ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
ইউনূস-আমেরিকার পরিকল্পনায় ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে জামায়াত
যখন বাংলাদেশের আদালত নিজেই হয়ে ওঠে পুরুষতন্ত্রের নির্লজ্জ হাতিয়ার
ইউনূসকে সমর্থন দেওয়া জাতিসংঘই বলছে, দেশে বাকস্বাধীনতা নেই
শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কৃষি-বিদ্যুৎ খাত ও মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
ভোটার দর্শক, রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন নয়, ক্ষমতা ভাগাভাগির নগ্ন নাটক চলছে
শিক্ষার ছদ্মবেশে প্রভাব বিস্তারের নতুন অধ্যায়, ঢাকায় পাকিস্তানের আগ্রাসী একাডেমিক তৎপরতা
বাংলাদেশের ২০২৬ নির্বাচন: আন্তর্জাতিক উদ্বেগ, গণতন্ত্রের পরীক্ষা
বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন নির্ধারিত রয়েছে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। সময় যত এগিয়ে আসছে, ততই দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি ও উদ্বেগ বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাজ্যের কয়েকজন সংসদ সদস্যের যৌথ বিবৃতি সেই উদ্বেগকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এই বিবৃতি কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক অবস্থান না হলেও, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে পশ্চিমা রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে যে প্রশ্নগুলো জমতে শুরু করেছে, তার স্পষ্ট প্রতিফলন এতে দেখা যায়।
হাউস অব কমন্সের ব্যানারে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাজ্যের এমপি বব ব্ল্যাকম্যান, জিম শ্যানন, জাস আথওয়াল ও ক্রিস ল। কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সূত্রে বিবৃতিটি ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে। এতে মূলত বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের
বৈধতা, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে গুরুতর আশঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়েছে। অনির্বাচিত সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিবৃতির কেন্দ্রে রয়েছে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনের অবসানের পর রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। যুক্তরাজ্যের এমপিরা মনে করেন, একটি অনির্বাচিত প্রশাসনের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থনসম্পন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা গণতান্ত্রিক শাসনের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাদের ভাষায়, জনগণের প্রতিনিধিত্বহীন কোনো কাঠামো যদি রাজনৈতিক পরিসর সংকুচিত করে, তাহলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়। গণতন্ত্র কেবল ভোটের মাধ্যমে নয়, বরং অংশগ্রহণ, মতপ্রকাশ ও সংগঠনের স্বাধীনতার মাধ্যমেই কার্যকর হয়—এই বার্তাই স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে বিবৃতিতে। অংশগ্রহণহীন নির্বাচন ও ভোটার আস্থার
সংকট বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, দেশের সব প্রধান রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ ছাড়া অনুষ্ঠিত নির্বাচন কখনোই অবাধ ও সুষ্ঠু হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা কার্যত লাখো নয়, কোটি কোটি নাগরিককে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। এ ধরনের পরিস্থিতি ভোটারদের মধ্যে অনাগ্রহ তৈরি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে নির্বাচনব্যবস্থার প্রতি জনআস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমপিদের মতে, গণতন্ত্রের মূল শক্তি জনগণের অংশগ্রহণে; সেই অংশগ্রহণ যদি অনুপস্থিত থাকে, তবে নির্বাচন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়। নাগরিক অধিকার ও আইনের শাসন নিয়ে উদ্বেগ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়েও বিবৃতিতে বাংলাদেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে “বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন”-এর
কথা উল্লেখ করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আটক, বিচার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা এবং সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ইচ্ছামতো গ্রেপ্তারের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। এই ধরনের অভিযোগ সত্য হলে, তা কেবল নির্বাচনের পরিবেশ নয়, বরং আইনের শাসন ও নাগরিক স্বাধীনতার ভবিষ্যৎ নিয়েও গভীর উদ্বেগের জন্ম দেয়। একটি অন্তর্বর্তী সময়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হওয়া উচিত আস্থা ও স্থিতিশীলতা তৈরি করা, অথচ উল্টো চিত্র আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। যুক্তরাজ্য–বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে গভীর। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার। অতীতে ব্রিটিশ নীতিনির্ধারকেরা বারবার বলে এসেছেন, গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতাই টেকসই উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মূল ভিত্তি। এই প্রেক্ষাপটে এমপিদের বিবৃতিটি কোনো দলীয় অবস্থান
নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক মানদণ্ড রক্ষার আহ্বান হিসেবেই উপস্থাপিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করেই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। দল নয়, প্রক্রিয়ার প্রতি আহ্বান উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বিবৃতিতে কোনো নির্দিষ্ট বাংলাদেশি রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থন জানানো হয়নি। বরং পুরো মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর। এমপিরা যুক্তরাজ্য সরকারসহ জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর গণতান্ত্রিক অঙ্গীকার রক্ষা, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য চাপ অব্যাহত রাখে। সময়ের গুরুত্ব ও আন্তর্জাতিক নজরদারি এই বিবৃতির তাৎপর্য অনেকটাই সময়ের সঙ্গে যুক্ত। ২০২৬ সালের নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে,
ততই আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ জোরদার হচ্ছে। বিশেষ করে রূপান্তরকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বিদেশি বিনিয়োগ, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় সরাসরি প্রভাব ফেলে। যদি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক বর্জন বা কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার ধারণা তৈরি হয়, তবে তার প্রভাব বাংলাদেশের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি ও অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদে পড়তে পারে। আস্থাই মূল চ্যালেঞ্জ দীর্ঘ ও প্রায়ই অস্থির রাজনৈতিক ইতিহাসের দেশ বাংলাদেশে বর্তমান চ্যালেঞ্জ শুধু একটি নির্বাচন আয়োজন নয়। আসল চ্যালেঞ্জ হলো জনগণের আস্থা পুনর্গঠন। যুক্তরাজ্যের এমপিদের মতে, জাতীয় পুনর্মিলন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় যদি শাসনব্যবস্থা জনগণের প্রকৃত সম্মতির ওপর দাঁড়িয়ে না থাকে। গণতন্ত্র চাপিয়ে দেওয়া যায় না। তা অর্জন করতে হয় স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক সহনশীলতার মাধ্যমে। অন্তর্বর্তী সরকার
সেই পথে এগোবে নাকি আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের পথে যাবে, সেটিই নির্ধারণ করবে শুধু ২০২৬ সালের নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নয়, বরং আগামী বহু বছরের জন্য বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক দিকনির্দেশনাও।
বৈধতা, অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ এবং নাগরিক অধিকার নিয়ে গুরুতর আশঙ্কার কথা তুলে ধরা হয়েছে। অনির্বাচিত সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিবৃতির কেন্দ্রে রয়েছে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনের অবসানের পর রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। যুক্তরাজ্যের এমপিরা মনে করেন, একটি অনির্বাচিত প্রশাসনের পক্ষে ব্যাপক জনসমর্থনসম্পন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা গণতান্ত্রিক শাসনের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাদের ভাষায়, জনগণের প্রতিনিধিত্বহীন কোনো কাঠামো যদি রাজনৈতিক পরিসর সংকুচিত করে, তাহলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়। গণতন্ত্র কেবল ভোটের মাধ্যমে নয়, বরং অংশগ্রহণ, মতপ্রকাশ ও সংগঠনের স্বাধীনতার মাধ্যমেই কার্যকর হয়—এই বার্তাই স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে বিবৃতিতে। অংশগ্রহণহীন নির্বাচন ও ভোটার আস্থার
সংকট বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, দেশের সব প্রধান রাজনৈতিক শক্তির অংশগ্রহণ ছাড়া অনুষ্ঠিত নির্বাচন কখনোই অবাধ ও সুষ্ঠু হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। রাজনৈতিক দলগুলোকে বাইরে রেখে নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা কার্যত লাখো নয়, কোটি কোটি নাগরিককে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। এ ধরনের পরিস্থিতি ভোটারদের মধ্যে অনাগ্রহ তৈরি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে নির্বাচনব্যবস্থার প্রতি জনআস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমপিদের মতে, গণতন্ত্রের মূল শক্তি জনগণের অংশগ্রহণে; সেই অংশগ্রহণ যদি অনুপস্থিত থাকে, তবে নির্বাচন কেবল একটি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়। নাগরিক অধিকার ও আইনের শাসন নিয়ে উদ্বেগ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়েও বিবৃতিতে বাংলাদেশের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে “বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন”-এর
কথা উল্লেখ করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আটক, বিচার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা এবং সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ইচ্ছামতো গ্রেপ্তারের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। এই ধরনের অভিযোগ সত্য হলে, তা কেবল নির্বাচনের পরিবেশ নয়, বরং আইনের শাসন ও নাগরিক স্বাধীনতার ভবিষ্যৎ নিয়েও গভীর উদ্বেগের জন্ম দেয়। একটি অন্তর্বর্তী সময়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হওয়া উচিত আস্থা ও স্থিতিশীলতা তৈরি করা, অথচ উল্টো চিত্র আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। যুক্তরাজ্য–বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে গভীর। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার। অতীতে ব্রিটিশ নীতিনির্ধারকেরা বারবার বলে এসেছেন, গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতাই টেকসই উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মূল ভিত্তি। এই প্রেক্ষাপটে এমপিদের বিবৃতিটি কোনো দলীয় অবস্থান
নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক মানদণ্ড রক্ষার আহ্বান হিসেবেই উপস্থাপিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করেই উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। দল নয়, প্রক্রিয়ার প্রতি আহ্বান উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বিবৃতিতে কোনো নির্দিষ্ট বাংলাদেশি রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থন জানানো হয়নি। বরং পুরো মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা হয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর। এমপিরা যুক্তরাজ্য সরকারসহ জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন, যেন তারা অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর গণতান্ত্রিক অঙ্গীকার রক্ষা, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য চাপ অব্যাহত রাখে। সময়ের গুরুত্ব ও আন্তর্জাতিক নজরদারি এই বিবৃতির তাৎপর্য অনেকটাই সময়ের সঙ্গে যুক্ত। ২০২৬ সালের নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে,
ততই আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ জোরদার হচ্ছে। বিশেষ করে রূপান্তরকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বিদেশি বিনিয়োগ, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় সরাসরি প্রভাব ফেলে। যদি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক বর্জন বা কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার ধারণা তৈরি হয়, তবে তার প্রভাব বাংলাদেশের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি ও অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদে পড়তে পারে। আস্থাই মূল চ্যালেঞ্জ দীর্ঘ ও প্রায়ই অস্থির রাজনৈতিক ইতিহাসের দেশ বাংলাদেশে বর্তমান চ্যালেঞ্জ শুধু একটি নির্বাচন আয়োজন নয়। আসল চ্যালেঞ্জ হলো জনগণের আস্থা পুনর্গঠন। যুক্তরাজ্যের এমপিদের মতে, জাতীয় পুনর্মিলন ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় যদি শাসনব্যবস্থা জনগণের প্রকৃত সম্মতির ওপর দাঁড়িয়ে না থাকে। গণতন্ত্র চাপিয়ে দেওয়া যায় না। তা অর্জন করতে হয় স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ এবং রাজনৈতিক সহনশীলতার মাধ্যমে। অন্তর্বর্তী সরকার
সেই পথে এগোবে নাকি আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের পথে যাবে, সেটিই নির্ধারণ করবে শুধু ২০২৬ সালের নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নয়, বরং আগামী বহু বছরের জন্য বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক দিকনির্দেশনাও।



