ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ছাত্রকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালেন শিক্ষক
পাবনায় দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪
পিস্তল ও গোলাবারুদসহ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩
শেরপুরে লুট হওয়া শটগানসহ বিএনপিকর্মী আটক
৩৮ কেজি গাঁজা, কাভার্ড ভ্যানসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
কক্সবাজারে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন
চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ২
নিজের মামীকে নিয়ে সংসার, বাংলামোটরে ধর্ষণ ও হাতিরঝিলে রড চুরি: ‘মাওরা সায়মন’-এর অন্ধকার জগত!
রাজধানীর মগবাজার-হাতিরঝিল এলাকায় রড চুরির মূল হোতা এবং সদ্য বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ফেরদৌস আহমেদ ওরফে ‘মাওরা সায়মন’-এর অপরাধের তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। কেবল সরকারি মেগা প্রকল্পের মালামাল লুট আর টর্চার সেলই নয়, তার ব্যক্তিজীবনের অন্ধকার ও বিকৃত রূপ এখন প্রকাশ্যে। নিজের মামীর সঙ্গে পরকীয়া থেকে শুরু করে বাংলামোটর এলাকায় একাধিক ধর্ষণ এবং অসংখ্য নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের এক বিশাল স্ক্যান্ডাল এখন টক অব দ্য টাউনে।
মামীর সাথে সংসার ও ধারাবাহিক পরকীয়া
অনুসন্ধানে জানা যায়, সায়মনের নৈতিক স্খলনের ইতিহাস অত্যন্ত পুরনো এবং ভয়াবহ। একসময় নিজের আপন মামীর সঙ্গেই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিল এই সায়মন। সমাজ, সম্পর্ক ও পরিবারের তোয়াক্কা না করে সেই মামীকে
নিয়ে সে পালিয়ে যায় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে। সেখানে টানা এক বছর স্বামী-স্ত্রীর মতো সংসার করার পর, প্রতারণা করে মামীকেও পথে বসিয়ে চলে আসে সে। সেই বিকৃত ধারাবাহিকতা সে আজও বজায় রেখেছে। বর্তমানে নিজের ঘরে স্ত্রী-সন্তান থাকার পরও বিভিন্ন বয়সী মহিলাদের ফাঁদে ফেলে পরকীয়ায় মত্ত রয়েছে এই লম্পট সায়মন। টাকার জোর আর প্রভাব খাটিয়ে সে একের পর এক নারীর জীবন ধ্বংস করে চলেছে। বাংলামোটরে ধর্ষণের সাম্রাজ্য ও পুলিশের ভূমিকা কেবল পরকীয়াতেই থেমে নেই সায়মন, তার বিরুদ্ধে বাংলামোটর এলাকায় একাধিক ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। জানা যায়, কোনো ভুক্তভোগী নারী যদি সাহস করে থানায় অভিযোগ করতে যায়, সায়মন
তার কালো টাকা ও প্রভাব খাটিয়ে পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করে ফেলে। শুধু তাই নয়, ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে লোক ভাড়া করে ‘মব’ বা উচ্ছৃঙ্খল জনতার পরিবেশ তৈরি করে। এভাবেই সে নির্যাতিতা নারীদের হেনস্থা ও কোণঠাসা করে রাখে। ফলে বিচারের আশায় থানায় গিয়েও উল্টো হয়রানি ও সম্মানহানির ভয়ে নীরবে চোখের জল ফেলছেন অনেক ভুক্তভোগী নারী। নারী কেলেঙ্কারি ঢাকতে চুরির টাকায় রাজত্ব এই বিকৃত যৌনাচার, পরকীয়া ও ধর্ষণের রাজত্ব টিকিয়ে রাখতে সায়মনের প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যার জোগান আসে সরকারি মেগা প্রকল্পের মালামাল চুরির মাধ্যমে। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের হাতিরঝিল ও মগবাজার অংশের সরকারি রড ও ভারী লোহা চুরির একচ্ছত্র অধিপতি এই ‘মাওরা সায়মন’। এই
কাজে তার প্রধান সহযোগী ও ‘মাসলম্যান’ হিসেবে কাজ করছে ‘ভেজাল তাহের’ ও ‘কাইলা হৃদয়’। কাজী রিয়াদ হাসনাতকে ডিবি পরিচয়ে অপহরণ ও টর্চার সেলে নির্যাতনের দায়ে সায়মনকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হলেও, তার এই চুরি ও নারীঘটিত অপরাধের সাম্রাজ্য চলছে দ্বিগুণ দাপটে। সাইটে নতুন রড ও ভারি লোহার প্রপস নামানোর পরপরই সায়মনের নির্দেশে তাহের ও হৃদয় ট্রাক লাগিয়ে সেসব মালামাল সরিয়ে ফেলে। সম্প্রতি তাদের চুরির ও ভাগ-বাটোয়ারার একটি ভিডিও ফুটেজও ফাঁস হয়েছে। ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন এই লম্পট ও চোর? হাতিরঝিল, মগবাজার ও বাংলামোটরের সাধারণ মানুষ আজ এই সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের প্রশ্ন—ভিডিও প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও এবং মামীকে নিয়ে কেলেঙ্কারি থেকে শুরু
করে একাধিক ধর্ষণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার পরও এই লম্পট ‘মাওরা সায়মন’, ‘ভেজাল তাহের’ ও ‘কাইলা হৃদয়’ প্রশাসন ও পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন? সমাজের নারীদের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ এই ধর্ষক, পরকীয়ায় আসক্ত এবং জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠনকারী সায়মন সিন্ডিকেটকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।
নিয়ে সে পালিয়ে যায় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে। সেখানে টানা এক বছর স্বামী-স্ত্রীর মতো সংসার করার পর, প্রতারণা করে মামীকেও পথে বসিয়ে চলে আসে সে। সেই বিকৃত ধারাবাহিকতা সে আজও বজায় রেখেছে। বর্তমানে নিজের ঘরে স্ত্রী-সন্তান থাকার পরও বিভিন্ন বয়সী মহিলাদের ফাঁদে ফেলে পরকীয়ায় মত্ত রয়েছে এই লম্পট সায়মন। টাকার জোর আর প্রভাব খাটিয়ে সে একের পর এক নারীর জীবন ধ্বংস করে চলেছে। বাংলামোটরে ধর্ষণের সাম্রাজ্য ও পুলিশের ভূমিকা কেবল পরকীয়াতেই থেমে নেই সায়মন, তার বিরুদ্ধে বাংলামোটর এলাকায় একাধিক ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। জানা যায়, কোনো ভুক্তভোগী নারী যদি সাহস করে থানায় অভিযোগ করতে যায়, সায়মন
তার কালো টাকা ও প্রভাব খাটিয়ে পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করে ফেলে। শুধু তাই নয়, ভুক্তভোগীর বিরুদ্ধে উল্টো মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়ে লোক ভাড়া করে ‘মব’ বা উচ্ছৃঙ্খল জনতার পরিবেশ তৈরি করে। এভাবেই সে নির্যাতিতা নারীদের হেনস্থা ও কোণঠাসা করে রাখে। ফলে বিচারের আশায় থানায় গিয়েও উল্টো হয়রানি ও সম্মানহানির ভয়ে নীরবে চোখের জল ফেলছেন অনেক ভুক্তভোগী নারী। নারী কেলেঙ্কারি ঢাকতে চুরির টাকায় রাজত্ব এই বিকৃত যৌনাচার, পরকীয়া ও ধর্ষণের রাজত্ব টিকিয়ে রাখতে সায়মনের প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যার জোগান আসে সরকারি মেগা প্রকল্পের মালামাল চুরির মাধ্যমে। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের হাতিরঝিল ও মগবাজার অংশের সরকারি রড ও ভারী লোহা চুরির একচ্ছত্র অধিপতি এই ‘মাওরা সায়মন’। এই
কাজে তার প্রধান সহযোগী ও ‘মাসলম্যান’ হিসেবে কাজ করছে ‘ভেজাল তাহের’ ও ‘কাইলা হৃদয়’। কাজী রিয়াদ হাসনাতকে ডিবি পরিচয়ে অপহরণ ও টর্চার সেলে নির্যাতনের দায়ে সায়মনকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হলেও, তার এই চুরি ও নারীঘটিত অপরাধের সাম্রাজ্য চলছে দ্বিগুণ দাপটে। সাইটে নতুন রড ও ভারি লোহার প্রপস নামানোর পরপরই সায়মনের নির্দেশে তাহের ও হৃদয় ট্রাক লাগিয়ে সেসব মালামাল সরিয়ে ফেলে। সম্প্রতি তাদের চুরির ও ভাগ-বাটোয়ারার একটি ভিডিও ফুটেজও ফাঁস হয়েছে। ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন এই লম্পট ও চোর? হাতিরঝিল, মগবাজার ও বাংলামোটরের সাধারণ মানুষ আজ এই সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি। এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের প্রশ্ন—ভিডিও প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও এবং মামীকে নিয়ে কেলেঙ্কারি থেকে শুরু
করে একাধিক ধর্ষণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকার পরও এই লম্পট ‘মাওরা সায়মন’, ‘ভেজাল তাহের’ ও ‘কাইলা হৃদয়’ প্রশাসন ও পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে কেন? সমাজের নারীদের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ এই ধর্ষক, পরকীয়ায় আসক্ত এবং জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠনকারী সায়মন সিন্ডিকেটকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।



