পঞ্চগড়ে কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: স্বজনদের হত্যার অভিযোগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৬ মার্চ, ২০২৬
     ৮:৩০ অপরাহ্ণ

আরও খবর

সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে!

ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে থানায় মারধরের শিকার মা–মেয়ে, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

ছেলেকে ধরতে না পেরে ক্ষুব্ধ পুলিশের লাথিতে বৃদ্ধ পিতার মৃত্যু, পুলিশের দাবি হৃদরোগ

বাংলাদেশে মশা এখনও আছে আগের মতোই, শুধু মাঝখান থেকে এদেশের শাসক বদলেছে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ছেলে ছাত্রলীগ নেতা, বিএনপি নেতাদের চাপে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পরিবারের হলফনামা

কুষ্টিয়ায় জেলা প্রশাসকের বদলির প্রতিবাদে জামায়াত-সমর্থিত বিক্ষোভ: জাতীয় নির্বাচনে সহয়তাই জনপ্রিয়তার কারন!

পঞ্চগড়ে কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: স্বজনদের হত্যার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ মার্চ, ২০২৬ | ৮:৩০ 2 ভিউ
পঞ্চগড় জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও দেবীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশীদের কারা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে। কারা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, কারাগারে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বা ব্রেইন স্ট্রোক করার পর দিনাজপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তবে নিহত ব্যক্তির স্বজন ও অনুসারীরা এই মৃত্যুকে ‘স্বাভাবিক’ বলে মানতে নারাজ। তাঁদের অভিযোগ, জেলের ভেতর পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্ট্রোকের নাটক সাজানো হয়েছে। হারুন অর রশীদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁর অনুসারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ও শোক প্রকাশ করেন। ফেসবুকে দেওয়া বিভিন্ন শোকবার্তায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে বিচার বিভাগীয় বা স্বাধীন ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি তোলা

হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, নিয়ম অনুযায়ীই অসুস্থ বন্দীকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছিল এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে কারা হেফাজতে মৃত্যু ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হাজার হাজার নেতা–কর্মী ও সাবেক সংসদ সদস্যদের নামে অসংখ্য মামলা হয় এবং আত্মগোপনে থাকা অনেক নেতাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে দেশের বিভিন্ন কারাগারে একের পর এক আওয়ামী লীগ নেতার অসুস্থতাজনিত বা সন্দেহজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, যা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলোও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের কারাগারগুলোতে বন্দিমৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪

সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত ১৫ মাসে সারা দেশের বিভিন্ন কারা হেফাজতে অন্তত ১১২ জন বন্দীর মৃত্যু হয়েছে[1]। এমএসএফের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুধু ফেব্রুয়ারি মাসেই কারা হেফাজতে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাঁর মধ্যে ৫ জনই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মী। অন্যদিকে, দেশের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে কারা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটছে। আসকের তথ্যমতে, ২০২৪ সালে সারা দেশের কারাগারগুলোতে অন্তত ৬৫ জন বন্দীর মৃত্যু হয়েছে। মানবাধিকারকর্মীদের মতে, কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত বন্দী এবং চিকিৎসাব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতার কারণেই এমন মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে। কারাগারে মারা যাওয়া অন্যান্য নেতারা ৫ আগস্টের পর

গ্রেপ্তার হওয়া আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতা গত কয়েক মাসে কারা হেফাজতে মারা গেছেন। তাঁদের প্রায় সবার ক্ষেত্রেই বিনা চিকিৎসায় অবহেলা অথবা পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ তুলেছেন স্বজনেরা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ঘটনা হলো: বগুড়া কারাগার: কারা হেফাজতে মৃত্যুর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে বগুড়া জেলা কারাগার। গত কয়েক মাসে এই কারাগারে অন্তত চারজন আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলেন—গাবতলীর নেতা আবদুল মতিন ওরফে মিঠু, শিবগঞ্জের আবদুল লতিফ, শহিদুল ইসলাম রতন ও শাহাদত আলম ঝুনু। ঢাকা ও অন্যান্য কারাগার: গত ১৮ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মিরপুর ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার মো. মুরাদ হোসেনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করা হয়[3]।

এ ছাড়া টাঙ্গাইল কারাগারে সুলতান মিয়া[3], পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক প্রলয় চাকী এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের নেতা তারিক রিফাতসহ বেশ কয়েকজন কারাবন্দী নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এসব মৃত্যুর বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের সাধারণ ভাষ্য হলো, মারা যাওয়া এসব বন্দীর অধিকাংশই বয়স্ক ছিলেন এবং আগে থেকেই হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা স্ট্রোকের মতো শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। কারা কর্তৃপক্ষের দাবি, অসুস্থ বন্দীদের চিকিৎসায় কোনো অবহেলা করা হয় না; বরং নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের কারা হাসপাতাল থেকে বাইরের হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তবে প্রায় প্রতিটি মৃত্যুর পরই নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা কর্তৃপক্ষের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের নেতা হারুন অর রশীদের মৃত্যুর ঘটনাটিও জনমনে সেই

একই সন্দেহ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাধা ও শর্ত উপেক্ষা করেই জোয়াহেরুল ইসলামের জানাজায় মানুষের ঢল আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে! যশোরে পৈশাচিকতা: ছাত্রলীগ নেতা জাহিদের ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা মায়ের পায়ের রগ কাটল দুর্বৃত্তরা নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে প্রত্যক্ষ আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের ‘২৩ লক্ষ কোটি টাকার ঋণের বোঝা, ৫০ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা দেবেন কোথা থেকে?’— সরকারকে রনির প্রশ্ন ‘ইরানে হামলা প্রমাণ করে চীন ও ভারত এখনো মার্কিন প্রশাসনের আক্রমনের লক্ষ্যবস্তু’ কারাবন্দি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত ‘দেড় বছর প্রচণ্ড ক্ষমতা ভোগ করে ওনার মাথা আওলা হয়ে গেছে’: সাংবাদিক মাসুদ কামাল পঞ্চগড়ে কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: স্বজনদের হত্যার অভিযোগ ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে থানায় মারধরের শিকার মা–মেয়ে, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ‘এনসিপিকে দেয়া ৭০ কোটি টাকা কোথায় পেলেন আসিফ?’—মুনতাসিরের বিস্ফোরক অভিযোগ জামায়াত নেতার নেতৃত্বে সিলেটে সরকারি রাস্তার বিপুল পরিমাণ ইট লুটপাট: ৬ জন আটক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের এপিএসের ভাই গাড়িচালক থেকে মাত্র ৮ মাসে আঙুল ফুলে বটবৃক্ষ! জরুরি ভিত্তিতে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ বাংলাদেশের: ইউনিট প্রতি দাম বাড়ল ৬ ডলার ‘হেয়ার কাট’ বাতিলের দাবিতে পাঁচ একীভূত ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ, বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও চট্টগ্রামের দুটির পর এবার গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানারও উৎপাদন বন্ধ তীব্র সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা জারি তীব্র জ্বালানি সংকটে দুই বৃহৎ সার কারখানা সিইউএফএল ও কাফকোর উৎপাদন স্থগিত জুলাইয়ে পুলিশ মারা ‘ফরজে কেফায়া’ ছিল: এমপি নাসের রহমান