ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শাহজালাল (রহ.) মাজার ঘিরে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য, দানবাক্স খুলতেই বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
আমলাদের চাপে পিছু হটল সরকার, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা মিলবে ৫০ হাজার
বন্যার ৯ম দিনেও জলবন্দি বাঁশখালী: অপরিকল্পিত চিংড়ি ঘের ও অবৈধ বাঁধের বলি হাজারো পরিবার
বাংলাদেশকে ৫ বছরে শোধ করতে হবে ২৬ বিলিয়ন ডলার, বৈদেশিক ঋণ নিয়ে আইএমএফের বাড়তি নজর
ঢাকায় তিন মার্কিন এপিডেমিওলজিস্টের নীরব সফর: যার একজন ইউএস আর্মির সদস্য, উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: অল্প কিছু শিক্ষার্থীর এই আন্দোলনকে সরকার কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না
গোপালগঞ্জ গণহত্যা দিবস: আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার শোক ও শ্রদ্ধা
শেখ হাসিনার শেষ ৫ বছরে ১৬ হাজারের বেশি হত্যাকাণ্ড
শেখ হাসিনার শাসনামলের শেষ পাঁচ বছরে ১৬,০০০ এরও বেশি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যা প্রতিদিন গড়ে ৯ জনেরও বেশি মানুষের হত্যার ঘটনা। এছাড়াও, এই সময়ের মধ্যে প্রায় ২,৫০০ অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অপরাধ পরিসংখ্যান থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত হত্যাকাণ্ড ও অপহরণের পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনাও উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এ সময়ের মধ্যে ৯,৯৫৫টি ছিনতাইয়ের ঘটনা এবং ১,৬০০টি ডাকাতির মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের বিষয়ে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নুরুল হুদা মন্তব্য করেছেন, গত সরকারের সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারা অতিরিক্ত শক্তির ব্যবহার লক্ষ্য করা গেছে। তিনি বলেন, এটি কোনো নীতিগত
সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ নয়, বরং সরকারের গদি টিকিয়ে রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বাধীনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা অপরাধের হার বাড়িয়ে দিয়েছে। মানবাধিকার কর্মী নূর খান উল্লেখ করেছেন, পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে প্রকৃত অবস্থা আরও ভয়াবহ ছিল বলে তার ধারণা। তিনি বলেন, পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের বেশিরভাগই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্যাতন বা তথাকথিত ক্রসফায়ারের মাধ্যমে ঘটেছে। নূর খান আরও বলেছেন, এই ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে, বিগত ১৫ বছরে ঘটে যাওয়া সব ধরনের অপহরণ, নির্যাতন ও গুম-খুনের ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত। তিনি মনে করেন, যদি অন্তর্বর্তী সরকার কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়, তাহলে সামাজিক অপরাধের হারও কমে আসবে। এই ভয়াবহ অপরাধের পরিসংখ্যান দেশের আইনশৃঙ্খলা এবং
বিচার ব্যবস্থা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠিয়েছে, যা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে।
সিদ্ধান্তের ফলস্বরূপ নয়, বরং সরকারের গদি টিকিয়ে রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বাধীনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা অপরাধের হার বাড়িয়ে দিয়েছে। মানবাধিকার কর্মী নূর খান উল্লেখ করেছেন, পুলিশের দেওয়া পরিসংখ্যান থেকে প্রকৃত অবস্থা আরও ভয়াবহ ছিল বলে তার ধারণা। তিনি বলেন, পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডের বেশিরভাগই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্যাতন বা তথাকথিত ক্রসফায়ারের মাধ্যমে ঘটেছে। নূর খান আরও বলেছেন, এই ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে, বিগত ১৫ বছরে ঘটে যাওয়া সব ধরনের অপহরণ, নির্যাতন ও গুম-খুনের ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত। তিনি মনে করেন, যদি অন্তর্বর্তী সরকার কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়, তাহলে সামাজিক অপরাধের হারও কমে আসবে। এই ভয়াবহ অপরাধের পরিসংখ্যান দেশের আইনশৃঙ্খলা এবং
বিচার ব্যবস্থা নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠিয়েছে, যা দ্রুত সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে।



