ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক স্পিকার গ্রেপ্তার: আদালতে আইনজীবীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান
ঈদুল আজহা ও আরাফাহ দিবসে আরব আমিরাতে ৬ দিন ছুটি
এনসিপি নেত্রী ডা. মিতু ও সাবেক স্বাস্থ্যে শতকোটি টাকার টেন্ডার ও নিয়োগ বাণিজ্য
অন্তর্বর্তী সরকারের ১৪ অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাশ
আইনজীবীদের হট্টগোলে সাংবাদিকদের উপর ক্ষোভ ঝাড়লেন বিচারক
আদালতে শিরীন শারমিন, কারাগারে আটক রাখার আবেদন
ট্রাইব্যুনালের আইনেই বিচার সম্ভব, গুম অধ্যাদেশ ছিল অপ্রয়োজনীয়
না খেয়ে থাকা ৬ হাজার শ্রমিকের হাহাকার: কুমিল্লায় রাজপথ অবরোধে ফুঁসে উঠেছে জনতা।
তীব্র গরম আর রোদ উপেক্ষা করে বকেয়া বেতনের দাবিতে রাজপথে নেমে এসেছেন কুমিল্লার নাসা গ্রুপের কয়েক হাজার শ্রমিক। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পদুয়ার বাজার এলাকায় চলে এই অবরোধ। প্রায় আড়াই ঘণ্টার এই কর্মসূচিতে অচল হয়ে পড়ে দেশের লাইফলাইন খ্যাত এই মহাসড়ক, সৃষ্টি হয় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের।
অবরোধে অচল জনজীবন
মঙ্গলবার সকাল থেকেই কুমিল্লা ইপিজেডের নাসা গ্রুপের ছয়টি কারখানার কয়েক শ শ্রমিক পদুয়ার বাজার এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন। এর ফলে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে প্রচণ্ড গরমে আটকা পড়া কয়েক হাজার যাত্রী
ও চালক চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, র্যাব ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ প্রচেষ্টায় দুপুর ১২টার দিকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। শ্রমিকদের বুকফাটা আর্তনাদ ও বকেয়া পাওনা আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, নাসা গ্রুপ বিনা নোটিশে কারখানা বন্ধ করে দিয়ে কয়েক হাজার শ্রমিককে পথে বসিয়ে দিয়েছে। আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা জাহাঙ্গীর কবির জানান: “৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই আমাদের কারখানায় সংকট শুরু হয়। কোনো নোটিশ ছাড়াই চারটি কারখানা এক বছর আগে এবং বাকি দুটি কারখানা দেড় মাস আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ছয় হাজার শ্রমিকের একেকজনের ৫ থেকে ৯ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে (বেতন ও প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ)।
আমরা এখন পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরছি।” আরেক শ্রমিক বেলাল হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, “বারবার ইপিজেড কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়েও আমরা শুধু আশ্বাস পেয়েছি, টাকা পাইনি। নিরুপায় হয়েই আজ আমাদের রাস্তায় নামতে হয়েছে।” শ্রমিকদের দাবি, মহাসড়কে অবস্থানকালে পুলিশ তাঁদের ওপর বলপ্রয়োগ করে সরিয়ে দিয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে জনদুর্ভোগ নিরসনের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিক বলেন: “শ্রমিকরা দীর্ঘ সময় মহাসড়ক আটকে রাখায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছিল। আমরা তাঁদের বুঝিয়েছি যে, মহাসড়ক বন্ধ না করে আইনি প্রক্রিয়ায় বা অভিযোগের মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।”
ও চালক চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, র্যাব ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ প্রচেষ্টায় দুপুর ১২টার দিকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। শ্রমিকদের বুকফাটা আর্তনাদ ও বকেয়া পাওনা আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, নাসা গ্রুপ বিনা নোটিশে কারখানা বন্ধ করে দিয়ে কয়েক হাজার শ্রমিককে পথে বসিয়ে দিয়েছে। আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা জাহাঙ্গীর কবির জানান: “৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই আমাদের কারখানায় সংকট শুরু হয়। কোনো নোটিশ ছাড়াই চারটি কারখানা এক বছর আগে এবং বাকি দুটি কারখানা দেড় মাস আগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ছয় হাজার শ্রমিকের একেকজনের ৫ থেকে ৯ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে (বেতন ও প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ)।
আমরা এখন পরিবার নিয়ে না খেয়ে মরছি।” আরেক শ্রমিক বেলাল হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, “বারবার ইপিজেড কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়েও আমরা শুধু আশ্বাস পেয়েছি, টাকা পাইনি। নিরুপায় হয়েই আজ আমাদের রাস্তায় নামতে হয়েছে।” শ্রমিকদের দাবি, মহাসড়কে অবস্থানকালে পুলিশ তাঁদের ওপর বলপ্রয়োগ করে সরিয়ে দিয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টিকে জনদুর্ভোগ নিরসনের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিক বলেন: “শ্রমিকরা দীর্ঘ সময় মহাসড়ক আটকে রাখায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছিল। আমরা তাঁদের বুঝিয়েছি যে, মহাসড়ক বন্ধ না করে আইনি প্রক্রিয়ায় বা অভিযোগের মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।”



