ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন : আন্তর্জাতিক সতর্কতা
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না, তার চেয়ে বড় কথা হলো সেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক হবে কি না
২৬ জানুয়ারির আগে হাই অ্যালার্ট: দিল্লি সহ বড় শহরগুলিতে সন্ত্রাসী নাশকতার আশঙ্কা, গোয়েন্দাদের কড়া সতর্কতা
সুন্দরবনের মধু থেকে হাইকোর্টের শীর্ষ স্থান: সেকালের ‘হানি ট্র্যাপ’ কি আজও বিচারীয় পটভূমিকে প্রশ্ন করছে?”
লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান: সেনাবাহিনীর নৈতিকতার বড় প্রশ্নচিহ্ন ছাত্রশিবির করা কামরুল হাসানকে ঘিরে নারী কেলেঙ্কারি ও বিদেশী কূটনৈতিক লবিং এর অভিযোগ
বাংলাদেশ কি এখন পরাশক্তির দাবার বোর্ড? ড. ইউনূস সরকারের কূটনীতি না কি রাষ্ট্রীয় আত্মসমর্পণের নীলনকশা
জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত
ফ্লাইট এক্সপার্টের বিরুদ্ধে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, তিন কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
উড়োজাহাজের অনলাইন টিকিট বুকিংয়ের প্রতিষ্ঠান ফ্লাইট এক্সপার্টের বিরুদ্ধে চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে। আজ রোববার রাজধানীর মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন বিপুল সরকার নামের এক ব্যক্তি। তিনি ‘বিপুল সরকার ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসে’র স্বত্বাধিকারী। ফ্লাইট এক্সপার্টের তিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন- এজেন্সির হেড অব ফিন্যান্স সাকিব হোসেন, চিফ অপারেটিং অফিসার একেএম সাদাত হোসেন ও চিফ কমার্শিয়াল অফিসার সাঈদ আহমেদ।
মতিঝিল থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন বলেন, বিপুল সরকার শনিবার রাতে ফ্লাইট এক্সপার্টের পাঁচজনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা করেন। এর মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি দুজন আসামি হলেন ফ্লাইট এক্সপার্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সালমান বিন রাশিদ শাহ সাঈম এবং
তার বাবা এম এ রাশিদ। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ ফ্লাইট এক্সপার্ট বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন টিকিট বিক্রেতা এজেন্সিসহ বহু গ্রাহক। তারা অগ্রিম টিকিট বুকিংয়ের জন্য ওই প্রতিষ্ঠানে অর্থ পরিশোধ করেছিলেন। এমন ১৭টি ভুক্তভোগী এজেন্সির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষ দেশ ছেড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তার বাবা এম এ রাশিদ। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ ফ্লাইট এক্সপার্ট বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন টিকিট বিক্রেতা এজেন্সিসহ বহু গ্রাহক। তারা অগ্রিম টিকিট বুকিংয়ের জন্য ওই প্রতিষ্ঠানে অর্থ পরিশোধ করেছিলেন। এমন ১৭টি ভুক্তভোগী এজেন্সির আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির মালিকপক্ষ দেশ ছেড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।



