শাহরিয়ার কবিরের প্রতি ‘অমানবিক আচরণ’ ও বিচারহীনতা: অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য ‘কলঙ্কজনক অধ্যায়’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১২ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৭:৩১ পূর্বাহ্ণ

শাহরিয়ার কবিরের প্রতি ‘অমানবিক আচরণ’ ও বিচারহীনতা: অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য ‘কলঙ্কজনক অধ্যায়’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৭:৩১ 12 ভিউ
বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও বিচার ব্যবস্থার চরম অবনতির চিত্র তুলে ধরে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন অ্যান্ড হিউম্যান সিকিউরিটি। আজ এক বিবৃতিতে সংস্থাটি প্রবীণ সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী শাহরিয়ার কবিরের আটকাদেশকে ‘মৌলিক অধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন’ এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটি ‘কলঙ্কজনক অধ্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেছে। বিবৃতিতে শাহরিয়ার কবিরের গ্রেপ্তার ও পরবর্তী আচরণের মধ্য দিয়ে বর্তমান প্রশাসনের অধীনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ মধ্যরাতে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা পরোয়ানা ছাড়াই ৭৫ বছর বয়সী শাহরিয়ার কবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় এবং পরবর্তী রিমান্ডে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

বাধ্যতামূলক নির্দেশনাগুলো সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে ২০১৩ সালের হেফাজত ইসলাম সংক্রান্ত একটি হত্যা মামলায় জড়ানো হয়, অথচ ওই ঘটনার সময় তিনি কোনো সরকারি পদে ছিলেন না এবং তার কোনো সংশ্লিষ্টতাও ছিল না। লেমকিন ইনস্টিটিউট আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে। শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হওয়া সত্ত্বেও শাহরিয়ার কবিরের প্রতি কর্তৃপক্ষের আচরণকে ‘ন্যূনতম মানবিক মানদণ্ড বিবর্জিত’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী এবং একাধিক জটিল রোগে আক্রান্ত এই প্রবীণ ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। আদালত চত্বরে তাকে হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ ভেস্ট পরিয়ে হাতকড়া অবস্থায় হাজির করা হলেও,

জনরোষ ও মৌখিক অপমান থেকে রক্ষায় পুলিশ ছিল নির্লিপ্ত। এমনকি তাকে আদালতে বসার সুযোগ না দেওয়া এবং লিফট ব্যবহারে বাধা দেওয়ার মতো ঘটনাকেও কর্তৃপক্ষের ‘বিদ্বেষপরায়ণ আচরণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিবৃতিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, শাহরিয়ার কবিরের আটকাদেশ কোনো অপরাধের জন্য নয়, বরং তার ধর্মনিরপেক্ষ মতাদর্শ এবং জামায়াতে ইসলামীর বিরোধিতার কারণেই তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। জামিন শুনানিতে প্রসিকিউশন কর্তৃক তার পুরোনো টেলিভিশন বিতর্কের প্রসঙ্গ তোলাই প্রমাণ করে যে, এই আটকাদেশ সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপও এই আটকাদেশকে ‘স্বেচ্ছাচারী’ (Arbitrary) হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। লেমকিন ইনস্টিটিউট সাফ জানিয়েছে, নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের তত্ত্বাবধানে এ ধরনের বিচারহীনতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন চলতে পারে না। তারা

অবিলম্বে শাহরিয়ার কবিরের মুক্তি দাবি করে বলেছে, ভিন্নমত দমনে ফৌজদারি আইনের এমন অপব্যবহার বাংলাদেশে আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের অস্তিত্বকেই সংকটে ফেলেছে। সরকারের এই ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
অস্ত্র আছে, যুদ্ধ নেই—কর্মহীন বাহিনী, সীমাহীন ক্ষমতা বাংলাদেশের সেনা-রাজনীতির বাস্তবতা মুনাফার নামে মহাধোঁকা: ঋণের গর্তে বিমান ও বন্দর গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা লোপাট ফার্স্ট হয়েও নিয়োগ পেলেন না শিবাশ্রী, তৃতীয় হয়েও শিক্ষক হলেন ভিসির মেয়ে! জামায়াত নেতার ‘সুপারিশে’ গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতার স্ত্রী! থানায় কথা বলতে গিয়েই হাতে হাতকড়া ‘স্বৈরাচার’ তকমা মানতে নারাজ; শেখ হাসিনার পক্ষে আবেগঘন বক্তব্য এক ব্যক্তির শাহরিয়ার কবিরের প্রতি ‘অমানবিক আচরণ’ ও বিচারহীনতা: অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য ‘কলঙ্কজনক অধ্যায়’ আওয়ামী লীগ আমলেই ভালো ছিলাম”: চাল ও গ্যাসের আকাশচুম্বী দামে সাধারণ মানুষের আক্ষেপ ১৬ বছরের উন্নয়ন আগামী ৫০ বছরেও কেউ করতে পারবে না বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ‘আওয়ামী লীগের আমলেই ভালো ছিলাম, এখন কথা বললেই দোসর’—বিক্ষুব্ধ জনতার আক্ষেপ সেনা ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করেছে, স্বাধীনতার চেতনা রক্ষার সময় এসেছে ফসলি জমি কেটে খাল খনন পরিবারসহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পালানোর গুঞ্জন, বিক্ষোভে নতুন মাত্রা বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ইসরায়েলে হাই অ্যালার্ট জারি খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা জানাল ইরানি দূতাবাস টেকনাফে শিশু গুলিবিদ্ধ, সশস্ত্র গ্রুপের ৫০ সদস্য আটক এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি : রুমিন ফারহানা গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে দ্বিতীয় পর্বের ভোট চলছে যেভাবেই হোক, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্র দখল করবেই : ট্রাম্প