ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ!
সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা
‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী
আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
পুলিশি বাধায় চারুকলার পর গেণ্ডারিয়াতেও পণ্ড ‘শরৎ উৎসব’: ১৯ বছরের ধারাবাহিকতায় ছেদ
“খবর পাই যে ছাত্রলীগ বা যুবলীগের ব্যানারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে। নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় ফোর্স পাঠানো হয়েছে।”
বিশেষ প্রতিবেদক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া—দুই জায়গাতেই বাধার মুখে পড়েছে সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর ‘শরৎ উৎসব ১৪৩২’। ফলে ১৯ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজনের ধারাবাহিকতা এ বছর ভেঙে গেল।
আজ ১০ই অক্টোবর, শুক্রবার সকালে চারুকলার বকুলতলায় পূর্ব-নির্ধারিত সূচি অনুসারে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আগের রাতেই কর্তৃপক্ষ ‘অনেকের আপত্তি’ দেখিয়ে ভেন্যু বরাদ্দ বাতিল করে দেয়। এরপর আয়োজকেরা বিকল্পভাবে গেন্ডারিয়ার কচিকাঁচার মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজনের ঘোষণা দেন। কিন্তু সেখানেও পুলিশের বাধায় অনুষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়।
ফলে এ বছর শরৎ উৎসবটি সম্পূর্ণভাবে বাতিল হয়, যা আয়োজকদের মতে
তাদের সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতায় একটি বেদনাদায়ক ছেদ। সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী সুইট বলেন, “আমরা চারুকলার বকুলতলায় ১৯ বছর ধরে শরৎ উৎসব আয়োজন করে আসছি। কোভিড মহামারী ছাড়া কোনো বছর বন্ধ হয়নি। এবার করতে পারলাম না।” তিনি জানান, “আমরা যথাযথ নিয়ম মেনে পুলিশের অনুমতি নিয়েছিলাম, চারুকলাকেও ২৬ হাজার টাকা ভাড়া দিয়েছি। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর আগের রাতে আমাদের জানানো হয়, ভেন্যু বাতিল করা হয়েছে—কোনো কারণও জানানো হয়নি।” চারুকলায় অনুষ্ঠান করতে না পেরে গেন্ডারিয়ায় আয়োজনের চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন তিনি। “শরৎ উৎসব কোনো রাজনৈতিক আয়োজন নয়, এটি ছিল প্রকৃতির বন্দনা। আমরা আওয়ামী লীগ নই, বিএনপি নই, জাপা-জামাতও নই; একটি ছোট্ট সাংস্কৃতিক সংগঠন। ফরিদা
পারভীনকে উৎসর্গ করে এবারের আয়োজন সাজানো হয়েছিল,” বলেন মানজার চৌধুরী। তিনি আরও অভিযোগ করেন, “একটি ছবির কারণে আমাকে অপরাধী বানানো হচ্ছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি পক্ষ উৎসবগুলো হাইজ্যাক করার চেষ্টা করছে। তারা বরং ইউনূস সরকারকেই বিব্রত করতে চাইছে।” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন আজহারুল ইসলাম বলেন, “এখানে অনুষ্ঠান করা নিয়ে অনেকের কাছ থেকে আপত্তি এসেছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের নানান পক্ষ থেকেও আপত্তি থাকার কারণে অনুষ্ঠানটি এখানে করতে মানা করা হয়েছে।” তবে কারা আপত্তি তুলেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি অসুস্থ, দাঁতের ডাক্তারের কাছে আছি—এখন বিস্তারিত বলতে পারছি না।” চারুকলার একজন শিক্ষক জানান, “মানজার চৌধুরীকে ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ ট্যাগ দিয়ে কেউ কেউ অনুষ্ঠান চলাকালীন গোলযোগ করতে পারে বলে আশঙ্কা
ছিল। তাই ভেন্যু বাতিল করা হয়েছে।” গেন্ডারিয়াতেও পুলিশি বাধা চারুকলায় অনুষ্ঠান বাতিলের পর আয়োজকেরা গেন্ডারিয়ার কচিকাঁচার মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। তবে গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। পুলিশের এক সদস্য বলেন, “খবর পাই যে ছাত্রলীগ বা যুবলীগের ব্যানারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে। নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় ফোর্স পাঠানো হয়েছে।” ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, “গেন্ডারিয়াতে শরৎ উৎসব করার বিষয়ে কোনো পূর্ব-অনুমতি নেওয়া হয়নি।” অনুষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে গেলেও শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্যরা সেখানে সম্মেলক কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন এবং প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী ফরিদা পারভীনের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। মানজার চৌধুরী বলেন, “আমি এদেশের নাগরিক হয়েও মৌলিক সাংস্কৃতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত
হচ্ছি। এটি কেবল একটি উৎসব নয়—এটি ছিল প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ।”
তাদের সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতায় একটি বেদনাদায়ক ছেদ। সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক মানজার চৌধুরী সুইট বলেন, “আমরা চারুকলার বকুলতলায় ১৯ বছর ধরে শরৎ উৎসব আয়োজন করে আসছি। কোভিড মহামারী ছাড়া কোনো বছর বন্ধ হয়নি। এবার করতে পারলাম না।” তিনি জানান, “আমরা যথাযথ নিয়ম মেনে পুলিশের অনুমতি নিয়েছিলাম, চারুকলাকেও ২৬ হাজার টাকা ভাড়া দিয়েছি। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরুর আগের রাতে আমাদের জানানো হয়, ভেন্যু বাতিল করা হয়েছে—কোনো কারণও জানানো হয়নি।” চারুকলায় অনুষ্ঠান করতে না পেরে গেন্ডারিয়ায় আয়োজনের চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন তিনি। “শরৎ উৎসব কোনো রাজনৈতিক আয়োজন নয়, এটি ছিল প্রকৃতির বন্দনা। আমরা আওয়ামী লীগ নই, বিএনপি নই, জাপা-জামাতও নই; একটি ছোট্ট সাংস্কৃতিক সংগঠন। ফরিদা
পারভীনকে উৎসর্গ করে এবারের আয়োজন সাজানো হয়েছিল,” বলেন মানজার চৌধুরী। তিনি আরও অভিযোগ করেন, “একটি ছবির কারণে আমাকে অপরাধী বানানো হচ্ছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি পক্ষ উৎসবগুলো হাইজ্যাক করার চেষ্টা করছে। তারা বরং ইউনূস সরকারকেই বিব্রত করতে চাইছে।” ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন আজহারুল ইসলাম বলেন, “এখানে অনুষ্ঠান করা নিয়ে অনেকের কাছ থেকে আপত্তি এসেছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের নানান পক্ষ থেকেও আপত্তি থাকার কারণে অনুষ্ঠানটি এখানে করতে মানা করা হয়েছে।” তবে কারা আপত্তি তুলেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি অসুস্থ, দাঁতের ডাক্তারের কাছে আছি—এখন বিস্তারিত বলতে পারছি না।” চারুকলার একজন শিক্ষক জানান, “মানজার চৌধুরীকে ‘কালচারাল ফ্যাসিস্ট’ ট্যাগ দিয়ে কেউ কেউ অনুষ্ঠান চলাকালীন গোলযোগ করতে পারে বলে আশঙ্কা
ছিল। তাই ভেন্যু বাতিল করা হয়েছে।” গেন্ডারিয়াতেও পুলিশি বাধা চারুকলায় অনুষ্ঠান বাতিলের পর আয়োজকেরা গেন্ডারিয়ার কচিকাঁচার মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন। তবে গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। পুলিশের এক সদস্য বলেন, “খবর পাই যে ছাত্রলীগ বা যুবলীগের ব্যানারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে। নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় ফোর্স পাঠানো হয়েছে।” ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, “গেন্ডারিয়াতে শরৎ উৎসব করার বিষয়ে কোনো পূর্ব-অনুমতি নেওয়া হয়নি।” অনুষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে গেলেও শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্যরা সেখানে সম্মেলক কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন এবং প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী ফরিদা পারভীনের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। মানজার চৌধুরী বলেন, “আমি এদেশের নাগরিক হয়েও মৌলিক সাংস্কৃতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত
হচ্ছি। এটি কেবল একটি উৎসব নয়—এটি ছিল প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ।”



