ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের পাতানো নির্বাচন, যেন ভোটের কোন দরকার নাই!
এবার বসুন্ধরার গণমাধ্যম পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি জুলাই আন্দোলনকারীদের
যে দেশে খুনিরাই আইন বানায়, সে দেশে খুনের পর আনন্দ মিছিল করাই তো স্বাভাবিক!
অর্থনীতির ধসে পড়া আর ইউনূসের অক্ষমতা: পাঁচ মাসের ভয়াবহ বাস্তবতা
নির্বাচনের আগে পুলিশের হাতে চুড়ি পরাতে চায় বৈছাআ, নির্দেশনায় জামায়াত
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ২০০ সদস্যের প্রতিনিধিদল পাঠাবে ইইউ
সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক
নোবেল বিজয়ী মহাজন, দেউলিয়া জাতি: ক্যুর সতেরো মাসে তলানিতে অর্থনীতি
দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণি এখন এমন এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে যেখানে মাস শেষে হিসাব করলে দেখা যাচ্ছে খরচ হয়ে যাচ্ছে আয়ের চেয়েও বেশি। পিপিআরসির জরিপ যা বলছে, তা আসলে প্রতিটি ঘরের মানুষ প্রতিদিন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। চাল কিনতে গেলে দাম শুনে চোখ কপালে ওঠে, ডাল কিনতে গেলে মনে হয় সোনা কিনছি, আর সবজির বাজার করতে গেলে মাথায় হাত। এই যে অবস্থা, এর জন্য দায়ী কারা? যারা ০২৪ সালের জুলাই মাসে রক্তের বন্যা বইয়ে, দেশজুড়ে লুটপাট আর ভাঙচুর চালিয়ে একটি নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে নিজেরা গদিতে বসেছে।
ড. মুহাম্মদ ইউনুস আর তার তথাকথিত উপদেষ্টা পরিষদ গত ছয় মাস ধরে যা করছে, তাকে
শাসন বলা যায় না, বরং দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া বলাই ঠিক। তারা ক্ষমতায় এসেছিল কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে নয়, জনগণের রায়ে নয়, বরং সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সমর্থন আর বিদেশি শক্তির আর্থিক মদদে। ইসলামি জঙ্গি সংগঠনগুলো যেভাবে জুলাই মাসে রাস্তায় তাণ্ডব চালিয়েছিল, পুলিশ হত্যা করেছিল, সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছিল, সেই রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে এই অবৈধ শাসনব্যবস্থা। এখন মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৭৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। টানা ৪৬ মাস ধরে মানুষের আয় বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। মানে সহজ কথায়, আপনার বেতন যতটুকু বাড়ছে, দাম বাড়ছে তার চেয়ে বেশি। ফলাফল? মাস শেষে হাতে পয়সা থাকছে না, সঞ্চয় ভাঙতে হচ্ছে, কেউ কেউ ঋণ নিতে বাধ্য
হচ্ছে। একজন সাধারণ চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ী যখন বাজারে যাচ্ছে, তখন তার মনে হচ্ছে সে যেন অন্য কোনো দেশে চলে এসেছে, যেখানে টাকার কোনো দাম নেই। ইউনুস সাহেব আর তার দল ক্ষমতায় আসার পর থেকে অর্থনীতি সামলানোর কোনো পরিকল্পনা দেখাতে পারেনি। বরং তারা ব্যস্ত থেকেছে প্রতিশোধ নিতে, বিরোধীদের ধরপাকড় করতে, আর নিজেদের লোকজনকে বিভিন্ন পদে বসাতে। দেশের অর্থনীতি যে ডুবে যাচ্ছে, মানুষ যে খেতে পারছে না, সেদিকে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। ক্ষমতা দখলের পর এত দিনে তারা কী করেছে? মূল্যস্ফীতি কমানোর কোনো উদ্যোগ নিয়েছে? বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে? সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটেছে? কিছুই না। উল্টো যেটা হয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিনিয়োগ একেবারে থেমে গেছে।
কোনো ব্যবসায়ী বা শিল্পপতি এমন একটি অবৈধ সরকারের আমলে বিনিয়োগ করতে সাহস পাচ্ছে না, যে সরকারের নিজের ভবিষ্যৎই অনিশ্চিত। ফলে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না, নতুন চাকরির সুযোগ আসছে না। যারা চাকরি হারিয়েছে জুলাইয়ের তাণ্ডবে, তারা এখনো বেকার বসে আছে। আর যাদের চাকরি আছে, তারা টানাটানি করে দিন কাটাচ্ছে। ইউনুস সাহেব মাইক্রোক্রেডিটের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, কিন্তু দেশ চালানোর কোনো যোগ্যতা তার নেই। একজন সুদি মহাজন যিনি সারাজীবন গরিব মানুষের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা আদায় করে ধনী হয়েছেন, তার কাছে সাধারণ মানুষের দুর্দশা বোঝার মতো মানসিকতা আশা করাটাই বোকামি। তিনি আর তার উপদেষ্টারা বসে আছেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে, গাড়িতে চড়ে চলাফেরা
করছেন, তাদের জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। কিন্তু একজন সাধারণ মানুষ যখন বাজারে যায়, তখন সে বুঝতে পারে এই দেশের অবস্থা কতটা খারাপ। সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হলো, এই অবৈধ সরকারের কোনো জবাবদিহিতা নেই। তারা কাউকে কোনো হিসাব দিতে বাধ্য নয়, কারণ তারা জনগণের ভোটে আসেনি। সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় আর বিদেশি প্রভুদের মদদে তারা টিকে আছে। দেশের মানুষের দুর্দশা তাদের কোনো চিন্তার বিষয় নয়। তারা শুধু ক্ষমতায় থাকতে চায়, যেকোনো মূল্যে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে শুধু মুদ্রানীতি নয়, বাজার ব্যবস্থাপনা আর সরবরাহ চেইন ঠিক করা জরুরি। কিন্তু এই সরকার সেই দিকে নজর দেবে কেন? তাদের উদ্দেশ্যই তো ভিন্ন। তারা এসেছিল ক্ষমতা দখল
করতে, দেশের উন্নয়ন করতে নয়। জুলাই মাসে যে রক্তের দাগ তারা রাস্তায় ফেলে এসেছে, সেই দায় থেকে তারা কোনোদিন মুক্ত হতে পারবে না। এখন পরিস্থিতি এমন জায়গায় গেছে যে সাধারণ মানুষ নিজের প্রতি, সরকারের প্রতি, এমনকি দেশের প্রতিও আস্থা হারাচ্ছে। মানুষ ভাবছে, এই দেশে কি আর সুদিন ফিরবে? একজন রাজধানীর বাসিন্দা যা বলেছেন, তা আসলে সবার কথা। আয় বাড়ছে না, কিন্তু খরচ আকাশচুম্বী। এভাবে চলা অসম্ভব হয়ে উঠছে। কিন্তু ইউনুস সাহেবের কানে এসব কথা পৌঁছাবে না, কারণ তিনি ব্যস্ত আছেন নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে। যে সরকার বিদেশি টাকায় পরিচালিত, যে সরকার জঙ্গিদের সহায়তায় ক্ষমতায় এসেছে, যে সরকার সামরিক বাহিনীর দয়ায় টিকে আছে,
সেই সরকারের কাছ থেকে সাধারণ মানুষের কল্যাণ আশা করা বৃথা। এই অবৈধ শাসনব্যবস্থা যতদিন চলবে, ততদিন দেশের অর্থনীতির অবনতি হতেই থাকবে। মধ্যবিত্ত শ্রেণি ধীরে ধীরে নিঃস্ব হয়ে যাবে, আর ধনীরা আরো ধনী হবে। এটাই ইউনুস সাহেবের উন্নয়নের মডেল, যেখানে গরিবের পকেট কেটে নিজেদের পেছন মোটা করা।
শাসন বলা যায় না, বরং দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া বলাই ঠিক। তারা ক্ষমতায় এসেছিল কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে নয়, জনগণের রায়ে নয়, বরং সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সমর্থন আর বিদেশি শক্তির আর্থিক মদদে। ইসলামি জঙ্গি সংগঠনগুলো যেভাবে জুলাই মাসে রাস্তায় তাণ্ডব চালিয়েছিল, পুলিশ হত্যা করেছিল, সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছিল, সেই রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে এই অবৈধ শাসনব্যবস্থা। এখন মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৭৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। টানা ৪৬ মাস ধরে মানুষের আয় বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম। মানে সহজ কথায়, আপনার বেতন যতটুকু বাড়ছে, দাম বাড়ছে তার চেয়ে বেশি। ফলাফল? মাস শেষে হাতে পয়সা থাকছে না, সঞ্চয় ভাঙতে হচ্ছে, কেউ কেউ ঋণ নিতে বাধ্য
হচ্ছে। একজন সাধারণ চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ী যখন বাজারে যাচ্ছে, তখন তার মনে হচ্ছে সে যেন অন্য কোনো দেশে চলে এসেছে, যেখানে টাকার কোনো দাম নেই। ইউনুস সাহেব আর তার দল ক্ষমতায় আসার পর থেকে অর্থনীতি সামলানোর কোনো পরিকল্পনা দেখাতে পারেনি। বরং তারা ব্যস্ত থেকেছে প্রতিশোধ নিতে, বিরোধীদের ধরপাকড় করতে, আর নিজেদের লোকজনকে বিভিন্ন পদে বসাতে। দেশের অর্থনীতি যে ডুবে যাচ্ছে, মানুষ যে খেতে পারছে না, সেদিকে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। ক্ষমতা দখলের পর এত দিনে তারা কী করেছে? মূল্যস্ফীতি কমানোর কোনো উদ্যোগ নিয়েছে? বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে? সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটেছে? কিছুই না। উল্টো যেটা হয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিনিয়োগ একেবারে থেমে গেছে।
কোনো ব্যবসায়ী বা শিল্পপতি এমন একটি অবৈধ সরকারের আমলে বিনিয়োগ করতে সাহস পাচ্ছে না, যে সরকারের নিজের ভবিষ্যৎই অনিশ্চিত। ফলে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না, নতুন চাকরির সুযোগ আসছে না। যারা চাকরি হারিয়েছে জুলাইয়ের তাণ্ডবে, তারা এখনো বেকার বসে আছে। আর যাদের চাকরি আছে, তারা টানাটানি করে দিন কাটাচ্ছে। ইউনুস সাহেব মাইক্রোক্রেডিটের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন, কিন্তু দেশ চালানোর কোনো যোগ্যতা তার নেই। একজন সুদি মহাজন যিনি সারাজীবন গরিব মানুষের কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা আদায় করে ধনী হয়েছেন, তার কাছে সাধারণ মানুষের দুর্দশা বোঝার মতো মানসিকতা আশা করাটাই বোকামি। তিনি আর তার উপদেষ্টারা বসে আছেন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে, গাড়িতে চড়ে চলাফেরা
করছেন, তাদের জীবনযাত্রায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। কিন্তু একজন সাধারণ মানুষ যখন বাজারে যায়, তখন সে বুঝতে পারে এই দেশের অবস্থা কতটা খারাপ। সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয় হলো, এই অবৈধ সরকারের কোনো জবাবদিহিতা নেই। তারা কাউকে কোনো হিসাব দিতে বাধ্য নয়, কারণ তারা জনগণের ভোটে আসেনি। সামরিক বাহিনীর ছত্রছায়ায় আর বিদেশি প্রভুদের মদদে তারা টিকে আছে। দেশের মানুষের দুর্দশা তাদের কোনো চিন্তার বিষয় নয়। তারা শুধু ক্ষমতায় থাকতে চায়, যেকোনো মূল্যে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে শুধু মুদ্রানীতি নয়, বাজার ব্যবস্থাপনা আর সরবরাহ চেইন ঠিক করা জরুরি। কিন্তু এই সরকার সেই দিকে নজর দেবে কেন? তাদের উদ্দেশ্যই তো ভিন্ন। তারা এসেছিল ক্ষমতা দখল
করতে, দেশের উন্নয়ন করতে নয়। জুলাই মাসে যে রক্তের দাগ তারা রাস্তায় ফেলে এসেছে, সেই দায় থেকে তারা কোনোদিন মুক্ত হতে পারবে না। এখন পরিস্থিতি এমন জায়গায় গেছে যে সাধারণ মানুষ নিজের প্রতি, সরকারের প্রতি, এমনকি দেশের প্রতিও আস্থা হারাচ্ছে। মানুষ ভাবছে, এই দেশে কি আর সুদিন ফিরবে? একজন রাজধানীর বাসিন্দা যা বলেছেন, তা আসলে সবার কথা। আয় বাড়ছে না, কিন্তু খরচ আকাশচুম্বী। এভাবে চলা অসম্ভব হয়ে উঠছে। কিন্তু ইউনুস সাহেবের কানে এসব কথা পৌঁছাবে না, কারণ তিনি ব্যস্ত আছেন নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে। যে সরকার বিদেশি টাকায় পরিচালিত, যে সরকার জঙ্গিদের সহায়তায় ক্ষমতায় এসেছে, যে সরকার সামরিক বাহিনীর দয়ায় টিকে আছে,
সেই সরকারের কাছ থেকে সাধারণ মানুষের কল্যাণ আশা করা বৃথা। এই অবৈধ শাসনব্যবস্থা যতদিন চলবে, ততদিন দেশের অর্থনীতির অবনতি হতেই থাকবে। মধ্যবিত্ত শ্রেণি ধীরে ধীরে নিঃস্ব হয়ে যাবে, আর ধনীরা আরো ধনী হবে। এটাই ইউনুস সাহেবের উন্নয়নের মডেল, যেখানে গরিবের পকেট কেটে নিজেদের পেছন মোটা করা।



