ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন কোনো স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়। এটি অবৈধ জামাতি ইউনুস সরকারের সাজানো নাটক। – সজীব ওয়াজেদ জয়
গাইবান্ধায় লঙ্কাকাণ্ড: আসিফ নজরুলকে জুতা প্রদর্শন, ‘ভুয়া’ স্লোগানে পণ্ড সভা
মৃত্যুদণ্ড দিয়েও দমানো যাবে না, জনগণ নৌকাই চায়: কড়া হুঙ্কার শেখ হাসিনার
সীতাকুণ্ডে জঙ্গিদের গুলিতে র্যাব কর্মকর্তা নিহত, ৩ জন অপহৃত: চরম আইনশৃঙ্খলা বিপর্যয়ের শঙ্কা
ক্ষমা চাইবার রাজনীতি বনাম সত্যের রাজনীতি: নওফেলের বক্তব্য কেন বিরোধীদের ঘুম হারাম করেছে
খুলনায় এনসিপির পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি: আটক ৩
অবৈধ সরকারের পালিত ‘মব সন্ত্রাসীদের’ পৈশাচিক হামলায় রক্তাক্ত জননেতা কামরুল হাসান রিপন: অবিলম্বে মুক্তির দাবি
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধ্বংসের দায় কার?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ভিসা স্থগিতাদেশ বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিক বিপর্যয়ের আরেকটি উদাহরণ মাত্র। কিন্তু এই সংকটের গভীরে যে বাস্তবতা লুকিয়ে আছে, তা আরও ভয়াবহ। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে রাজপথে সহিংসতার মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে যে অবৈধ কর্তৃপক্ষ ক্ষমতা দখল করেছে, তাদের হাতে দেশের পররাষ্ট্র নীতি আজ জিম্মি। মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার তথাকথিত উপদেষ্টা পরিষদ যে বৈধতার সংকটে ভুগছে, তা শুধু দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
যে সরকারের নিজের অস্তিত্বই প্রশ্নবিদ্ধ, সেই সরকার কীভাবে বিশ্বদরবারে দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে? ইউনূসের ক্ষমতা দখলের পেছনে যে বিদেশি অর্থায়ন, ইসলামি জঙ্গি গোষ্ঠীর সহযোগিতা এবং সামরিক বাহিনীর একাংশের প্রচ্ছন্ন সমর্থন
ছিল, তা এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়। জুলাইয়ের দাঙ্গা যে একটি সুপরিকল্পিত অভ্যুত্থান ছিল, সেটা এখন ইতিহাসের অংশ। কিন্তু সেই অবৈধ পথে ক্ষমতায় আসা একটি কর্তৃপক্ষের কাছে জনগণ কী আশা করতে পারে? মার্কিন প্রশাসনের এই ভিসা স্থগিতাদেশ নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি একটি সুস্পষ্ট বার্তা। যে দেশের সরকার নিজেই অবৈধ পথে ক্ষমতায় এসেছে, যে দেশের প্রশাসনিক কাঠামো একটি সামরিক সমর্থিত অভ্যুত্থানের ফসল, সেই দেশের নাগরিকদের প্রতি আস্থা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দেখছে যে বাংলাদেশে এখন যারা ক্ষমতায়, তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন, তারা এসেছেন রক্তাক্ত সহিংসতার মধ্য দিয়ে। এমন একটি শাসনব্যবস্থার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা থাকার কথা নয়। ইউনূস এবং তার
দল এখন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কথা বলছে, কর্মকৌশল নির্ধারণের কথা বলছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যে মানুষটি নিজেই একজন সুদী মহাজন হিসেবে পরিচিত, যিনি ক্ষুদ্র ঋণের নামে দরিদ্র মানুষের ঘাড়ে সুদের বোঝা চাপিয়েছেন বছরের পর বছর, তিনি কীভাবে দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করবেন? যে কর্তৃপক্ষ বিদেশি প্রভুদের ইশারায় নাচে, তারা বাংলাদেশের জনগণের জন্য কী করতে পারবে? সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্য শুনে মনে হয় যেন এটি একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক বিষয়। তিনি বলছেন শুধু বাংলাদেশকে টার্গেট করা হয়নি, আরও অনেক দেশ এই তালিকায় আছে। কিন্তু এই তালিকায় থাকা অন্যান্য দেশগুলোর দিকে তাকালে বাংলাদেশের অবস্থান আরও লজ্জাজনক হয়ে ওঠে। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল এই
তালিকায় বাংলাদেশের সঙ্গী হওয়াটা কি গর্বের বিষয়? এই দেশগুলোর সাথে একই কাতারে দাঁড় করানো হচ্ছে বাংলাদেশকে, আর আমাদের তথাকথিত উপদেষ্টারা সেটাকে স্বাভাবিক বলে চালিয়ে দিতে চাইছেন। যে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উল্টে দেওয়া হয়েছে সহিংসতার মাধ্যমে, যেখানে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো পেয়েছে নতুন প্রাণ, যেখানে বিদেশি শক্তির প্রভাব প্রতিদিন বাড়ছে, সেই দেশের ভাবমূর্তি সংকটে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। ইউনূসের অবৈধ সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছে অগণতান্ত্রিক পথে, তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মান আশা করাটা হাস্যকর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত আসলে একটি বার্তা যে তারা ভালোভাবেই জানে বাংলাদেশে এখন কী চলছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খোঁজখবর নিচ্ছে, প্রতিবেদন চাইছে, ব্যাখ্যা চাইছে। কিন্তু সত্যি বলতে কী, একটি অবৈধ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক
প্রচেষ্টার মূল্য কতটুকু? যে সরকারের নিজেরই বৈধতা নেই, তারা কীভাবে দেশের বৈধ স্বার্থ রক্ষা করবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে? এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো আমরা দেখছি মার্কিন ভিসা নীতির মধ্যে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, যারা স্বপ্ন দেখেন ভালো ভবিষ্যতের, তারাই এর সবচেয়ে বড় শিকার। যারা বৈধ উপায়ে বিদেশে যেতে চান, তাদের পথ আজ রুদ্ধ হচ্ছে একটি অবৈধ সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে। ইউনূস এবং তার দল যত কথাই বলুক না কেন, সত্য হলো তারা ক্ষমতায় এসেছেন অবৈধ পথে, এবং সেই অবৈধতার মূল্য দিতে হচ্ছে পুরো দেশকে। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এই ভাবমূর্তি সংকটের জন্য দায়ী এই অবৈধ সরকার, যাদের কাছে দেশের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাটাই বড়
চ্যালেঞ্জ।
ছিল, তা এখন আর গোপন কোনো বিষয় নয়। জুলাইয়ের দাঙ্গা যে একটি সুপরিকল্পিত অভ্যুত্থান ছিল, সেটা এখন ইতিহাসের অংশ। কিন্তু সেই অবৈধ পথে ক্ষমতায় আসা একটি কর্তৃপক্ষের কাছে জনগণ কী আশা করতে পারে? মার্কিন প্রশাসনের এই ভিসা স্থগিতাদেশ নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি একটি সুস্পষ্ট বার্তা। যে দেশের সরকার নিজেই অবৈধ পথে ক্ষমতায় এসেছে, যে দেশের প্রশাসনিক কাঠামো একটি সামরিক সমর্থিত অভ্যুত্থানের ফসল, সেই দেশের নাগরিকদের প্রতি আস্থা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দেখছে যে বাংলাদেশে এখন যারা ক্ষমতায়, তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন, তারা এসেছেন রক্তাক্ত সহিংসতার মধ্য দিয়ে। এমন একটি শাসনব্যবস্থার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা থাকার কথা নয়। ইউনূস এবং তার
দল এখন কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কথা বলছে, কর্মকৌশল নির্ধারণের কথা বলছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যে মানুষটি নিজেই একজন সুদী মহাজন হিসেবে পরিচিত, যিনি ক্ষুদ্র ঋণের নামে দরিদ্র মানুষের ঘাড়ে সুদের বোঝা চাপিয়েছেন বছরের পর বছর, তিনি কীভাবে দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করবেন? যে কর্তৃপক্ষ বিদেশি প্রভুদের ইশারায় নাচে, তারা বাংলাদেশের জনগণের জন্য কী করতে পারবে? সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্য শুনে মনে হয় যেন এটি একটি স্বাভাবিক প্রশাসনিক বিষয়। তিনি বলছেন শুধু বাংলাদেশকে টার্গেট করা হয়নি, আরও অনেক দেশ এই তালিকায় আছে। কিন্তু এই তালিকায় থাকা অন্যান্য দেশগুলোর দিকে তাকালে বাংলাদেশের অবস্থান আরও লজ্জাজনক হয়ে ওঠে। রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল এই
তালিকায় বাংলাদেশের সঙ্গী হওয়াটা কি গর্বের বিষয়? এই দেশগুলোর সাথে একই কাতারে দাঁড় করানো হচ্ছে বাংলাদেশকে, আর আমাদের তথাকথিত উপদেষ্টারা সেটাকে স্বাভাবিক বলে চালিয়ে দিতে চাইছেন। যে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উল্টে দেওয়া হয়েছে সহিংসতার মাধ্যমে, যেখানে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো পেয়েছে নতুন প্রাণ, যেখানে বিদেশি শক্তির প্রভাব প্রতিদিন বাড়ছে, সেই দেশের ভাবমূর্তি সংকটে পড়বে এটাই স্বাভাবিক। ইউনূসের অবৈধ সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছে অগণতান্ত্রিক পথে, তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মান আশা করাটা হাস্যকর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত আসলে একটি বার্তা যে তারা ভালোভাবেই জানে বাংলাদেশে এখন কী চলছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খোঁজখবর নিচ্ছে, প্রতিবেদন চাইছে, ব্যাখ্যা চাইছে। কিন্তু সত্যি বলতে কী, একটি অবৈধ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক
প্রচেষ্টার মূল্য কতটুকু? যে সরকারের নিজেরই বৈধতা নেই, তারা কীভাবে দেশের বৈধ স্বার্থ রক্ষা করবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে? এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো আমরা দেখছি মার্কিন ভিসা নীতির মধ্যে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, যারা স্বপ্ন দেখেন ভালো ভবিষ্যতের, তারাই এর সবচেয়ে বড় শিকার। যারা বৈধ উপায়ে বিদেশে যেতে চান, তাদের পথ আজ রুদ্ধ হচ্ছে একটি অবৈধ সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে। ইউনূস এবং তার দল যত কথাই বলুক না কেন, সত্য হলো তারা ক্ষমতায় এসেছেন অবৈধ পথে, এবং সেই অবৈধতার মূল্য দিতে হচ্ছে পুরো দেশকে। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের এই ভাবমূর্তি সংকটের জন্য দায়ী এই অবৈধ সরকার, যাদের কাছে দেশের স্বার্থের চেয়ে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাটাই বড়
চ্যালেঞ্জ।



