ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গোপালগঞ্জের সন্তান- হেমায়েত বাহিনীর ক্যাপ্টেন হেমায়েত বীর বিক্রম, যাঁর নামে কলজে শুকিয়ে যেত পাকিস্তানিদের
ঈদে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরানো নিয়েও ইউনুসের ছলচাতুরী
বাংলার মাটি ও মানুষের প্রতি মমতায় গড়া এক নেতৃত্বের নাম শেখ মুজিব
স্কুলে এসে শিশুরা যেন পাঠ্যপুস্তকে বৈষম্য না দেখে—এই অবদান শেখ হাসিনার একান্ত
‘ইউনূসকে ঠিকই চিনেছিলেন শেখ হাসিনা’, কারামুক্ত হয়ে আনিস আলমগীর
ইতিহাস থেকে রাষ্ট্র বিনির্মাণ: দেশবন্ধু থেকে বঙ্গবন্ধু
কামরুল হাসান বেঁচে থাকলে ড. ইউনূসকে ‘বিশ্ব বাটপার’ উপাধি দিতেন: আনিস আলমগীর
শেখ হাসিনার ডেল্টা প্লানকে তারেক রহমান চালাচ্ছেন খালকাটা কর্মসূচি হিসেবে
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘খালকাটা কর্মসূচি’র আদলে দেশব্যাপী নতুন করে কর্মসূচি শুরু করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে রাজনৈতিক ও জনমহলে একটি বড় প্রশ্ন উঠেছে, এই কর্মসূচি কি আসলেই জিয়ার আদর্শের বাস্তবায়ন, নাকি বিগত ১৫ বছরে শেখ হাসিনা সরকারের নেওয়া ব্যাপক খাল ও নদী খনন প্রকল্পের ( ৬৪ জেলায় খাল খনন বা ডেল্টা প্ল্যান ২১০০) একটি রাজনৈতিক অনুকরণ? শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কয়েক হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছিল। তারেক রহমান এখন যখন সেই একই কাজ নতুন রূপে শুরু করেছেন, তখন প্রশ্ন উঠছে এটি কি রাজনৈতিক কৌশলের অংশ, নাকি উন্নয়ন ধারাবাহিকতার রূপান্তরের চেষ্টা?
কিন্তু ঝালকাঠিতে এই নতুন কর্মসূচির শুরুতেই সাতটি
খাল খননে যে ভয়াবহ অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে, তা তারেক রহমানের এই জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির ভবিষ্যৎকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে। ৫ই আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতিতে সারা দেশে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের যে অনিয়ন্ত্রিত ও দখলদার আচরণ দেখা গেছে, তার ধারাবাহিকতায় সাধারণ মানুষ আশঙ্কা করছেন, তারেক রহমান যে খাল কাটছেন, সেই খালেই হয়তো ‘কুমির’ হয়ে দাপিয়ে বেড়াবেন তার দলের প্রভাবশালী নেতাকর্মীরা। জনকল্যাণের বদলে এই কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত নেতাদের ‘ভাগ-বাটোয়ারা’র হাতিয়ারে পরিণত হয় কি না, তা নিয়ে জনমনে তীব্র সংশয় দেখা দিয়েছে। ঝালকাঠি পৌর এলাকায় সাতটি খাল খননের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না করে উল্টো পৌরসভার ওপর অনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টির অভিযোগে ‘আজমির
বিল্ডার্স লি.’ নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) টি.এম. রেজাউল হক রিজভী জানান, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে সাতটি খাল খননের কাজ দেওয়া হলেও ঠিকাদার ছয়টি খালের কাজ আংশিক করে ফেলে রেখেছে। একটি খালের কাজ শুরুই হয়নি। বারবার তাগাদা দিলেও কোনো কাজ হয়নি, যার ফলে এলাকায় জলাবদ্ধতা ও ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ছে। নোটিশে বলা হয়েছে, ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার এই প্রকল্পের বিপরীতে ঠিকাদার ইতিমধ্যে ৫২ লাখ ৭১ হাজার টাকা তুলে নিয়েছেন। অথচ কাজ শেষ না করেই তিনি চূড়ান্ত বিলের জন্য এবং পূর্ববর্তী কাজের অনুমোদনের জন্য বিভিন্ন ‘প্রভাবশালী মহল’-এর মাধ্যমে পৌরসভাকে চাপ দিচ্ছেন এবং প্রকৌশলীদের হুমকি
প্রদান করছেন। এই ‘প্রভাবশালী মহল’ আসলে কারা—তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তুমুল কানাঘুষা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে নতুন ‘কুমির’রা এখন এসব উন্নয়ন প্রকল্পে হানা দিচ্ছে। গুগল এবং উন্নয়ন রেকর্ড যাচাই করলে দেখা যায়, শেখ হাসিনার আমলে দেশব্যাপী নদী ও খাল খননে বিশাল বাজেট বরাদ্দ ছিল। বিশেষ করে ‘৬৪ জেলায় ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পুনর্খনন’ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশজুড়ে ব্যাপক কাজ হয়েছিল। তারেক রহমান যখন এই কর্মসূচি নতুন করে শুরু করেছেন, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল এখানে স্বচ্ছতা ও নতুন মাত্রা থাকবে। কিন্তু ঝালকাঠির ঘটনা বলছে ভিন্ন কথা। ঠিকাদার মো. সরোয়ার হোসেন এই নোটিশকে অযৌক্তিক দাবি করলেও পৌর
কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থানে অনড়। প্রকৌশলী রিজভী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৩ দিনের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে ঠিকাদারি লাইসেন্স বাতিল ও জামানত বাজেয়াপ্ত করার সুপারিশ করা হবে। তারেক রহমান যে মহৎ উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচি শুরু করুন না কেন, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে এটি শেখ হাসিনার আমলের দুর্নীতির চেয়েও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ঝালকাঠির এই উদাহরণ যেন তারই আগাম সতর্কবার্তা। বিএনপি যদি দখলদারিত্ব, প্রভাব খাটানো ও অনিয়ম বন্ধ করতে না পারে, তবে এই খালকাটা কর্মসূচি জনকল্যাণের বদলে দলীয় নেতাদের ব্যক্তিগত আখের গোছানোর আরেকটি ‘আশ্চর্য প্রদীপে’ পরিণত হবে।
খাল খননে যে ভয়াবহ অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে, তা তারেক রহমানের এই জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির ভবিষ্যৎকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে। ৫ই আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতিতে সারা দেশে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের যে অনিয়ন্ত্রিত ও দখলদার আচরণ দেখা গেছে, তার ধারাবাহিকতায় সাধারণ মানুষ আশঙ্কা করছেন, তারেক রহমান যে খাল কাটছেন, সেই খালেই হয়তো ‘কুমির’ হয়ে দাপিয়ে বেড়াবেন তার দলের প্রভাবশালী নেতাকর্মীরা। জনকল্যাণের বদলে এই কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত নেতাদের ‘ভাগ-বাটোয়ারা’র হাতিয়ারে পরিণত হয় কি না, তা নিয়ে জনমনে তীব্র সংশয় দেখা দিয়েছে। ঝালকাঠি পৌর এলাকায় সাতটি খাল খননের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না করে উল্টো পৌরসভার ওপর অনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টির অভিযোগে ‘আজমির
বিল্ডার্স লি.’ নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর (শো-কজ) নোটিশ দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) টি.এম. রেজাউল হক রিজভী জানান, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে সাতটি খাল খননের কাজ দেওয়া হলেও ঠিকাদার ছয়টি খালের কাজ আংশিক করে ফেলে রেখেছে। একটি খালের কাজ শুরুই হয়নি। বারবার তাগাদা দিলেও কোনো কাজ হয়নি, যার ফলে এলাকায় জলাবদ্ধতা ও ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ছে। নোটিশে বলা হয়েছে, ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার এই প্রকল্পের বিপরীতে ঠিকাদার ইতিমধ্যে ৫২ লাখ ৭১ হাজার টাকা তুলে নিয়েছেন। অথচ কাজ শেষ না করেই তিনি চূড়ান্ত বিলের জন্য এবং পূর্ববর্তী কাজের অনুমোদনের জন্য বিভিন্ন ‘প্রভাবশালী মহল’-এর মাধ্যমে পৌরসভাকে চাপ দিচ্ছেন এবং প্রকৌশলীদের হুমকি
প্রদান করছেন। এই ‘প্রভাবশালী মহল’ আসলে কারা—তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তুমুল কানাঘুষা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে নতুন ‘কুমির’রা এখন এসব উন্নয়ন প্রকল্পে হানা দিচ্ছে। গুগল এবং উন্নয়ন রেকর্ড যাচাই করলে দেখা যায়, শেখ হাসিনার আমলে দেশব্যাপী নদী ও খাল খননে বিশাল বাজেট বরাদ্দ ছিল। বিশেষ করে ‘৬৪ জেলায় ছোট নদী, খাল ও জলাশয় পুনর্খনন’ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশজুড়ে ব্যাপক কাজ হয়েছিল। তারেক রহমান যখন এই কর্মসূচি নতুন করে শুরু করেছেন, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল এখানে স্বচ্ছতা ও নতুন মাত্রা থাকবে। কিন্তু ঝালকাঠির ঘটনা বলছে ভিন্ন কথা। ঠিকাদার মো. সরোয়ার হোসেন এই নোটিশকে অযৌক্তিক দাবি করলেও পৌর
কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থানে অনড়। প্রকৌশলী রিজভী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৩ দিনের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে ঠিকাদারি লাইসেন্স বাতিল ও জামানত বাজেয়াপ্ত করার সুপারিশ করা হবে। তারেক রহমান যে মহৎ উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচি শুরু করুন না কেন, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে এটি শেখ হাসিনার আমলের দুর্নীতির চেয়েও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। ঝালকাঠির এই উদাহরণ যেন তারই আগাম সতর্কবার্তা। বিএনপি যদি দখলদারিত্ব, প্রভাব খাটানো ও অনিয়ম বন্ধ করতে না পারে, তবে এই খালকাটা কর্মসূচি জনকল্যাণের বদলে দলীয় নেতাদের ব্যক্তিগত আখের গোছানোর আরেকটি ‘আশ্চর্য প্রদীপে’ পরিণত হবে।



