ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের পাতানো নির্বাচন, যেন ভোটের কোন দরকার নাই!
এবার বসুন্ধরার গণমাধ্যম পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি জুলাই আন্দোলনকারীদের
যে দেশে খুনিরাই আইন বানায়, সে দেশে খুনের পর আনন্দ মিছিল করাই তো স্বাভাবিক!
নোবেল বিজয়ী মহাজন, দেউলিয়া জাতি: ক্যুর সতেরো মাসে তলানিতে অর্থনীতি
অর্থনীতির ধসে পড়া আর ইউনূসের অক্ষমতা: পাঁচ মাসের ভয়াবহ বাস্তবতা
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ২০০ সদস্যের প্রতিনিধিদল পাঠাবে ইইউ
সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক
নির্বাচনের আগে পুলিশের হাতে চুড়ি পরাতে চায় বৈছাআ, নির্দেশনায় জামায়াত
ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়ছে প্রশাসন। এরইমধ্যে ১০ জনের মতো জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। জামায়াতের অভিযোগ, তুচ্ছ ও গুরুত্বহীন অজুহাতে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনেক যোগ্য প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হচ্ছে, যা ‘কোন একটি মহলের ইন্ধনে’ সংঘটিত হচ্ছে বলে প্রতীয়মান।
এই পরিস্থিতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে দিয়ে প্রশাসনকে হাতে রাখতে চায় জামায়াত। আর এ জন্য জুলাইয়ের মতো নতুন মেটিকুলাস ডিজাইন করেছে শিক্ষার্থী নামের জঙ্গিরা।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে বলা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় যেসব থানা এলাকায় ছাত্র–জনতা শহীদ হয়েছেন, সেসব থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) তালিকা করছে তারা। এর পাশাপাশি জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) থেকে শুরু করে
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তালিকাও হচ্ছে। এই তালিকা করার পর তাদের নাম ধরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হবে। এর মানে দাঁড়াচ্ছে আবারও পুলিশকে নিয়ন্ত্রণে নিতে উঠে পড়ে লেগেছে দেশবিরোধী জঙ্গিরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণার মাধ্যমে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর একটি নতুন ধরনের চাপ সৃষ্টির ইঙ্গিত পাওয়া যায়, যা নির্বাচনের আগে পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একাধিক প্রভাবশালী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ধারাবাহিকভাবে বাতিল হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন আসনে দলটির হেভিওয়েট হিসেবে পরিচিত প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল হওয়াকে জামায়াতের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা। বাতিল হওয়া জামায়াতের প্রভাবশালী প্রার্থীদের তালিকায়
রয়েছেন কক্সবাজার-২ আসনে দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, যশোর-২ আসনে ডা. মোসলেহ উদ্দিন, ঢাকা-২ আসনে আবদুল হক, গাইবান্ধা-১ আসনে মাজেদুর রহমান মাজেদ, কুমিল্লা-৩ আসনে ইউসুফ হাকিম সোহেল এবং কুড়িগ্রাম-৩ আসনে মাহবুবুল আলম সালেহী। জামায়াতের মনোনয়ন বাতিল ও জোটের ফাটল প্রশাসনের এই কথিত ‘বিএনপিপ্রীতি’র সবচেয়ে বড় প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নের ক্ষেত্রে। বিএনপিকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখতে কৌশলে জামায়াত নেতাদের মনোনয়ন বাতিল করা হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন উঠেছে। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে জামায়াত ও এনসিপি রাজপথে সক্রিয় থাকলেও, নির্বাচনের মাঠে বিএনপির সাথে তাদের কৌশলগত দূরত্ব এখন স্পষ্ট। তারেক রহমান এককভাবে ক্ষমতা সংহত করলে জামায়াত বা এনসিপির মতো দলগুলো
ক্ষমতার কতটা অংশীদার হতে পারবে, তা নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আইনি প্রক্রিয়ায় মনোনয়ন বাতিল হলে আপিলের সুযোগ আছে। তবে প্রচারণার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রার্থীদের আইনি লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকতে হলে তা নির্বাচনী ভারসাম্যে প্রভাব ফেলবে। যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, তারা আগামী ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। তবে প্রচারণার এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রার্থীরা আইনি লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকায় তারা মানসিকভাবে পিছিয়ে পড়ছেন। সব মিলিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের গতিপ্রকৃতি এখন অনেকাংশেই তারেক রহমান ও বিএনপির অনুকূলে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তালিকাও হচ্ছে। এই তালিকা করার পর তাদের নাম ধরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হবে। এর মানে দাঁড়াচ্ছে আবারও পুলিশকে নিয়ন্ত্রণে নিতে উঠে পড়ে লেগেছে দেশবিরোধী জঙ্গিরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণার মাধ্যমে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর একটি নতুন ধরনের চাপ সৃষ্টির ইঙ্গিত পাওয়া যায়, যা নির্বাচনের আগে পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একাধিক প্রভাবশালী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ধারাবাহিকভাবে বাতিল হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন আসনে দলটির হেভিওয়েট হিসেবে পরিচিত প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল হওয়াকে জামায়াতের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা। বাতিল হওয়া জামায়াতের প্রভাবশালী প্রার্থীদের তালিকায়
রয়েছেন কক্সবাজার-২ আসনে দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, যশোর-২ আসনে ডা. মোসলেহ উদ্দিন, ঢাকা-২ আসনে আবদুল হক, গাইবান্ধা-১ আসনে মাজেদুর রহমান মাজেদ, কুমিল্লা-৩ আসনে ইউসুফ হাকিম সোহেল এবং কুড়িগ্রাম-৩ আসনে মাহবুবুল আলম সালেহী। জামায়াতের মনোনয়ন বাতিল ও জোটের ফাটল প্রশাসনের এই কথিত ‘বিএনপিপ্রীতি’র সবচেয়ে বড় প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নের ক্ষেত্রে। বিএনপিকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখতে কৌশলে জামায়াত নেতাদের মনোনয়ন বাতিল করা হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন উঠেছে। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে জামায়াত ও এনসিপি রাজপথে সক্রিয় থাকলেও, নির্বাচনের মাঠে বিএনপির সাথে তাদের কৌশলগত দূরত্ব এখন স্পষ্ট। তারেক রহমান এককভাবে ক্ষমতা সংহত করলে জামায়াত বা এনসিপির মতো দলগুলো
ক্ষমতার কতটা অংশীদার হতে পারবে, তা নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আইনি প্রক্রিয়ায় মনোনয়ন বাতিল হলে আপিলের সুযোগ আছে। তবে প্রচারণার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রার্থীদের আইনি লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকতে হলে তা নির্বাচনী ভারসাম্যে প্রভাব ফেলবে। যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, তারা আগামী ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। তবে প্রচারণার এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে প্রার্থীরা আইনি লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকায় তারা মানসিকভাবে পিছিয়ে পড়ছেন। সব মিলিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের গতিপ্রকৃতি এখন অনেকাংশেই তারেক রহমান ও বিএনপির অনুকূলে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।



