ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ!
সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা
‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী
আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
বাংলাদেশের জন্য দুঃসংবাদ: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বড় ছাঁটাই আসছে
জাতিসংঘ আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ৯টি শান্তিরক্ষা মিশনে প্রায় এক-চতুর্থাংশ শান্তিরক্ষী বাহিনী কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংস্থার অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ তীব্র অর্থ সংকট এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ তহবিল নিয়ে অনিশ্চয়তা। সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বাংলাদেশসহ শান্তিরক্ষী পাঠানো বহু দেশ এর প্রভাব অনুভব করবে।
জাতিসংঘের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, এই ছাঁটাইয়ের ফলে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার সৈন্য ও পুলিশ সদস্য, পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বেসামরিক কর্মীকে মিশন থেকে প্রত্যাহার করা হবে। প্রত্যাহারকৃতদের সঙ্গে তাদের সরঞ্জামও ফিরিয়ে নেওয়া হবে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের সবচেয়ে বড় আর্থিক সহায়তাদাতা—যা মোট বাজেটের ২৬ শতাংশেরও বেশি। চীন দ্বিতীয় বৃহত্তম দাতা হিসেবে প্রায় ২৪
শতাংশ অর্থায়ন করে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অঙ্কের বকেয়া এখন জাতিসংঘের অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। সংস্থার হিসাবে, যুক্তরাষ্ট্রের বকেয়া এখন ২.৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যদিও দেশটি নিকট ভবিষ্যতে প্রায় ৬৮০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের পরিকল্পনা করেছে। অর্থনৈতিক সংকটের আরেকটি কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তন। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জন্য নির্ধারিত প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার শান্তিরক্ষা তহবিল থেকে বাদ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি ২০২৬ সালের বাজেটেও জাতিসংঘ মিশনের জন্য বরাদ্দ বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছে হোয়াইট হাউস, মালি, লেবানন ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে শান্তি রক্ষা প্রচেষ্টার ব্যর্থতাকে যুক্তি হিসেবে তুলে ধরে। এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়বে দক্ষিণ সুদান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, লেবানন, কসোভো, সাইপ্রাস, মধ্য
আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, পশ্চিম সাহারা, ইসরায়েল-সিরিয়ার গোলান মালভূমি ও আবিই অঞ্চলের মিশনগুলোতে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইতোমধ্যেই সংস্থার কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নিয়েছেন। সংস্থার ৮০ বছর পূর্তির বছরেই এমন আর্থিক সংকট বিশ্ব শান্তি রক্ষা প্রচেষ্টাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। অনেকের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নীতি পরিবর্তন বিশ্বব্যাপী শান্তি রক্ষায় গুরুতর আঘাত হানবে। বাংলাদেশের জন্য এই সিদ্ধান্ত বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য ও পুলিশ পাঠানো দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। জাতিসংঘের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নেপাল ছিল প্রথম অবস্থানে ৫,৩৫০ শান্তিরক্ষী নিয়ে, দ্বিতীয় স্থানে রুয়ান্ডা (৫,২৩৭), আর তৃতীয় স্থানে ছিল বাংলাদেশ—মোট ৫,২৩০ শান্তিরক্ষী,
যার মধ্যে ৪৪৭ জন নারী। ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক সীমান্তে সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ১৯৯৩ সাল থেকে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী, আর ১৯৮৯ সাল থেকে বাংলাদেশ পুলিশও এই মিশনের অংশ। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী নিয়োগে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে, যা দেশের জন্য অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
শতাংশ অর্থায়ন করে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অঙ্কের বকেয়া এখন জাতিসংঘের অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। সংস্থার হিসাবে, যুক্তরাষ্ট্রের বকেয়া এখন ২.৮ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যদিও দেশটি নিকট ভবিষ্যতে প্রায় ৬৮০ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের পরিকল্পনা করেছে। অর্থনৈতিক সংকটের আরেকটি কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সাম্প্রতিক নীতিগত পরিবর্তন। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জন্য নির্ধারিত প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার শান্তিরক্ষা তহবিল থেকে বাদ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি ২০২৬ সালের বাজেটেও জাতিসংঘ মিশনের জন্য বরাদ্দ বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছে হোয়াইট হাউস, মালি, লেবানন ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে শান্তি রক্ষা প্রচেষ্টার ব্যর্থতাকে যুক্তি হিসেবে তুলে ধরে। এই ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়বে দক্ষিণ সুদান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, লেবানন, কসোভো, সাইপ্রাস, মধ্য
আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, পশ্চিম সাহারা, ইসরায়েল-সিরিয়ার গোলান মালভূমি ও আবিই অঞ্চলের মিশনগুলোতে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইতোমধ্যেই সংস্থার কার্যকারিতা বৃদ্ধি ও ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নিয়েছেন। সংস্থার ৮০ বছর পূর্তির বছরেই এমন আর্থিক সংকট বিশ্ব শান্তি রক্ষা প্রচেষ্টাকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। অনেকের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নীতি পরিবর্তন বিশ্বব্যাপী শান্তি রক্ষায় গুরুতর আঘাত হানবে। বাংলাদেশের জন্য এই সিদ্ধান্ত বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য ও পুলিশ পাঠানো দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। জাতিসংঘের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নেপাল ছিল প্রথম অবস্থানে ৫,৩৫০ শান্তিরক্ষী নিয়ে, দ্বিতীয় স্থানে রুয়ান্ডা (৫,২৩৭), আর তৃতীয় স্থানে ছিল বাংলাদেশ—মোট ৫,২৩০ শান্তিরক্ষী,
যার মধ্যে ৪৪৭ জন নারী। ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক সীমান্তে সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়। এরপর থেকে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ১৯৯৩ সাল থেকে নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী, আর ১৯৮৯ সাল থেকে বাংলাদেশ পুলিশও এই মিশনের অংশ। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী নিয়োগে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়তে পারে, যা দেশের জন্য অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়াতে পারে।



