ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এশিয়ান কাপের অভিষেকে শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে লড়াই করল বাংলাদেশের মেয়েরা
স্যামসনের দুর্দান্ত ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিফাইনাল ভারত
সাবেক লঙ্কান ফুটবলার পাকিরের মনে পীড়া দেয় আবাহনীর ট্রফি লুট
বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ বাদ – ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয় ভেঙে গেলো
তরুণদের জঙ্গিবাদ ও মাদকের দিকে ঠেলে দিতে ধ্বংস করা হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন
জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিল ভারত, সেমিফাইনাল নিশ্চিত দক্ষিণ আফ্রিকার
জিম্বাবুয়েকে বিদায় করে সেমির স্বপ্ন জাগাল ভারত
সাফ গেমসের প্রস্তুতির জন্য ছয় মাস
সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের ২৩-৩১ জানুয়ারি পাকিস্তানে হতে যাচ্ছে সাউথ এশিয়ান গেমস। লাহোর, ইসলামাবাদ ও ফয়সালাবাদে হবে দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিক খ্যাত এ আসর। বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের জন্য আকাঙ্ক্ষার নাম এস এ গেমস। ২০১৯ সালে নেপালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আসরে ১৯টি স্বর্ণপদক জিতেছিলেন লাল-সবুজের ক্রীড়াবিদরা।
১০ মাসের মতো বাকি গেমসের অথচ এখনও ঘুমে অনেক ফেডারেশন। দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে অনেক ফেডারেশনে বইছে স্থবিরতা। কয়েকটি ফেডারেশন ধারাবাহিক প্রস্তুতি নিলেও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করতে পারেনি। এমন অবস্থায় এখনও কর্মপরিকল্পনা গুছিয়ে আনতে পারেনি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনও।
কয়টি ডিসিপ্লিনে কতজন অ্যাথলেট অংশ নিবে তা যেমন চূড়ান্ত হয়নি, তেমনি গেমসের প্রস্তুতি এবং অংশগ্রহণের বাজেটও আলোচনাধীন। অতীতের মতো
এবারও গেমসের প্রস্তুতি ছয় মাসের মতো হবে বলে বৃহস্পতিবার কাছে নিশ্চিত করেছেন বিওএর ট্রেনিং অ্যান্ড গেমস ডেভেলপমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব এ কে সরকার। নেপালে ১৯টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার সংখ্যাটা বেড়ে ২৫ কিংবা ২৬ হতে পারে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় এস এ গেমস সামনে রেখে ইতোমধ্যে ফেডারেশনগুলোকে চিঠি দিয়েছে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। এরই ধারাবাহিকতায় ঈদের আগেই ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে বসবেন বিওএ কর্তারা। আর এপ্রিলে নির্বাহী কমিটির সভায় চূড়ান্ত হবে বাংলাদেশ কয়টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিবে। ‘গেমসের এখনও ১০ মাস আছে। আমরা সবাইকে অর্থ ভাগ করে দিয়ে দেওয়ার পর দেখলাম ওই টাকা দিয়ে ছয় মাস ট্রেনিং করা যাবে। বাকিটা তাদেরই করে নিতে হবে। আমি মনে
করি এখন থেকেই ফেডারেশনগুলোর কর্মপরিকল্পনা শুরু করে দেওয়া উচিত। এটাই আমরা আশা করি। আমরা যদি ছয় মাসের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করি, সে হিসেবে মে মাস থেকে হয়তো ক্যাম্প শুরু করা যাবে’– বলেন এ কে সরকার। তবে বিওএর চাওয়া ফেডারেশনগুলো যেন নিজ উদ্যোগে প্রস্তুতি শুরু করে। এ প্রসঙ্গে এ কে সরকার বলেন, ‘সাফ গেমস যেহেতু একটা বড় আসর, এখানে সব ফেডারেশনই খেলতে চায়। আমাদের চেষ্টা থাকবে সম্ভাবনাময় বেশির ভাগ ফেডারেশনকে পাঠানো। কিন্তু এখানে আর্থিক বিষয়টিও জড়িত। আমরা মন্ত্রণালয়ে যে বাজেট পাঠাব, সেখানে অর্থ প্রাপ্তির বিষয়টাও থাকবে। সেই প্রাপ্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের প্রস্তুতির সময় কতদিনের হবে, তা নিশ্চিত করা যাবে। এখানে আমরা
পদক পাই, সেখানে ফেডারেশনগুলোকে একটা দায়িত্ব নিতে হবে। বলতে পারেন নিজ উদ্যোগে অনুশীলন শুরু করতে পারে তারা। ফেডারেশনগুলো কেমন প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা জানতে আমরা ইতোমধ্যে চিঠি দিয়েছি।’ দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে শুটিংয়ে অচলাবস্থা। কোনো খেলা নেই। এর মধ্যে যদি অ্যাডহক কমিটি না হয়, তাহলে শুটিংয়ের প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ব্যয় বহন করবে বলে জানান এ কে সরকার, ‘আমরা ঈদের আগে ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে বসব। কারাতে তো কমিটি হয়েছে। তাদের আমরা ডাকব। শুটিংয়ে সাধারণ সম্পাদক নেই। বাকি তো কমিটি সদস্যের থাকার কথা। যদি খুব বেশি সমস্যা হয় শুটিংয়ের, তাহলে অলিম্পিক তার প্রশিক্ষণ ব্যয় বহন করবে। এর বাইরে কোনো রাস্তা নেই। কারণ
শুটিং তো আমাদের সম্ভাবনাময় ইভেন্ট।’
এবারও গেমসের প্রস্তুতি ছয় মাসের মতো হবে বলে বৃহস্পতিবার কাছে নিশ্চিত করেছেন বিওএর ট্রেনিং অ্যান্ড গেমস ডেভেলপমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব এ কে সরকার। নেপালে ১৯টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার সংখ্যাটা বেড়ে ২৫ কিংবা ২৬ হতে পারে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় এস এ গেমস সামনে রেখে ইতোমধ্যে ফেডারেশনগুলোকে চিঠি দিয়েছে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। এরই ধারাবাহিকতায় ঈদের আগেই ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে বসবেন বিওএ কর্তারা। আর এপ্রিলে নির্বাহী কমিটির সভায় চূড়ান্ত হবে বাংলাদেশ কয়টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিবে। ‘গেমসের এখনও ১০ মাস আছে। আমরা সবাইকে অর্থ ভাগ করে দিয়ে দেওয়ার পর দেখলাম ওই টাকা দিয়ে ছয় মাস ট্রেনিং করা যাবে। বাকিটা তাদেরই করে নিতে হবে। আমি মনে
করি এখন থেকেই ফেডারেশনগুলোর কর্মপরিকল্পনা শুরু করে দেওয়া উচিত। এটাই আমরা আশা করি। আমরা যদি ছয় মাসের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করি, সে হিসেবে মে মাস থেকে হয়তো ক্যাম্প শুরু করা যাবে’– বলেন এ কে সরকার। তবে বিওএর চাওয়া ফেডারেশনগুলো যেন নিজ উদ্যোগে প্রস্তুতি শুরু করে। এ প্রসঙ্গে এ কে সরকার বলেন, ‘সাফ গেমস যেহেতু একটা বড় আসর, এখানে সব ফেডারেশনই খেলতে চায়। আমাদের চেষ্টা থাকবে সম্ভাবনাময় বেশির ভাগ ফেডারেশনকে পাঠানো। কিন্তু এখানে আর্থিক বিষয়টিও জড়িত। আমরা মন্ত্রণালয়ে যে বাজেট পাঠাব, সেখানে অর্থ প্রাপ্তির বিষয়টাও থাকবে। সেই প্রাপ্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের প্রস্তুতির সময় কতদিনের হবে, তা নিশ্চিত করা যাবে। এখানে আমরা
পদক পাই, সেখানে ফেডারেশনগুলোকে একটা দায়িত্ব নিতে হবে। বলতে পারেন নিজ উদ্যোগে অনুশীলন শুরু করতে পারে তারা। ফেডারেশনগুলো কেমন প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা জানতে আমরা ইতোমধ্যে চিঠি দিয়েছি।’ দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে শুটিংয়ে অচলাবস্থা। কোনো খেলা নেই। এর মধ্যে যদি অ্যাডহক কমিটি না হয়, তাহলে শুটিংয়ের প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ব্যয় বহন করবে বলে জানান এ কে সরকার, ‘আমরা ঈদের আগে ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে বসব। কারাতে তো কমিটি হয়েছে। তাদের আমরা ডাকব। শুটিংয়ে সাধারণ সম্পাদক নেই। বাকি তো কমিটি সদস্যের থাকার কথা। যদি খুব বেশি সমস্যা হয় শুটিংয়ের, তাহলে অলিম্পিক তার প্রশিক্ষণ ব্যয় বহন করবে। এর বাইরে কোনো রাস্তা নেই। কারণ
শুটিং তো আমাদের সম্ভাবনাময় ইভেন্ট।’



