ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মব সন্ত্রাসের মহোৎসবে জুলাই দাঙ্গার ফসল ঘরে তুলছে বাংলাদেশ
নির্বাচনী কারসাজির নয়া কায়দা : ইউনুসের পঞ্চান্ন হাজার ভুয়া পর্যবেক্ষক
প্রবাসীদের ভোটাধিকার নাকি জামায়াতের ভোটব্যাংক সাজানোর খেলা?
নির্বাচনে ৯৫ শতাংশ প্রবাসী সাড়া দেননি, কারাগারে ৯৩ শতাংশ
গণভোট নয়, সংবিধান ভাঙার নীলনকশা
ভোটের আগে অরক্ষিত সীমান্ত: ‘জিরো টলারেন্স’-এর বুলিতে ঢাকা পড়ছে অস্ত্রের ঝনঝনানি
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
শাহরিয়ার কবিরের প্রতি ‘অমানবিক আচরণ’ ও বিচারহীনতা: অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য ‘কলঙ্কজনক অধ্যায়’
বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও বিচার ব্যবস্থার চরম অবনতির চিত্র তুলে ধরে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন অ্যান্ড হিউম্যান সিকিউরিটি। আজ এক বিবৃতিতে সংস্থাটি প্রবীণ সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী শাহরিয়ার কবিরের আটকাদেশকে ‘মৌলিক অধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন’ এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটি ‘কলঙ্কজনক অধ্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
বিবৃতিতে শাহরিয়ার কবিরের গ্রেপ্তার ও পরবর্তী আচরণের মধ্য দিয়ে বর্তমান প্রশাসনের অধীনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে।
প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ মধ্যরাতে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা পরোয়ানা ছাড়াই ৭৫ বছর বয়সী শাহরিয়ার কবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় এবং পরবর্তী রিমান্ডে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের
বাধ্যতামূলক নির্দেশনাগুলো সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে ২০১৩ সালের হেফাজত ইসলাম সংক্রান্ত একটি হত্যা মামলায় জড়ানো হয়, অথচ ওই ঘটনার সময় তিনি কোনো সরকারি পদে ছিলেন না এবং তার কোনো সংশ্লিষ্টতাও ছিল না। লেমকিন ইনস্টিটিউট আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে। শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হওয়া সত্ত্বেও শাহরিয়ার কবিরের প্রতি কর্তৃপক্ষের আচরণকে ‘ন্যূনতম মানবিক মানদণ্ড বিবর্জিত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী এবং একাধিক জটিল রোগে আক্রান্ত এই প্রবীণ ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। আদালত চত্বরে তাকে হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরিয়ে হাতকড়া অবস্থায় হাজির করা হলেও,
জনরোষ ও মৌখিক অপমান থেকে রক্ষায় পুলিশ ছিল নির্লিপ্ত। এমনকি তাকে আদালতে বসার সুযোগ না দেওয়া এবং লিফট ব্যবহারে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনাকেও কর্তৃপক্ষের ‘বিদ্বেষপরায়ণ আচরণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, শাহরিয়ার কবিরের আটকাদেশ কোনো অপরাধের জন্য নয়, বরং তার ধর্মনিরপেক্ষ মতাদর্শ এবং জামায়াতে ইসলামীর বিরোধিতার কারণেই তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। জামিন শুনানিতে প্রসিকিউশন কর্তৃক তার পুরোনো টেলিভিশন বিতর্কের প্রসঙ্গ তোলাই প্রমাণ করে যে, এই আটকাদেশ সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপও এই আটকাদেশকে ‘স্বেচ্ছাচারী’ (Arbitrary) হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। লেমকিন ইনস্টিটিউট সাফ জানিয়েছে, নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের তত্ত্বাবধানে এ ধরনের বিচারহীনতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন চলতে পারে না। তারা
অবিলম্বে শাহরিয়ার কবিরের মুক্তি দাবি করে বলেছে, ভিন্নমত দমনে ফৌজদারি আইনের এমন অপব্যবহার বাংলাদেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের অস্তিত্বকেই সংকটে ফেলেছে। সরকারের এই ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বাধ্যতামূলক নির্দেশনাগুলো সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে ২০১৩ সালের হেফাজত ইসলাম সংক্রান্ত একটি হত্যা মামলায় জড়ানো হয়, অথচ ওই ঘটনার সময় তিনি কোনো সরকারি পদে ছিলেন না এবং তার কোনো সংশ্লিষ্টতাও ছিল না। লেমকিন ইনস্টিটিউট আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে। শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হওয়া সত্ত্বেও শাহরিয়ার কবিরের প্রতি কর্তৃপক্ষের আচরণকে ‘ন্যূনতম মানবিক মানদণ্ড বিবর্জিত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী এবং একাধিক জটিল রোগে আক্রান্ত এই প্রবীণ ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। আদালত চত্বরে তাকে হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরিয়ে হাতকড়া অবস্থায় হাজির করা হলেও,
জনরোষ ও মৌখিক অপমান থেকে রক্ষায় পুলিশ ছিল নির্লিপ্ত। এমনকি তাকে আদালতে বসার সুযোগ না দেওয়া এবং লিফট ব্যবহারে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনাকেও কর্তৃপক্ষের ‘বিদ্বেষপরায়ণ আচরণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, শাহরিয়ার কবিরের আটকাদেশ কোনো অপরাধের জন্য নয়, বরং তার ধর্মনিরপেক্ষ মতাদর্শ এবং জামায়াতে ইসলামীর বিরোধিতার কারণেই তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। জামিন শুনানিতে প্রসিকিউশন কর্তৃক তার পুরোনো টেলিভিশন বিতর্কের প্রসঙ্গ তোলাই প্রমাণ করে যে, এই আটকাদেশ সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপও এই আটকাদেশকে ‘স্বেচ্ছাচারী’ (Arbitrary) হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। লেমকিন ইনস্টিটিউট সাফ জানিয়েছে, নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের তত্ত্বাবধানে এ ধরনের বিচারহীনতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন চলতে পারে না। তারা
অবিলম্বে শাহরিয়ার কবিরের মুক্তি দাবি করে বলেছে, ভিন্নমত দমনে ফৌজদারি আইনের এমন অপব্যবহার বাংলাদেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের অস্তিত্বকেই সংকটে ফেলেছে। সরকারের এই ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।



