শুল্কের অর্থে ঘাটতি সামলাতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ আগস্ট, ২০২৫
     ৪:৪৮ অপরাহ্ণ

শুল্কের অর্থে ঘাটতি সামলাতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ আগস্ট, ২০২৫ | ৪:৪৮ 82 ভিউ
হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয় মেয়াদে ফেরার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থাকে একের পর এক ধাক্কা দিয়ে যাচ্ছেন। গত বৃহস্পতিবার নতুন নির্বাহী আদেশে ৯২টির বেশি দেশের ওপর নতুন পাল্টা শুল্কহার ঘোষণা করেন ট্রাম্প। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেগুলো আগামী সাত দিনের মধ্যে কার্যকর হবে। ট্রাম্প যে শুল্ক বসিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত তা দিতে হবে মার্কিন কোম্পানিগুলোকেই, যারা বিভিন্ন পণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের অর্থনীতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ সিদ্ধান্তের প্রভাব এক রকম হবে না। রাজস্ব আয় বাড়বে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট ল্যাবের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ জুলাই আমদানি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত গড় কার্যকর শুল্ক দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ২ শতাংশে, ১৯৩৪ সালের

পর যা সর্বোচ্চ। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে ২০২৪ সালে এই গড় কার্যকর শুল্ক ছিল মাত্র ২ দশমিক ৪ শতাংশ। এই বাড়তি শুল্কের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব আয় ব্যাপক পরিমাণ বাড়বে। বাণিজ্য ঘাটতি বাড়ছেই ট্রাম্পের হিসাবে, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতিই প্রমাণ করে বিভিন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ফায়দা নিচ্ছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রে বেশি পণ্য বিক্রি করছে, কিনছে কম। তাঁর শুল্ক আরোপের একটি যুক্তি হলো, এই ভারসাম্যহীনতা দূর করা। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, হুট করে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানির পরিমাণ বেড়ে গেছে। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি তো কমেইনি, উল্টো বেড়েছে। বেশির ভাগ অর্থনীতিবিদই বলছেন, দীর্ঘ মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনতে ট্রাম্প প্রশাসনকে হিমশিম খেতেই হবে। রপ্তানি কমাচ্ছে চীন ট্রাম্প বিশ্বের দ্বিতীয়

বৃহত্তম অর্থনীতি চীনের ওপরও শাস্তিমূলক শুল্ক চাপিয়েছেন। এক পর্যায়ে এই শুল্ক পৌঁছে গিয়েছিল ১৪৫ শতাংশে। এখন ৩০ শতাংশে নামলেও যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যে যে বৈরিতা, তাতে এর প্রভাবও কম নয়। ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্রে টাকার অঙ্কে চীনের রপ্তানি কমেছে প্রায় ১১ শতাংশ। অন্যদের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় অনেক দেশ পাল্টা শুল্ক বাড়ানোর পরিবর্তে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের পথে হাঁটছে। যুক্তরাজ্য ও ভারত নিজেদের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করেছে, যা নিয়ে তাদের মধ্যে তিন বছর ধরে আলোচনা চলছিল। ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন (ইএফটিএ) নামে পরিচিত জোটভুক্ত দেশ নরওয়ে, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড ও লিখটেনস্টেইন মার্কোসুর নামে পরিচিত

লাতিন আমেরিকার অনেক দেশের একটি জোটের সঙ্গেও নতুন বাণিজ্যিক চুক্তি করে ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ছে পণ্যের দাম অর্থনীতিবিদরা আগেই সতর্ক করেছিলেন, ট্রাম্পের শুল্কের কারণে আমদানির খরচ বেড়ে যাবে, যা প্রকারান্তরে পণ্যের দাম বাড়াবে। তুলনামূলকভাবে জানুয়ারিতে বেশি ছিল, ৩ শতাংশ। সর্বশেষ সরকারি তথ্যে পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার লক্ষণ দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। এর মানে হলো, ট্রাম্পের শুল্কের ধাক্কা মার্কিন বাজারে পড়তে শুরু করেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া জেলখানার মাইকে ভেসে এল বাবা হওয়ার সংবাদ: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কারাজীবনের নির্মম আখ্যান পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি ‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন একাত্তর থেকে আবার৭১ কেমন আছে বাংলাদেশ? নির্বাচন বৈধতা দিতে এক ব্যক্তির সাইনবোর্ডসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠান ‘পাশা’, একাই সাপ্লাই দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক! উপদেষ্টা আদিলুর ও শিক্ষা উপদেষ্টা আবরারের পারিবারিক বলয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষক তালিকা গণভোট নয়, এটা সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন হাজার হাজার প্রোফাইল ছবিতে একটাই কথা—“নো বোট, নো ভোট।” ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া আইনের শাসনের নির্লজ্জ চিত্র: ভুয়া মামলা ও আতঙ্কে বন্দী বাংলাদেশ বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন ও গণভোট বর্জনের আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা ইউনূস সাহেব ঈদ করবেন কোথায়! Plebiscite or Refounding? The Constitutional Limits of the Referendum in Bangladesh Former Bangladeshi Minister Ramesh Chandra Sen Dies in Custody