ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে
ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া
পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা
আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি
ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না, তার চেয়ে বড় কথা হলো সেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক হবে কি না
আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ রেখে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কেবল নামমাত্র নির্বাচন এবং তা গণতন্ত্রের প্রতি উপহাস। শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড তথাকথিত এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অবস্থা সম্পর্কে সব কিছু বলে দেয়। ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি, জামায়াত এবং এনসিপি প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী বিরোধের জেরে সে খুন হয়েছে। এর জবাবে প্রশাসন আওয়ামি লিগের সদস্যদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু করে এবং বিশৃঙ্খল জনতাকে সংবাদমাধ্যম, সাংবাদিক, কূটনৈতিক মিশন এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের উপরে হামলা চালানোর সুযোগ করে দেয়।
নির্বাচনে অংশ নিতে চাওয়া প্রকৃত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণে বাধা দেওয়া হচ্ছে, রাজনৈতিক নিপীড়নের কারণে ‘বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি’র মতো বৈধ দলগুলি নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে এবং মনোনয়ন ফর্ম কেনার চেষ্টা করায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার
হতে হচ্ছে— যদি তারা বিএনপি বা জামায়াত-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীর অনুমোদিত না হয়। এটি কখনওই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিস্থিতি হতে পারে না। গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসার উপরে আমাদের অংশগ্রহণ নির্ভর করছে। পরিবেশ ফিরবে বেআইনি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, মিথ্যা মামলায় আটক রাজবন্দিদের মুক্তি দেওয়া এবং সত্যিকার অর্থে অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করা হলে তখন। ইউনূস জানেন, বাংলাদেশিদের সামনে প্রকৃত বিকল্প দেওয়া হলে তাঁরা আমাদেরই ভোট দেবেন। তাই ব্যালট বাক্সে আমাদের মুখোমুখি হওয়ার বদলে তিনি আমাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছেন। আমি হতাশ যে জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক পাঠাতে অস্বীকার করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়াতে হবে, অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের আহ্বান জানাতে হবে। অনির্বাচিত শক্তিগুলোকে আমাদের
দেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তির অপূরণীয় ক্ষতি করার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।
হতে হচ্ছে— যদি তারা বিএনপি বা জামায়াত-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীর অনুমোদিত না হয়। এটি কখনওই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিস্থিতি হতে পারে না। গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসার উপরে আমাদের অংশগ্রহণ নির্ভর করছে। পরিবেশ ফিরবে বেআইনি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, মিথ্যা মামলায় আটক রাজবন্দিদের মুক্তি দেওয়া এবং সত্যিকার অর্থে অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করা হলে তখন। ইউনূস জানেন, বাংলাদেশিদের সামনে প্রকৃত বিকল্প দেওয়া হলে তাঁরা আমাদেরই ভোট দেবেন। তাই ব্যালট বাক্সে আমাদের মুখোমুখি হওয়ার বদলে তিনি আমাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছেন। আমি হতাশ যে জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক পাঠাতে অস্বীকার করেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়াতে হবে, অবাধ, সুষ্ঠু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের আহ্বান জানাতে হবে। অনির্বাচিত শক্তিগুলোকে আমাদের
দেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তির অপূরণীয় ক্ষতি করার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।



