ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুমিল্লায় মহানগর জামায়াতের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, ভাঙচুর
ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলো হাসানুল হক ইনুকে
‘জয় বাংলা’কে দাবিয়ে রাখা যাবে না’: আদালত চত্বরে জামিন পেয়েই গর্জে উঠলেন আইভী
চট্টগ্রামে কিশোরদের পর্ন বানিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও যৌন নিপীড়ন: যুবদল নেতা নুরুর ভয়াবহ অপরাধ উন্মোচিত
জৈনপুরী দরবারকে ‘যৌনপুরী’ বলায় তোপের মুখে মাফ চাইলেন রাশেদ
হাসনাত আবদুল্লাহ: তারেক রহমান সরকার চালাচ্ছেন না, সরকার হাইজ্যাক হয়ে গেছে
‘রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি কেনার খরচ দেন জামায়াত আমিরের উপদেষ্টা’
বিশ্বের যে প্রান্তেই যাবে ইউনূস, নিজের কুকর্মের জন্য অপমানিত হবে: ওবায়দুল কাদের
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও চরম ক্ষোভ ও অপমানের মুখে পড়েছেন অন্তর্বর্তী প্রশাসনের প্রধান ইউনূস। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি বিমানবন্দরে অবতরণের পর ক্ষুব্ধ প্রবাসী বাংলাদেশীদের তীব্র প্রতিবাদ, লাঞ্ছনা ও স্লোগানের মুখোমুখি হন তিনি। বিমানবন্দরে তাকে দেখেই প্রবাসীরা ‘টেরোরিস্ট’ এবং ‘হত্যাকারী’ আখ্যা দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে, ইমিগ্রেশন পার হওয়ার সময় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষের অস্ফুট ক্ষোভ ও সরাসরি অপমানের মুখে হতভম্ব ও অসহায়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন ইউনূস।
এই ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্পষ্ট ভাষায় বলেন, দেশে চালানো মব সন্ত্রাস, স্বৈরাচারী ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে ইউনূসকে পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই এমন অপমানের মুখোমুখি হতে
হবে। ভাইরাল বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনূস তার নারী সহকর্মী লামিয়া ও কয়েকজন পুরুষ সঙ্গী নিয়ে নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন টার্মিনাল অতিক্রম করছেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই বিমানবন্দরে অবস্থানরত সচেতন প্রবাসী বাংলাদেশীরা তাকে চিনে ফেলেন এবং চিৎকার করে তার প্রতি বিক্ষুব্ধ প্রতিবাদী আচরণ করেন। ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা এসময় তাকে লক্ষ্য করে ‘টেরোরিস্ট’, ‘খুনি’ এবং দেশ ধ্বংসকারী বলে স্লোগান দিতে থাকেন। সারাদেশে অরাজক পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক বন্দিদের ওপর চালানো নিপীড়নের জন্য দায়ী করে যখন প্রবাসীরা ক্ষোভ উগরে দিচ্ছিলেন, তখন ইউনূস কোনো উত্তর না দিয়ে সম্পূর্ণ অসহায় ও হতচকিত হয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। পরবর্তীতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা তাকে দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে
যান। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “ইউনূস অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখল করে দেশে যে অরাজকতা, হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক নিপীড়ন এবং জাতীয় সম্পদ বিক্রির উৎসব শুরু করেছিল, তার জবাব সাধারণ মানুষ সব জায়গায় দেওয়া শুরু করেছে। দেশের মাটিতে যাকে গুম-খুন ও গ্রেপ্তারের ভয়ে মানুষ সরাসরি কিছু বলতে পারছে না, বিদেশে স্বাধীন দেশের মুক্ত প্রবাসীরা তাকে দেখলেই ধিক্কার দিচ্ছে। ইউনূস বিশ্বের যে প্রান্তেই যাবে, নিজের অপকর্ম ও কুকর্মের জন্য তাকে এভাবেই লাঞ্ছিত ও অপমানিত হতে হবে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কিংবা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে অংশ নিতে গিয়ে বিদেশে প্রবাসীদের এমন প্রতিবাদ বর্তমান সরকারের
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্পূর্ণ আইনি ও নৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রমাণ। দেশের চলমান পরিস্থিতির জন্য ক্ষোভের এই বহিঃপ্রকাশ এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে আছড়ে পড়ছে। যা সরকারের ওপর ক্রমশ চাপ তৈরি করছে।
হবে। ভাইরাল বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনূস তার নারী সহকর্মী লামিয়া ও কয়েকজন পুরুষ সঙ্গী নিয়ে নিউইয়র্কের জন এফ. কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন টার্মিনাল অতিক্রম করছেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই বিমানবন্দরে অবস্থানরত সচেতন প্রবাসী বাংলাদেশীরা তাকে চিনে ফেলেন এবং চিৎকার করে তার প্রতি বিক্ষুব্ধ প্রতিবাদী আচরণ করেন। ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা এসময় তাকে লক্ষ্য করে ‘টেরোরিস্ট’, ‘খুনি’ এবং দেশ ধ্বংসকারী বলে স্লোগান দিতে থাকেন। সারাদেশে অরাজক পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক বন্দিদের ওপর চালানো নিপীড়নের জন্য দায়ী করে যখন প্রবাসীরা ক্ষোভ উগরে দিচ্ছিলেন, তখন ইউনূস কোনো উত্তর না দিয়ে সম্পূর্ণ অসহায় ও হতচকিত হয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। পরবর্তীতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা তাকে দ্রুত সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে
যান। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “ইউনূস অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখল করে দেশে যে অরাজকতা, হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক নিপীড়ন এবং জাতীয় সম্পদ বিক্রির উৎসব শুরু করেছিল, তার জবাব সাধারণ মানুষ সব জায়গায় দেওয়া শুরু করেছে। দেশের মাটিতে যাকে গুম-খুন ও গ্রেপ্তারের ভয়ে মানুষ সরাসরি কিছু বলতে পারছে না, বিদেশে স্বাধীন দেশের মুক্ত প্রবাসীরা তাকে দেখলেই ধিক্কার দিচ্ছে। ইউনূস বিশ্বের যে প্রান্তেই যাবে, নিজের অপকর্ম ও কুকর্মের জন্য তাকে এভাবেই লাঞ্ছিত ও অপমানিত হতে হবে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কিংবা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে অংশ নিতে গিয়ে বিদেশে প্রবাসীদের এমন প্রতিবাদ বর্তমান সরকারের
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্পূর্ণ আইনি ও নৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রমাণ। দেশের চলমান পরিস্থিতির জন্য ক্ষোভের এই বহিঃপ্রকাশ এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে আছড়ে পড়ছে। যা সরকারের ওপর ক্রমশ চাপ তৈরি করছে।



