মহাবিশ্বে এলিয়েন খুঁজতে বসছে বিশাল টেলিস্কোপ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৬ নভেম্বর, ২০২৫
     ৯:৫৯ পূর্বাহ্ণ

মহাবিশ্বে এলিয়েন খুঁজতে বসছে বিশাল টেলিস্কোপ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ | ৯:৫৯ 49 ভিউ
মহাবিশ্বে এলিয়েন আছে কি না, তার উত্তর খুঁজতে বিশ্বের অন্যতম বড় টেলিস্কোপ যৌথভাবে তৈরি করতে যাচ্ছে জাপান ও ভারত। এ প্রকল্পের নাম দিয়েছে তারা—থার্টি মিটার টেলিস্কোপ (টিএমটি)। এ অত্যাধুনিক টেলিস্কোপটির আয়না হবে ৩০ মিটার লম্বা। এটি মহাবিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বিপ্লব আনবে। এতে ভারত, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বড় বিশ্ববিদ্যালয় একসঙ্গে কাজ করছে। তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বের অনেক গভীরে দেখা কৃষ্ণগহ্বর (ব্ল্যাকহোল) এবং দূরের ছায়াপথ (গ্যালাক্সি) নিয়ে গবেষণা করা। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে পৃথিবীর বাইরে জীবনের অস্তিত্ব খোঁজা। জাপানের জাতীয় মহাকাশ নীতি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সাকু সুনেতা বলেন, ‘জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা চান আরও বড় আয়না, যাতে দূরের মহাবিশ্ব থেকে বেশি আলো সংগ্রহ

করা যায়। আয়না যত বড় হবে, তত দূরের জিনিস আবিষ্কার করা সহজ হবে।’ টিএমটির ৩০ মিটার আয়না বর্তমানে বিশ্বে বিদ্যমান সব টেলিস্কোপের চেয়ে অনেক বড় হবে, ফলে ছবি অনেক স্পষ্ট দেখা যাবে। মজার বিষয় হলো, এ টেলিস্কোপে একটি মাত্র বড় আয়না নেই। এর বিশাল প্রাথমিক আয়নাটি তৈরি হবে ৫০০টি ছোট ছোট আয়না দিয়ে, যা নিখুঁতভাবে বসানো থাকবে। সুনেতা জানান, ‘একটি বড় আয়নার বদলে আমাদের ৫০০টি ছোট আয়না আছে, যা একসঙ্গে একটি ৩০ মিটার প্রাথমিক আয়না তৈরি করে। প্রতিটি আয়নার স্থান ও কোণ সাবধানে ঠিক করে বসাতে হয়। এ কাজটি ভারতীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে করা হয়েছে।’ এসব আয়না যেন একেবারে ঠিকঠাকভাবে বসানো থাকে, সে

জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি তৈরি করছে ভারত। ভারত এ প্রকল্পের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ২০১৪ সালে এতে দেশটির অংশগ্রহণের অনুমোদন দেয়। দেশটির তিনটি প্রতিষ্ঠান এই কাজে যুক্ত—বেঙ্গালুরুর আইআইএ, পুনের আইইউসিএএ এবং নৈনিতালের এআরআইইএস। টেলিস্কোপটি তৈরি হবে হাওয়াইয়ের মাউনা কেয়া পাহাড়ে, যা প্রায় ৪ হাজার মিটার (প্রায় ১৩ হাজার ফুট) উঁচুতে অবস্থিত। এখানকার আকাশ খুব পরিষ্কার, তাই পর্যবেক্ষণের জন্য এটি সেরা জায়গা। সুনেতা বলেন, ‘আমাদের নির্মাণের প্রধান স্থান হলো হাওয়াইয়ের মাউনা কেয়া। জ্যোতির্বিজ্ঞান পর্যবেক্ষণের জন্য এটি সেরা জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম।’ টিএমটি ২০৩০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাঙালীর দ্রোহের ভাষা, প্রতিবাদী হুঙ্কার, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আর শিষ্টাচারের কি কুৎসিত অবনতি! জেলায় জেলায় বাড়ছে আ.লীগের কর্মসূচি, নেতাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা শব্দ ও বয়ানের রাজনীতি: বয়েলিং ফ্রগ সিনড্রোম বহুমুখী সংকটের মুখে বাংলাদেশের পোশাক খাত: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট ৩৪.১% শুল্ক থেকে কি মিলবে স্বস্তি? অনিশ্চয়তায় অর্ডার সংকট ও রপ্তানি খাত আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় মেট্রোরেলের নতুন দুই রুটে, প্রশ্নবিদ্ধ দরপত্র প্রক্রিয়া সারা দেশে শহীদ দিবসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে উজ্জীবিত আওয়ামী লীগ বিএনপি ক্ষমতা নেওয়ার পর ভারতে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা, বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৮ ড. খলিলুর রহমান: পর্দার আড়ালের এক ভয়ঙ্কর ‘কিংমেকার’ ১৯৭১ শেষ হয়নি, ডালিম-ফারুকের রিলে রেস থামেনি, শুধু দৌড়বিদ বদলেছে টানা ১৮ মাস ধরে তালাবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবিচল ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয় লাশের মিছিল থামছেই না — আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার নৃশংস খুন অব্যাহত.. ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন বিশটা লাশের বিনিময়ে পাওয়া অভিজ্ঞতা এবার কাজে লাগাবেন টুকু কানসাটের কসাই মন্ত্রী, তারেকের গণতন্ত্রে স্বাগতম! Unattended Ballot Boxes: New Questions in Bangladesh’s 2026 Election আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান বিজয়গাথা: বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্রের “অসম চুক্তি” কার স্বার্থে ‘সেভেন সিস্টার্সে’ হামলার হুমকি আন্তর্জাতিক অপরাধ, ছাত্রদের দিয়ে কিংস পার্টি করালেন: ঢাবি শিক্ষক একুশের বিশ্বজয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি ও শেখ হাসিনার ভূমিকা যাদের কাছে একুশ বিপজ্জনক : যে সংগঠন বায়ান্নেও ছিল না, একাত্তরেও ছিল না