ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অস্ত্র আছে, যুদ্ধ নেই—কর্মহীন বাহিনী, সীমাহীন ক্ষমতা বাংলাদেশের সেনা-রাজনীতির বাস্তবতা
শাহরিয়ার কবিরের প্রতি ‘অমানবিক আচরণ’ ও বিচারহীনতা: অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য ‘কলঙ্কজনক অধ্যায়’
আওয়ামী লীগ আমলেই ভালো ছিলাম”: চাল ও গ্যাসের আকাশচুম্বী দামে সাধারণ মানুষের আক্ষেপ
১৬ বছরের উন্নয়ন আগামী ৫০ বছরেও কেউ করতে পারবে না
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
‘আওয়ামী লীগের আমলেই ভালো ছিলাম, এখন কথা বললেই দোসর’—বিক্ষুব্ধ জনতার আক্ষেপ
সেনা ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করেছে, স্বাধীনতার চেতনা রক্ষার সময় এসেছে
মুনাফার নামে মহাধোঁকা: ঋণের গর্তে বিমান ও বন্দর
কাগজে-কলমে ‘রেকর্ড’ আয় আর মুনাফার পরিসংখ্যান দেখিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে সরকার যখন আত্মতুষ্টির ঢেকুর তুলছে, তখন এর ভেতরের চিত্রটি আসলে আঁতকে ওঠার মতো। তথাকথিত এই সাফল্যের আড়ালে চাপা দেওয়া হচ্ছে ঋণের পাহাড়, ধামাচাপা দেওয়া হচ্ছে স্থবির প্রবৃদ্ধি এবং বিদেশিদের হাতে জাতীয় সম্পদ তুলে দেওয়ার মতো আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান প্রশাসনের এই ‘উন্নয়ন’ মূলত শুভঙ্করের ফাঁকি, যা দেশের অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদী ঋণের ফাঁদে ফেলছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১১,৫৫৯ কোটি টাকা আয় এবং ৭৮৫ কোটি টাকা নিট মুনাফা দেখিয়েছে। কিন্তু এই হিসাবের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই বড় প্রশ্ন উঠেছে। গত এক বছরে বিমানে যাত্রী বেড়েছে মাত্র ১ শতাংশ, যা কার্যত স্থবিরতা। যাত্রী
না বাড়লে বা ব্যবসা সম্প্রসারিত না হলে মুনাফা আকাশচুম্বী হয় কী করে? অর্থনীতিবিদদের মতে, এই মুনাফা কোনো ব্যবসায়িক দক্ষতায় আসেনি। বরং ঋণের সুদ পরিশোধের তথ্য গোপন করে এবং হিসাবের মারপ্যাঁচ কষে এই ‘কাগুজে মুনাফা’ দেখানো হচ্ছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, বর্তমান সরকার নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য অবকাঠামো তৈরি না করেই বিগত সরকারের কেনা উড়োজাহাজ ও ফ্লিট ব্যবহার করে এই বাহবা নিচ্ছে। অথচ ঋণের দায় এবং ভবিষ্যৎ শোধের পরিকল্পনা নিয়ে তারা রহস্যজনকভাবে নীরব। সবচেয়ে বড় অসঙ্গতি দেখা গেছে চট্টগ্রাম বন্দরের ক্ষেত্রে। বন্দর কর্তৃপক্ষ গত বছর ৫,৪৬০ কোটি টাকা আয় করেছে, প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ৭ শতাংশের বেশি। যে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে সরকারি কোষাগারে হাজার কোটি টাকা
জোগান দিচ্ছে এবং নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আছে, তাকে কেন বিদেশি অপারেটরদের হাতে তুলে দেওয়া হলো? এই সিদ্ধান্তকে ‘দেশবিরোধী’ ও ‘অস্বচ্ছ’ বলে অভিহিত করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, একটি লাভজনক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে বিদেশিদের হাতে ইজারা দেওয়া মানে দেশের রাজস্ব আয়ের একটি বড় উৎসকে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়া। সরকারের এই নীতিকে তারা ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁস’ জবাই করার সঙ্গে তুলনা করেছেন। নতুন করে ১৪টি বোয়িং কেনার যে পরিকল্পনা করা হচ্ছে, তা দেশের এভিয়েশন খাতের প্রয়োজনে নয়, বরং রিজার্ভের দুর্বলতা ঢাকার কৌশল মাত্র। ডলার ঋণের মাধ্যমে এই বিমানগুলো কেনা হবে, যাতে সেই ঋণের ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকের খাতায় যোগ করে রিজার্ভ ‘শক্তিশালী’ দেখানো যায়। অর্থনীতিবিদরা একে বলছেন
‘উইন্ডো ড্রেসিং’ বা প্রতারণামূলক সাজসজ্জা। বাজার থেকে ডলার ধার করে এবং নতুন ঋণের বোঝা চাপিয়ে কৃত্রিমভাবে রিজার্ভ বাড়ানোর এই চেষ্টা দেশের অর্থনীতিকে দেউলিয়াত্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই ঋণের বোঝা ও সুদ শেষ পর্যন্ত সাধারণ জনগণকেই বহন করতে হবে। পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমান সরকারের দৃশ্যমান এই সাফল্য মূলত মিথ্যা তথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে। একদিকে লাভজনক বন্দর অন্যের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে ঋণের টাকায় কেনা বিমানে মুনাফার নাটক সাজানো হচ্ছে। পুরনো সরকারের রেখে যাওয়া সম্পদের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান প্রশাসন যে ‘সাফল্যের গল্প’ শোনাচ্ছে, তার চরম মূল্য চোকাতে হবে আগামী প্রজন্মকে। ঋণের এই নীরব বোঝা এবং ভুল নীতির মাশুল ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে
পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
না বাড়লে বা ব্যবসা সম্প্রসারিত না হলে মুনাফা আকাশচুম্বী হয় কী করে? অর্থনীতিবিদদের মতে, এই মুনাফা কোনো ব্যবসায়িক দক্ষতায় আসেনি। বরং ঋণের সুদ পরিশোধের তথ্য গোপন করে এবং হিসাবের মারপ্যাঁচ কষে এই ‘কাগুজে মুনাফা’ দেখানো হচ্ছে। আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, বর্তমান সরকার নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য অবকাঠামো তৈরি না করেই বিগত সরকারের কেনা উড়োজাহাজ ও ফ্লিট ব্যবহার করে এই বাহবা নিচ্ছে। অথচ ঋণের দায় এবং ভবিষ্যৎ শোধের পরিকল্পনা নিয়ে তারা রহস্যজনকভাবে নীরব। সবচেয়ে বড় অসঙ্গতি দেখা গেছে চট্টগ্রাম বন্দরের ক্ষেত্রে। বন্দর কর্তৃপক্ষ গত বছর ৫,৪৬০ কোটি টাকা আয় করেছে, প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ৭ শতাংশের বেশি। যে প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিতভাবে সরকারি কোষাগারে হাজার কোটি টাকা
জোগান দিচ্ছে এবং নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আছে, তাকে কেন বিদেশি অপারেটরদের হাতে তুলে দেওয়া হলো? এই সিদ্ধান্তকে ‘দেশবিরোধী’ ও ‘অস্বচ্ছ’ বলে অভিহিত করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, একটি লাভজনক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে বিদেশিদের হাতে ইজারা দেওয়া মানে দেশের রাজস্ব আয়ের একটি বড় উৎসকে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়া। সরকারের এই নীতিকে তারা ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁস’ জবাই করার সঙ্গে তুলনা করেছেন। নতুন করে ১৪টি বোয়িং কেনার যে পরিকল্পনা করা হচ্ছে, তা দেশের এভিয়েশন খাতের প্রয়োজনে নয়, বরং রিজার্ভের দুর্বলতা ঢাকার কৌশল মাত্র। ডলার ঋণের মাধ্যমে এই বিমানগুলো কেনা হবে, যাতে সেই ঋণের ডলার বাংলাদেশ ব্যাংকের খাতায় যোগ করে রিজার্ভ ‘শক্তিশালী’ দেখানো যায়। অর্থনীতিবিদরা একে বলছেন
‘উইন্ডো ড্রেসিং’ বা প্রতারণামূলক সাজসজ্জা। বাজার থেকে ডলার ধার করে এবং নতুন ঋণের বোঝা চাপিয়ে কৃত্রিমভাবে রিজার্ভ বাড়ানোর এই চেষ্টা দেশের অর্থনীতিকে দেউলিয়াত্বের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই ঋণের বোঝা ও সুদ শেষ পর্যন্ত সাধারণ জনগণকেই বহন করতে হবে। পরিসংখ্যান বলছে, বর্তমান সরকারের দৃশ্যমান এই সাফল্য মূলত মিথ্যা তথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে। একদিকে লাভজনক বন্দর অন্যের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে ঋণের টাকায় কেনা বিমানে মুনাফার নাটক সাজানো হচ্ছে। পুরনো সরকারের রেখে যাওয়া সম্পদের ওপর দাঁড়িয়ে বর্তমান প্রশাসন যে ‘সাফল্যের গল্প’ শোনাচ্ছে, তার চরম মূল্য চোকাতে হবে আগামী প্রজন্মকে। ঋণের এই নীরব বোঝা এবং ভুল নীতির মাশুল ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে
পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



