীভাবে ধানমন্ডির ব্যক্তিগত বাসায় এলেন, তা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি রয়েছে। ডিবি পুলিশ দাবি করেছে, তিনি বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে কড়া নিরাপত্তায় তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য বক্তব্যে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী শুনানিতে বলেন, ড. শিরীন শারমিন বিগত ফ্যাসিবাদের
অন্যতম সহযোগী এবং এই মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও নির্দেশদাতাদের শনাক্ত করতে তাকে রিমান্ডে নেওয়া জরুরি। অন্যদিকে আসামিপক্ষের বক্তব্যে ব্যারিস্টার মামুন জামিন চেয়ে যুক্তি দেন যে, ড. শিরীন শারমিন একজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নারী আইনজীবী এবং তিনি নিজ থেকেই পদত্যাগ করেছিলেন। ঘটনার ১০ মাস পর দায়ের করা এই মামলায় তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রিমান্ড ও জামিন—উভয় আবেদনই নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান আদালতের আদেশ শেষে ড. শিরীন শারমিনকে যখন প্রিজন ভ্যানে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন সেখানে এক নজিরবিহীন দৃশ্য দেখা যায়। আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত আওয়ামীপন্থি
আইনজীবীরা হঠাৎ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এ সময় তাদের ‘শিরীন শারমিন ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ বলে চিৎকার করতে দেখা যায়। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আদালত প্রাঙ্গণে এ ধরনের স্লোগান উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও আইনজীবীদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে গুলিতে মো. আশরাফুল (ফাহিম) স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারান। এই ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৫ মে শেখ হাসিনা ও ড. শিরীন শারমিনসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তাদের দাবি, তৎকালীন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের অন্যতম কুশীলব হিসেবে তার পরোক্ষ নির্দেশে এই সহিংসতা ঘটেছে। সাবেক স্পিকারের এই গ্রেপ্তার নিয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন,
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনের শাসন সমুন্নত রাখা জরুরি। সমকালের সহকারী সম্পাদক সাইফুর রহমান তপনের মতে, প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে যে নতুন অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, এ ধরনের ‘স্বেচ্ছাচারী’ গ্রেপ্তার সেই আশাবাদকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। বিশেষ করে যেখানে পুলিশ জানিয়েছে তার বিরুদ্ধে থাকা ৬টি মামলার মধ্যে ৩টিতে ইতিমধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়েছে। সেখানে নতুন মামলায় তাকে এভাবে গ্রেপ্তার করাকে অনেকে সন্দেহের চোখে দেখছেন। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর আইনজীবী ও সমর্থকদের দাবি, আইনকে নিজস্ব ধারায় চলতে দিয়ে এবং হয়রানিমূলক মামলা পরিহার করে সত্য উদঘাটন করা এখন রাষ্ট্রের বড় চ্যালেঞ্জ।



